Diptheria Symptoms
ইহা শ্বাসযন্ত্রের একটি বীজাণু ও সংক্রমণ জনিত রোগ। এই রোগের ফলে গলকোষ এবং গলনালী পর্দার দ্বারা আচ্ছাদিত হয় এবং প্রবাহিত হয়। আক্রান্ত তন্ত্র শ্বাসতন্ত্র ত্বক স্নায়ুতন্ত্র হৃদপিন্ড প্রভৃতি এই রোগের ফলে আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স তিন থেকে বারো বছর বয়সের শিশুদেরই এই রোগ বিশে হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ বালক শিশু ও বালিকা শিশু উভয়েই সমানভাবে এই রোগ আক্রান্ত হয়।
Reason কারণ
আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে থাকার ফলে তার হাঁচি ও কাশি এবং শ্লেষ্মা প্রভৃতির মাধ্যমে রোগ জীবাণু নির্গত হয়ে সুস্থ শিশুর দেহে প্রবেশ করে
জীবাণু করিনি ব্যাকটেরিয়াম ডিপথেরিয়ী ( Corynebacterium Diptheriae) নামক বীজাণু এই রোগ ঘটায়। রোগের সময় শরীরে রোগের জীবাণু প্রবেশের দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
Symptoms লক্ষণ
• পরে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়
• খাবার গিলে খেতে ও কথা বলতে কষ্ট হয়
• জ্বর ১০০⁰ ফাঃ এর কাছে তার সঙ্গে সর্দি-কাশির ও গলায় ব্যথা প্রভৃতি দিয়ে রোগ শুরু হয়
• লালাগ্ৰন্থি ও গলানালী থেকে দুর্গন্ধযুক্ত লালা ঝরতে থাকে
• এমনকি রোগ মারাত্মক ভাবে বেড়ে গেলে রক্তপাত ও হতে পারে
• জিভে স্প্যাচুলা দিয়ে চেপে গলার ভিতর আলো ফেলে দেখতে ডিপথেরিয়া প্যাচ দেখতে পাওয়া যায়
• টনসিল আলজিভ শ্বাসনালী প্রভৃতি অংশে আবৃত করে সু নির্দিষ্ট সীমানা বিশিষ্ট ধূসর রংয়ের পর্দা অর্থাৎ মেমব্রেন দেখা যায়। এর চারিদিক লালাভ হয়
• গলা ভেঙে যায় গলার স্বর বসে যায় কাশি হতে পারে
• গলার পর্দা যত বৃদ্ধি পায় শ্বাসকষ্ট তত বৃদ্ধি পায় ও নাড়ীর গতি বৃদ্ধি পায় এবং নাড়ী ক্ষীন হয়। ক্রমশঃ শ্বাসরোধ হয়ে রোগী মারা যায়
আনুষঙ্গিক চিকিৎসা
• শিশুটিকে দুই থেকে তিন সপ্তাহ সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে
• মুখ ও গলা পরিষ্কার রাখার জন্য মাউথ ওয়াশ গাগরল ব্যবহার করতে হবে
• প্রথম অবস্থায় দুধ সাবু গ্লুকোজের জল ফলের রস হরলিক্স ভেভা প্রভৃতি খেতে দেওয়া যাবে
• একটু সুস্থ হলে সুসিদ্ধ ভাত চারা পোনা মাছের ঝোল শাকসবজি প্রভৃত খাওয়ানো চলবে
• বাড়ির সুস্থ শিশু ডিপথেরিয়া ভ্যাকসিন না নেওয়া থাকলে তার ব্যবস্থা করতে হবে
অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি করে কোন রকমে সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।
