সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

How to use Yellow Fever Causes and symptoms: কারণ, লক্ষণ ও আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Yellow Fever Causes and symptoms

বিবরণ 

ইহা একটি ভাইরাস সংক্রমণ জনিত রোগ। এই রোগ আমাদের দেশে খুব কমই হয়। আক্রান্ত তন্ত্র রক্ত ও যকৃত পৌষ্টিক তন্ত্র প্রভৃতি এই রোগে আক্রান্ত হয়। 

আক্রমণের বয়স যে কোন বয়সেই হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের সমান হারে এই রোগ হতে পারে।



কারণ 

ঈডিস নামক একপ্রকার মশা এই রোগ একজন থেকে অন্য জনের শরীরে বহন করে। ফ্লেভিভাইরাস Flavivirus নামক রোগের জীবাণু এই রোগ ঘটায়।



Symptoms of the disease 

এই রোগ চারটি ধাপে প্রকাশ পায়। প্রতিটি ধাপ সম্বন্ধে বর্ণনা করা হচ্ছে।

এক নম্বর 

• গা হাত পা ম্যাজ ম্যাজ করা 

• ঘুম ভাব 

• ক্ষুধা মন্দা 

• গা বমি 

• সর্বাঙ্গে ব্যথা অনুভব 

দুই নম্বর 

• শীত ও কাঁপুনি সহ জ্বর আসে 

• মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পায় 

• সর্বাঙ্গে যন্ত্রণা হতে পারে 

• পায়খানা পরিস্কার হয় না 

• প্রস্রাব ও কম হয় 

তিন নম্বর 

• জ্বর কমে 

• যন্ত্রণা কমে 

• এমনকি জ্বর ছেড়ে রোগী সুস্থ ও হয়ে যেতে পারে 

চার নম্বর 

• তৃতীয় ধাপে রোগী সুস্থ না হলে সামান্য জ্বর সহ 

• রক্ত ও শ্লেষ্মা যুক্ত পায়খানা 

• বমি 

• পৌষ্টিক তন্ত্র থেকে মারাত্মক রক্তস্রাব 

• সারা শরীর হরিদ্রাবর্ণ হওয়া প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায় 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

১. রোগীকে আলোক পূর্ণ ঘরে 

২. খোলা বাতাসে এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্ন বিছানায় থাকার ব্যবস্থা করতে হবে রোগ ভোগকালীন এবং রোগ সারার পর ও রোগীর কিছু দিন বিশ্রামে থাকা দরকার 

৩. জ্বর বাড়লে গরম জলে তোয়ালে ভিজিয়ে স্পঞ্জিং করা এবং মাথায় ঠান্ডা জল ব্যবহার করা ভালো 

৪. জ্বর ছাড়ার সময় সামান্য পরিমাণে অ্যালকোহল জলে মিশে খাওয়ানো ভালো 

৫. এতে শরীর দুর্বল হওয়ার হাত থেকে রেহাই পায়

৬. ক্ষুধা ভালো হয় এবং পায়খানা পরিষ্কার হয়

৭. পীতজ্বরের রোগীকে জ্বর অবস্থায় তরল খাদ্য যেমন গ্লুকোজের জল, মিছরির জল, ডাবের জল, মুসাম্বি বা কমলার রস, বেদানার রস, আখের রস, ছানার জল,  কুলেখাড়ার ঝোল আঙ্গুরের রস, প্রভৃতি খেতে দেওয়া ভালো

৮. রোগীর একটু সুস্থ হলে সুসিদ্ধ ভাত, চারা পোনা মাছের ঝোল, উচ্ছে, করলা, নিম পাতা, পটল পাতা ভাজা, ডিম সিদ্ধ, রুটি প্রভৃতি খেতে দেওয়া ভালো

৯. এছাড়া দুধ, হরলিক্স, ফল মূল প্রভৃতি ও খাওয়া চলবে 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।




এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Carcinoma Of The Oesophagus cancer symptoms use in bangali খাদ্যনালীতে ক্যান্সার

  রোগের বিবরণ খাদ্যনালীর নিম্ন প্রান্তের ভিতরের দিকের ত্বকের যে কোন কোষের উৎকট ধরনের বৃদ্ধি এবং তার ফলে পার্শ্ব বর্তী টিস্যু সমূহে তার প্রভাব পড়া এবং আরও পরে এই রোগ অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়াকে খাদ্যনালী কার্সি নোমা বা কর্কটরোগ বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হয়। ৪০ থেকে ৫০ এর মধ্যে ও এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের চেয়ে পুরুষেরা এই রোগে আড়াই গুণ বেশি আক্রান্ত হয়। রোগের কারণ সঠিক কারণ অজানা। ধূমপান মদ্যপান খাদ্যনালির প্রদাহে দীর্ঘদিন ভোগা এবং তা থেকে ক্ষতের সৃষ্টি হওয়া প্রভৃতি থেকে এই রোগ হতে পারে। রোগের লক্ষণ ১ হাতের আঙুলের নখের গোড়ায় দিকের স্বাভাবিক বক্রতা নষ্ট হয়ে যায়। ২ খাদ্যনালির অবরোধ ঘটতে পারে। ৩ খাদ্য বস্তুর পাকস্থলীতে পৌঁছাতে পারে না। ৪ দ্রুত শরীরের ওজন কমে যায়। ৫ খাদ্য গিলে খাবার পর তা যখন খাদ্যনালির বরাবর নামে তখন অত্যধিক কষ্ট হওয়া। ৬ যা একটানা চলতেই থাকে ইহা এই রোগের প্রধান লক্ষণ। ৭ ঢেকুরের সাথে খাবার উগরিয়ে আসতে পারে। ৮ রাত্রে মুখে জল উঠতে পারে। ৯ কন্ঠাস্থির উপ...

How To Use Albendazole Tablets In Bangali অ্যালবেনডাজল কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস

ইহা একটি বহুব্যাপক কৃমিনাশক ঔষধ। ইহা কৃমি দের গ্লুকোজের গ্রহনের বাধা দেয় ফলে কৃমিদের শক্তি সঞ্চয় কমে গিয়ে ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকে ও তাদের সচলতা ব্যাহত হয় এবং ক্রমশ তা মালের সাথে নির্গত হয়। এই ঔষধ খুব সামান্য পরিমাণে পৌষ্টিক তন্ত্র থেকে শোষিত হয়। ইহা অধিকাংশই মলের সাথে নির্গত হয়ে যায়। ব্যবহার গোলকৃমি হুকওয়ার্ম সূতাকৃমি ফিতাকৃমি এবং হুইপওয়ার্ম প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ধরা এবং মাঝে মাঝে পেটের গন্ডগোলের ইতিহাসে পাওয়া যায়। বমি ভাব মুখে শুষ্কতা কানের শব্দ হওয়া প্রভৃতি হতে পারে। আন্তঃবিক্রিয়া কোন ঔষধ বা খাদ্যের সাথে আন্তঃবিক্রিয়ার কোন ইতিহাস নেই। সাবধানতা গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকালে মহিলাদের এই ঔষধ খাওয়া নিষিদ্ধ। স্বাভাবিক ঋতুস্রাবের ৭ দিনের মধ্যে ব্যবহার না করাই শ্রেয়।সদ্যোজাত শিশুদের ব্যবহার নিষিদ্ধ। যকৃতের মারাত্মক রোগের সময় এই ঔষধ ব্যবহার না করাই শ্রেয়। ঔষধের ব্র্যান্ডনেম Tablets Albezole এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

How To Use Ketoconazole in Bangali কেটোকোনাজোল এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস

  ইহা একটি বহুব্যাপক ছত্রাকনাশক ঔষধ। ইহা ট্রাইকোফাইটিন স্পেসিজ এপিডারমোফাইটন ফ্লোকোসাম মাইক্রোস্পোরাম স্পেসিজ ঈষ্ট পিটাইরোস্পোরাম স্পেসিজ প্রভৃতি ছত্রাক জীবাণুর উপর সক্রিয়। এই ঔষধ পৌষ্টিক তন্ত্রের থেকে দ্রুত এবং প্রায় সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়।বাহ্যিক প্রয়োগের ঔষধের চর্মে প্রবেশ করার ক্ষমতা ও খুব ভালো। ব্যবহার দেহের চর্মের দাদ জননতান্ত্র সংলগ্ন অংশের দাদ পায়ের দাদ দেহের দাদ সকল অংশের হাজা রোগ ছুলি নখের ছত্রাক প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বমি ভাব বা বমি যকৃতের প্রদাহ পুরুষের স্তনের বৃদ্ধি চুল ওঠা ও চর্মের উদ্ভিদ পেটের গন্ডগোল বীর্যের শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যাওয়া প্রভৃতি ঘটে। আন্তঃবিক্রিয়া অ্যান্টাসিড সাইক্লোস্পোরিন ওয়ারফারিন ফিনাইটোইন রিয়ামপিসিন আইসোনায়াজিড অ্যালকোহল প্রভৃতির সাথে আন্তঃবিক্রিয়ার ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়। সাবধানতা যকৃতের রোগ পেটের গন্ডগোলে খুব সাবধানতা সহকারে ব্যবহার করতে হবে। গর্ভবতী মহিলা স্তন্যদানকারী মাতা এবং ২ বছরের নিচের শিশুদের ব্যবহার নিষিদ্ধ। বাহ্যিক প্রয়োগের ঔষধ মুখগহ্বর নাসিকা ও চক্ষু সংলগ্ন অংশে ব্যবহার করা চলবে না। ...