nephritis meaning in bengali নেফ্রাইটিস কেন হয়

 

বিবরণ

বৃক্ককোষে অবস্থিত ছাঁকনি সমূহ গ্লোমেরুলি জীবাণু দূষণ জনিত কারণে ক্ষতিগ্ৰস্ত এবং প্রদাহিত হতে থাকে। একেই বৃক্ককোষে প্রদাহ বা তীব্র গ্লোমেরুলোনফ্রাইটিস বলা হয়।
আক্রান্ত তন্ত্র মূত্রযন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স যে কোন বয়সই এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের যে পুরুষেরা এই রোগে বেশি আক্রান্ত হন।

কারণ

ফ্যারিংজাইটিস টনসিলাইটিস মধ্যকর্ণের প্রদাহ প্রভৃতি রোগের বীজাণুরা মূত্রগ্ৰন্থিকে আক্রমণ করে বলে এই রোগের সৃষ্টি হয়। সরাসরি সংক্রমণ ও হতে পারে।

লক্ষণ

১ পেটে যন্ত্রণা হতে পারে।
২ জ্বর ভাব হতে দেখা যায়।
৩ ক্ষুধা মন্দা হতে পারে।
৪ প্রস্রাবে জ্বালা হতে পারে।
৫ প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়।
৬ প্রস্রাবের রক্ত থাকে সামান্য।
৭ বেশি থাকলে চায়ের মত প্রস্রাব হয়।
৮ সকালে চোখ মুখ ফোলে এবং বিকালে ও সন্ধ্যা পা ও জানু ফোলে।
৯ প্রস্রাবের পরিমাণ কম হয়।
১০ পিঠের নিচের দিকে আড়ষ্ট ব্যাথা হয়।
১১ দু পায়ে যন্ত্রণা হতে থাকে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে।
২ জটিলতা সৃষ্টি হলে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নিতে হবে।
৩ প্রয়োজনে ডায়ালিসিস করতে হবে।
৪ সুসিদ্ধ ভাত তরকারি সবুজ শাকসবজি দুধ রুটি মাখন বিস্কুট প্রভৃতি খাওয়া চলবে।
৫ মিছরির সরবৎ ডাবের জল পানির জল প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে।
৬ ঠান্ডা লাগানো নিষিদ্ধ।
৭ লবণ প্রোটিন জাতীয় খাবার পটাসিয়ামযুক্ত খাবার প্রভৃতি খুব কম খেতে হবে।

inflammation of muscle in use bangali পেশীর বাত কাজ কি

 

বিবরণ

যে কোনো কারণে শরীরের যে কোন অংশের পেশীর আক্ষেপ ও প্রদাহকে পেশীর বাত বলা হয়। এই রোগ ক্রনিক হয়। এবং এই রোগ অন্য রোগ থেকে সৃষ্ট পেশীর প্রদাহ নহে।
আক্রান্ত তন্ত্র পেশী কঙ্কাল তন্ত্র স্নায়ুতন্ত্র এই রোগে দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স যে কোন বয়সেই এই রোগ হতে পারে।
আক্রমণের লিঙ্গ মহিলা ও পুরুষ উভয়ের সমানভাবে এই রোগ হতে পারে।

কারণ

অধিক পরিশ্রম করার ফলে পেশী কলার সংকোচন ও প্রসারণের ফলে আঘাত লেগে টিস্যু ছিঁড়ে গেলে অস্ত্র পচারের পর টিস্যুর গঠন ঠিকমতো না হলে এবং অনেক অজানা কারণে এই রোগ হয় বলে ধারণা করা হয়।

লক্ষণ

হাত ও পা পিঠ বা শরীরের যে কোনো অংশে পেশীর সামান্য থেকে অধিকতর প্রদাহ নড়া চড়া করতে কষ্ট প্রভৃতি এই রোগের লক্ষণ।

চিকিৎসা

১ প্রদাহনাশক ঔষধ দিতে হবে।
Tablets Mobizox ট্যাবলেট মোবিজক্স
১ টি করে দিনে ২ বার খাবার পর খেতে হবে।

তার সঙ্গে দিতে হবে।
Tablets Digene ট্যাবলেট ডাইজিন
১ থেকে ২ টি করে উপরের ঔষধের সাথে চিবিয়ে খেতে হবে।
২ যেকোনো একটি ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও জিঙ্ক মিশ্রিত ঔষধ খেতে হবে।
Capsule Cobadex Z ক্যাপসুল কোবাডেক্স জেড
১ টি করে দিনে ১ থেকে ২ বার ১০ দিন খেতে হবে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ চিকিৎসা চলাকালীন সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে।
২ ফলমূল ও সবুজ শাকসবজি প্রভৃতি খাওয়া ভালো।
৩ ধূমপান ও মাদকদ্রব্য সেবন নিষিদ্ধ।
৪ দুধ ঘি প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন মাছ মাংস ডিম প্রভৃতি অধিক পরিমাণে খাওয়া ভালো।
৫ কোষ্ঠ পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

How To Use Prostatitis Symptoms Use in Bangali প্রোস্টাটাইটিস কি

 

বিবরণ

বিভিন্ন কারণে প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড অর্থাৎ মূত্রাশয় গ্ৰন্থি স্ফীত ও প্রদাহিত হওয়াকে প্রসটেটাইটিস বলা হয়।
আক্রান্ত তন্ত্র জননতন্ত্র ও মূত্র তন্ত্রের প্রভৃতি এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স ৩০ থেকে ৫০ বছর বয়সেই এই রোগ অধিক হতে দেখা যায়। তবে ৫০ বছরের উদ্ধের ও হতে পারে।
আক্রান্ত লিঙ্গ এই রোগ কেবল পুরুষদেরই হয়।

কারণ

মূত্র নালী দ্ধারা বীজাণু প্রবেশ প্রস্টেট নালীতে মূত্রের প্রবেশ আঘাত লাগা গ্ৰন্থির ক্ষরণের গোলযোগ প্রভৃতি থেকে এই রোগ হতে পারে। এছাড়া মূত্রপাথরী অনেক সময় এই রোগের কারণ হয়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ক্লেবসিয়েল্লা প্রোটিয়াস প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ ব্যাকটিরিয়া স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস প্রভৃতি গ্ৰাম পজিটিভ ব্যাকটেরিয়া এই রোগ ঘটায়।

লক্ষণ

১ প্রথমে তলপেটে প্রচন্ড ব্যাথা যন্ত্রণা। বিশেষ করে প্রস্রাবের সময় হতে দেখা যায়।
২ জ্বর ও শীত ভাব প্রভৃতি হতে পারে।
৩ ঘন ঘন প্রস্রাবর বেগ কিন্তু প্রস্রাব ত্যাগের সময় বাধার সৃষ্টি ঘটে।
৪ ক্যাথিটার দ্ধারা প্রস্রাব করালে কিছুক্ষণ রোগের কষ্ট কমে যায় পুনরায় মূত্রথলিতে মূত্র সঞ্চত হলে ব্যাথা যন্ত্রনার সুত্রপাত হয়।
৫ বারংবার অল্প অল্প করে প্রস্রাব হয়।
৬ প্রস্রাবের করার সময় খুব কষ্ট হয়।
৭ প্রস্টেট গ্রন্থি ফুলে ওঠে গরম হয়।
৮ অগুকোষ লিঙ্গে প্রচন্ড ব্যাথা হয়।
৯ বীর্যপাতের সময় যন্ত্রণা হতে থাকে। রক্তপাত হয়।

চিকিৎসা

১ প্রদাহ নাশের জন্যে দিতে হবে।
Tablet  Trigan D ট্যাবলেট ট্রাইগ্যান ডি
১ টি করে দিনে ৩ বার খাবার পর খেতে হবে ৩ থেকে ৫ দিন।
২ কোষ্ঠ পরিষ্কার রাখার জন্য দিতে হবে।
Naturocare Pawder নেচারকেয়ার পাওডার
২ থেকে ৩ চামচ করে রাত্রে গরম জলসহ রাত্রে খেতে হবে।
৩ ক্রনিক কেস অথবা অ্যাকিউট অবস্থায় রোগের লক্ষণ হালকা থাকলে য়ে কোন ঔষধ ভালো ফল পাওয়া যায়।
Tablet Bactrim DS ট্যাবলেট ব্যাকট্রিম ডি এস
১ টি করে দিনে ২ বার ৫ থেকে ১০ দিন দিতে হবে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ যৌন মিলনের সময় বীর্যস্খলনে বাধাদান করা উচিত নয়।
২ প্রতিদিন প্রাতঃভ্রমন ও সন্ধ্যভ্রমন এই রোগের পক্ষে ভালো 
 ৩ স্বাভাবিক অবস্থায় মল ও মূত্রের বেগ চেপে রাখা উচিত নয়।
৪ অ্যাকিউট অবস্থায় সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে।
৫ মূত্র থলিতে মূত্র জমে থাকা অবস্থায় যৌন মিলনের রত হওয়া উচিত নয়।
৬ পুষ্টিকর অথচ সহজপাচ্য খাদ্য খাওয়া একান্ত জরুরী।
৭ পানীয় জল বেশি খেতে হবে।
৮ মূত্রনালীতে প্রস্রাব জমে থাকলে তা ক্যাথিটার ব্যবহার করে নিগর্মনের ব্যবস্থা করতে হবে। একটানা ডাকার দরকার হলে ফোলে ক্যাথেটার ব্যবহার করতে হবে।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

Prostatic Cancer Treatment Use In Bangali প্রোস্ট্যাটিক ক্যান্সার হলে কি করবেন কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস

 

বিবরণ

প্রোস্টেট গ্রন্থির রক্তজালক লসিকা এবং স্নায়ুতন্ত্র সহ সমগ্ৰ গ্ৰন্থিটির ম্যালিগন্যান্ট গ্ৰোথকে ঐ গ্ৰন্থির ক্যানসার বলা হয়।
আক্রান্ত তন্ত্র জননতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স 60 থেকে 80 বছর মধ্যে এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়।
আক্রান্ত লিঙ্গ এই রোগ কেবলমাত্র পুরুষদেরই হয়।

কারণ

সঠিক কারণ অজানা তবে প্রোস্টট গ্রন্থির রোগের ভুগতে ভুগতে এই রোগ হতে পারে বলে ধারণা করা হয়।

লক্ষণ

১ কখনো কখনো রক্ত প্রস্রাব হতে দেখা যায়।
২ শ্বাস প্রশ্বাসের গতি কমে যায়।
৩ ওজন হ্রাস পায়। রক্তাল্পতা প্রভৃতি হতে দেখা যায়।
৪ প্রোস্টেট গ্রন্থি অস্বাভাবিক ভাবে বড় হয়ে যায়।
৫ মূত্রনালী অর্থাৎ মূত্রথলি থেকে যে নির্গমন দ্বারা দিয়ে মূত্রনালীতে আসে তা রুদ্ধ হয়ে মূত্র নির্গমনে ব্যাঘাত ঘটে।
৬ লসিকা গ্রন্থি আক্রান্ত হয় এবং ফুলে ওঠে।
৭ মলদ্বারা দিয়ে পরীক্ষা করলে প্রোস্টেট গ্রন্থের শক্তভাবে ও বৃদ্ধি বুঝতে পারা যায়।

চিকিৎসা

Tablets Cytomid 250 Mg ট্যাবলেট সাইটোমিড ২৫০ মিগ্ৰা 

১ টি করে দিনে ৩ বার দীর্ঘদিন চালাতে হবে।‌‌


আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ নিয়মিত চিকিৎসা চালালে রোগী দীর্ঘদিন বাঁচতে পারে।
২ রোগী কে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে।
৩ পুষ্টিকর অথচ সহজপাচ্য খাদ্য খেতে হবে।
৪ উত্তেজক খাদ্য বর্জন করতে হবে।
৫ ৭০ বছরের নিচে বয়স হলে অস্ত্রোপাচার করালে অনেক সময় ভালো ফল পাওয়া যায়।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

Kidney Cancer Symptoms Use in Bangali বৃক্কের কর্কটরোগ বিশ্লেষণ

 

বিবরণ

মূত্রগ্ৰন্থির উৎকট প্রকৃতির কোন বৃদ্ধি বা ক্রমবদ্ধরমান টিউমারকে কিডনির ক্যানসার রোগ বলা হয়।
আক্রান্ত তন্ত্র মূত্র গ্রন্থী এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স ৫০ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে এই রোগ হতে দেখা যায়।
আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের তুলনায় পুরুষেরা এই রোগে দ্বিগুণ হারে আক্রান্ত হন।
রোগের কারণ অজানা

লক্ষণ

১ রক্ত প্রস্রাব একটানা চলতে থাকে।
২ ওজন হ্রাস পায়।
৩ রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়।
৪ শোথ বিশেষতঃ নিম্নাঙ্গের হতে দেখা যায়।
৫ অ্যানিমিয়া অর্থাৎ রক্তল্পতা ঘটে।
৬ পেটে শক্ত মাস অনুভব করা যায়।
৭ পিঠের নিচের দিকে ব্যাথা লাগে।
৮ গায়ে জ্বর হতে পারে।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

Haematuria causes use in bengali রক্ত প্রস্রাব কেন হয়

 

বিবরণ

প্রস্রাবের সাথে অধিক পরিমাণে তাজা রক্ত বের হওয়াকে হেমাচুরিয়া বা রক্ত প্রস্রাব বলা হয়। এই রোগ বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে।
আক্রান্ত তন্ত্র মূত্র যন্ত্রের এই রোগ দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স যেকোনো বয়সেই হতে পারে তবে বয়স্কদের বেশি হতে দেখা যায়।
আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের এই রোগ সমান ভাবে আক্রান্ত হন।

কারণ

তলপেট বা পিঠের নিচে দিকে মারাত্মক আঘাত ও প্রাপ্তি মূত্রযন্ত্রের যথা নেফ্রন মূত্রস্থলী মূত্র গ্রন্থী প্রভৃতি বীজাণু দ্বারা দূষিত বা সংক্রমিত হলে মূত্রপাথরী থেকে মূত্র পথে বাধা সৃষ্টি হলে। ডিহাইড্রেশন হলে বা অন্যের যে কোনো রোগে ভুগতে ভুগতে এই রোগের সৃষ্টি হতে পারে।

লক্ষণ

১ কখনো প্রস্রাব অধিক পরিমাণে হয়।
২ প্রস্রাব তাতে রক্ত থাকে আবার কখনো সামান্য পরিমাণে কষ্টকর প্রস্রাব হয় তাতে রক্তের পরিমাণই অধিক হয়।
৩ অনেক সময় প্রস্রাবের রং নীল বর্ণের হতে দেখা যায়। এটাও হেমাচুরিয়ার লক্ষণ।
৪ প্রথমে মূত্রে যন্ত্রের সকল অংশের তথা তলপেটের ও পিঠের নিচের দিকে ব্যাথা যন্ত্রণা হতে পারে।
৫ প্রস্রাবের সাথে ফোঁটা ফোঁটা অথবা অধিক পরিমাণে তাজা রক্ত বের হতে থাকে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ খাবার লবণ কম খেতে হবে।
২ নিয়মিত ভালোভাবে স্নান করতে হবে।
৩ মাদকদ্রব্য ও তামাকু সেবন নিষিদ্ধ।
৪ রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে। চুপচাপ শুয়ে থাকাই শ্রেয়।
৫ ডাবের জল মিছরির শরবত পানি জল প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে। এছাড়া সুসিদ্ধ ভাত ঝোল পাতলা দুধ সাগু বালির প্রভৃতি খাওয়া চলবে। মিষ্টি ফলের রস খাওয়া চলবে না।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

Renal Stones Cause Use in Bangali মূত্রথলিতে পাথর হওয়ার কারণ

 

বিবরণ

মূত্র যন্ত্রের বিশেষতঃ কিডনিতে পাথরের উপস্থিতিকে মূত্রপাথরী বা ইউরোলিথিয়াসিস  বলা হয়।
আক্রান্ত তন্ত্র মূত্র যন্ত্রের এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
বংশগত কারণ অনেক ক্ষেত্রে বংশগত কারণ থাকে।
আক্রমণের বয়স ২০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এই রোগ হতে পারে। তবে ৩০ থেকে ৫০ বৎসরের মধ্যেই বেশি হতে দেখা যায়।
এখন তো লিঙ্গ মহিলাদের চেয়ে পুরুষেরা এই রোগে অধিক আক্রান্ত হন।

কারণ

খাদ্যবস্তুর পরিপাকের পর শোষণের সময় যে অপ্রয়োজনীয় অংশ প্রস্রাবের মাধ্যমে পরিত্যক্ত হয় তার ব্যাঘাত ঘটলে ঐ অংশের মূত্র যন্ত্রের ভিতরে সঞ্চিত হতে থাকে। এবং পরে তা পাথুরীতে পরিণত হয়। এই রোগ ক্যালসিয়াম অক্সালেট বা ক্যালসিয়াম ফসফেটের সঞ্চয় জনিত কারণেই বেশি হয় শতকরা ৮০ থেকে ৮৫ জনের এছাড়া ইউরিক অ্যাসিড সঞ্চয় থেকে হতে দেখা যায় শতকরা ৫ জনের। সংক্রমণ বা অ্যালকালাইন ইউরিন থেকে হয় ১৫% থেকে ২০%। বাকী কিছু বংশগত কারণ হতে দেখা যায়।
ক্যালসিয়াম অক্সালেট ফসফেট স্টোন অধিক ভিটামিন সি ও ডি খাওয়া অধিক ক্যালসিয়াম যুক্ত অ্যান্টাসিড খাওয়া অন্যান্য ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার বেশি পরিমাণে খাওয়া প্রভৃতি থেকে সৃষ্টি হয়

লক্ষণ

১ অনেক সময় কষ্টকর প্রস্রাব হতে থাকে।
২ প্রস্রাব তার সাথে খুব ছোট পাথর নির্গত হতে পারে।
৩ ঘাম হওয়া হৃদপিন্ডের গতি বৃদ্ধি পাওয়া প্রভৃতি ঘটতে পারে।
৪ জ্বর ভাব ও গা বমি বা বমি হতে পারে।
৫ রক্ত প্রস্রাব এই সকল উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
৬ হঠাৎ তলপেটের পিঠের নিচের দিক প্রভৃতি অংশে তীব্র যন্ত্রণা শুরু হয়।
৭  হঠাৎ প্রস্রাবের বাধার সৃষ্টি হতে পারে।
৮ তার সাথে খুব ছোট পাথর নির্গত পারে।
৯ রোগী সর্বদা অস্বস্তিবোধ করে স্থির ভাবে থাকতে পারে না।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ রোগীকে দিবাভাগে প্রতি ১ ঘন্টা অন্তর ২০০ থেকে ২৪০ মিলি করে জল খেতে হবে এবং রাত্রিতে সম্ভব হলে ২ ঘণ্টার অন্তর ২০০ মিলি করে জল খেতে হবে।
২ পাতলা দুধ মিছরির সরবৎ প্রভৃতি খাওয়া চলবে।
৩ ঝোল ভাত শাকসবজি প্রভৃতির খাওয়া চলবে।
৪ রসাল ফল তালশাস তরমুজ সুমিষ্ট আম প্রভৃতি খাওয়া ভালো। শাক আলু রাঙ্গা আলু প্রভৃতি ও খাওয়া চলবে।
৫ প্রোটিন ক্যালসিয়াম ভিটামিন সি ও ভিটামিন ডি জাতীয় ঔষধ অ্যান্টাসিড ঔষধ এবং এই জাতি খাদ্যবস্তু কম খেতে হবে। দুগ্ধজাত খাদ্যদ্রব্য মাছ মাংস সামুদ্রিক মাছ চা কফি চুন চকোলেট টমেটো বাঁধাকপি বিট গাজর লেবু লিচু ডিম খাওয়া দরকার।
৬ রুকিকে কিছুদিন সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।