Doxyclin ভূমিকা
সেরিব্রো স্পাইন্যাল ফ্লুইড ছাড়া ইহা শরীরের সকল প্রকার তরল অংশে ও প্রত্যেক কলাকোষে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। ট্রেপোনিমা প্যালিডাম ও ডক্সিসাইক্লিনে ধ্বংস হয়।
কিছু কিছু পরজীবী এবং ছত্রাক এই ওষুধের ধ্বংস হয় তবে কোনো ভাইরাস বা সিউডোমোনাস এতে ধ্বংস হয় না।
ইহা অক্সিটেট্রাসাইক্লিনের সংযোগসাধনে (সংশ্লেষণ) প্রস্তুত একটি বহুব্যাপক (ব্রড স্পেকট্রাম) বীজাণু নাশক ঔষধ। ইহা কিছু কিছু প্রোটোজোয়াদের ধ্বংস করতে সক্ষম।
ইহা অধিকাংশ গ্ৰাম পজটিভ ও নেগেটিভ বীজাণুদের উপর সক্রিয়।
১. বি. অ্যানথ্রাসিস
২. স্ট্যাফাইলোকক্কাস এপিডারমিস
৩. ক্লসট্রিডিয়াম টিট্যানি
৪. স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস
৫. ফরসিনিয়া
৬. সিগেল্লা স্পেসিজ বিক্রিও
৭. ক্লেবসিয়েল্লা
৮. এন গণোরিয়ী
৯. এন মেনিনজাইটিস
১০. বি পারটুসিস
প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুর ও এই ওষুধ ধ্বংস হয়। এই ওষুধ প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রায় দেহের বাহিরে নির্গত হয় এবং পিত্তরসের মাধ্যমে ও বহু অংশ নির্গত হয়ে যায়।
এই ওষুধ পৌষ্টিক তন্ত্রের থেকে প্রায় শোষিত হয় এবং দুই ঘন্টার মধ্যে রক্তরসের সর্বোচ্চ মাত্রায় পরিলক্ষিত হয়।
ব্যবহার Usage
১. সিফিলিস
২. আমাশয়
৩. উদরাময়
৪. কান ও গলার রোগ
৫. কেরাটাইটিস
৬. কলেরা
৭. মাড়ির ফোঁড়া
৮. ব্রঙ্কাইটিস
৯. তালু মূল প্রদাহ
১০. গনোরিয়া
১১. নিউমোনিয়া
১২. ওফোরাইটিস
১৩. স্টমাটাইটিস
১৪. সাইনাসের প্রদাহ
১৫. রক্তামাশয়
১৬. টাইফয়েড সহ সকল প্রকার আন্ত্রিক রোগ
১৭. ব্রঙ্কো নিউমোনিয়া সহ সকল প্রকার শ্বাসযন্ত্রের পীড়া
১৮. সংক্রামিত পামা সহ সকল প্রকার বীজাণু ঘটিত চর্মরোগ
১৯. কর্ণপ্রদাহ
২০. পেলভিক প্রদাহ সহ সকল প্রকার স্ত্রী জননতন্ত্রের রোগ এবং জিংজি ভাইরাস
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side Effects
১. দাঁতে হলুদ ছোপ
২. আমবাত
৩. ক্ষুধা মন্দা
৪. চর্মে উদ্ভেদ নির্গমন
৫. বমি
৬. বমি ভাব
গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
আন্তঃবিক্রিয়া interaction
১. আয়রন
২. ডাইগক্সিন
৩. অ্যান্টাসিড
৪. লিথিয়াম
৫. ক্যালসিয়াম
৬. ফেনাইটোইন
৭. ম্যাগনেসিয়াম
৮. কার্বামাজেপিম
প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায় এবং রক্তের চিত্র পরিবর্তন হয়।
সাবধানতা অবলম্বন
১. দুধ জাতীয় খাবার বা খনিজ পদার্থ সম্বলিত ওষুধ সাথে এক সাথে ব্যবহার নিষিদ্ধ।
২. যকৃত ও লিভারের মারাত্মক রোগ থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।
৩. গর্ভবতী মহিলা এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।
৪. আট থেকে দশ বছর বয়সের নিচে শিশুদেরই এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।
অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন
