How to use Filariasis Symptoms of disease: কারণ ও লক্ষণ, আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Filariasis Symptoms of disease

বিবরণ 

এই রোগ এক ধরনের প্যারাসাইটের আক্রমণে হয়ে থাকে। এই কীটের আক্রমণে দেহের লসিকাবাহ অবরুদ্ধ হয়ে বিভিন্ন লক্ষণ প্রকাশ পায়।

 সমূদ্র তীরবর্তী স্থান সমূহে এই রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি। বর্ত মানে গ্রাম গঞ্জে ও শহরতলিতে ও ফাইলেরিয়া রোগ বেশি বাড়ছে

এই রোগ শিশুদের খুব একটা হতে দেখা যায় না এবং মহিলাদের তুলনায় পুরুষেরাই এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন। এই রোগ সকল বয়সই হতেই পারে 



কারণ 

১. সমুদ্র তীরবর্তী গরম দেশগলিতে এই রোগের আক্রমণ বেশি হয়।

২. কারণ ঐ সকল অংশে কিউলেক্স ফ্যাটিগ্যামস নামক একপ্রকার মশা থাকে 

৩. এরা আক্রান্ত রোগীকে দংশন করে 

৪. তার দেহ থেকে রক্ত শোষণ করে 

৫. যার ফলে সেই রক্তের মাধ্যমে ফাইলেরিয়ার লার্ভা ঐ মশার দেহে আসে 

৬. তারপর ঐ মশা যখন সুস্থ মানুষকে কামড়ায় তখন ঐ লার্ভাসহ রক্ত তার দেহে প্রবেশ করে এবং সেখানে লার্ভা থেকে ফাইলেরিয়ার জন্ম হয় এবং সেখানে বংশবিস্তার করে 

৭. মাইক্রো ফাইলেরিয়া রক্তে এবং রোগ ছড়ায় 

৮. বড় কীটগুলি লসিকাতন্ত্রে থাকে এবং রোগ লক্ষণ প্রকাশ করে 

৯. শিশু কীট Microfilaria মাইক্রো ফাইলেরিয়া 

১০. বয়স্ক কীট এটি লম্বা সূতোর মতো 



লক্ষণ 

১. অনেক সময় লক্ষণ নাও থাকতে পারে 

২. সাধারণত Infection ইনফেকশন এবং Lymphatic Obstruction লিমফ্যাটিক অবস্ট্রাকশন এর জন্য লক্ষণ দেখা দেয় 

২. জ্বর এবং Lymphangitis Streptococcus লিমফ্যাংগিটিস স্ট্রেপটোকক্কাস দ্বারা Infection ইনফেকশন হতে পারে 

৩. হাতে ও পায়ে Lymph Vessel ফোলে ব্যাথা হয় দড়ির মতো শক্ত হয়ে যায়

৪. এই সঙ্গে Lymph Gland অর্থাৎ লসিকা গ্রন্থি ফুলে যায় ও ব্যাথা হয় 

৫. এই সঙ্গে জ্বরও হয় 

৬. হঠাৎ শীত ও কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে 

৭. দেহের উত্তপ খুব বেড়ে যায় 

৮. জ্বরের সঙ্গে প্রচন্ড ব্যাথা-বেদনা হয়। 

৯. বমি ও হতে পারে 

১০. পরে ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে যায় 

১১. মাঝে মাঝে এই রকম জ্বর পনেরো থেকে কুড়ি দিন অন্তর হয়ে থাকে 

১২. Lymph Scrotum অগুকোষের চামড়া পুরু হয়ে যায় 

১৩. ভেলভেটের মতো এবং লালচে হয় 

১৪. চামড়ায় ছোলার মতো বহু ফুস্কুড়ি দেখা যায় 

১৫. পাতলা ও দুধের মতো রস বেরোয় 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

১. আক্রান্ত অংশে ইলাস্টিক ব্যাগুজ ব্যবহার করা ভালো 

২. এই রোগে আক্রান্ত রোগীর খাদ্যের কোনো প্রকার বিধি নিষেধ নাই 

৩. রোগ সংক্রমিত এলাকায় বাসিন্দা দের অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে 

৪. জীবাণু সংক্রমিত স্থানের মাটি ও জলকে এড়িয়ে চলা দরকার 

৫. মশা ধ্বংস করার জন্য কীটনাশক ওষুধ ব্যবহার করতে হবে 

অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন