How to use Scurvy: স্কার্ভি রোগ হলে কি করবেন এর কারণ ও লক্ষণ

 

How to use Scurvy

স্কার্ভি রোগের কারণ 

১. ভিটামিন সি এর অভাবে শিশুদের এই রোগ হয় 

২. অপুষ্টিই এই অভাবের কারণ



লক্ষণ 

১. শিশুদের মুখের মিউকাস মেমব্রেন অর্থাৎ শ্লৈষ্মিক দিল্লীতে ক্ষত এবং তা থেকে রক্তপাত হয় 

২. দাঁতের মাড়ি ফোলা 

৩. মাড়িতে ঘা

৪. মাড়ি থেকে রক্তপাত প্রভৃতি ঘটে 

৫. অনেক শিশুর এক বছর বয়স পর্যন্ত দাঁত পড়ে না 

৬. দুর্বলতা 

৭. রক্তাল্পতা প্রভৃতি ঘটতে দেখা যায় 

৮. সমগ্ৰ শরীরে ব্যথা থাকে 

৯. শিশুকে কোলে তুলতে কাঁদতে থাকে 

১০. চামড়ায় বেগুনী রঙের কর্কশ গুটি হতে পারে 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

১. ফলের রস 

২. লেবু 

৩. পেয়ারা 

৪. কলা 

৫. আনারস 

৬. পেঁপে 

৭. আঙুর 

৮. আপেল 

৯. ন্যাসপাতি প্রভৃতি শাকসবজি 

১০. লেটুস 

১১. পালং 

১২. নটে 

১৩. ফুলকপি 

১৪. বাঁধাকপি 

১৫. টম্যাটো প্রভৃতি 

১৬. দুধ 

১৭. মাছ 

১৮. মাংস প্রভৃতি অধিক পরিমাণে খেতে হবে 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।

Symptoms and causes of rickets: কারণ ও লক্ষণ আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

Symptoms and causes of rickets

rickets বিবরণ 

১. ভিটামিন ডি অর্থাৎ ক্যালসিফেরলের অভাবে এই রোগ প্রধান কারণ 

২. এছাড়া ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের অভাব ও এই রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী 

৩. অপুষ্টি জনিত কারণ শিশুদের দেহে এসবের অভাব হয় 



লক্ষণ 

১. শিশুদের শরীরে সমস্ত হাড় বাঁকা 

২. নরম এবং শীর্ণ হয়ে যায় 

৩. বুকের পাঁজর প্রকট হয়ে যায় 

৪. কোমর থেকে পা পর্যন্ত ধনুকের ন্যায় বাঁকা দেখায়

৫. পেট উঁচু দেখায় 

৬. মাথার তালু নরম এবং গর্তকার হয় 

৭. শিশুরা অনেক বয়স পর্যন্ত ভালোভাবে বসতে বা হাঁটতে পারে না 

৮. হৃদপিন্ডের গতি খুব ক্ষীণ হয় 

৯. শিশু দা সর্বদা অস্থির হয়ে যায় 

১০. ভালোভাবে ঘুম হয় না 

১১. রক্ত পরীক্ষা অ্যালকালাইন ফসফাটেজ বৃদ্ধি পায় 

১২. সিরাম ক্যালসিয়াম লেভেল কমে যায



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

১. কড মাছের যকৃত তেল, ইলিশ মাছ, মাংস, প্রভৃতি শিশুকে অল্প অল্প করে খাওয়াতে হবে 

২. ভিভা, হরলিক্স, কমপ্লান, মার্জারিন, কর্নফ্লেক্স, Simyl mct Farex egg প্রভৃতি শিশুকে অল্প অল্প করে খাওয়ানো ভালো 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।

How to use Marasmus Symptoms: কারণ ও লক্ষণ এবং আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

How to use Marasmus Symptoms

কারণ 

১.প্রোটিন ভিটামিন ও মিনারেলস অর্থাৎ খনিজ পদার্থের অভাব থেকে এই রোগ হয়। 

২. প্রথমে শিশুর জন্মের এক বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সন্তান জন্ম নিলে।

৩. শিশুকে স্তন্যপান বাধা দিয়ে ফিডিং বোতল দ্বারা গাভীর দুধ খাওয়ানো হলে।

৪. দুই বছরের নিচে শিশুকে ইচ্ছাকৃত স্তন্যপান থেকে বঞ্চিত করলে শিশুরা অপুষ্টিতে ভোগে। 

৫. ধরিলে উপরিউক্ত পদার্থ গুলি অভাব ঘটে এবং এই রোগ হয়।

৬. অনেকে এই সময় শিশুকে বিভিন্ন প্রকার বেবি ফুড খাওয়ান কিন্তু স্তন্যপান ব্যতীত প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক উপাদান সমূহ পাওয়া সম্ভব নয়। 



Symptoms লক্ষণ 

১. শিশুদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয় ও ওজন দৈর্ঘ্য প্রভৃতি কমে যায় বা স্বাভাবিকের চেয়ে কম হয়। 

২. পেশির দুর্বল হয়। 

৩. হাত ও পা ফোলে শিশু অনেক সময় পর্যন্ত দাঁড়াতে বা হাঁটতে পারে না‌।

৪. ক্ষুধামন্দ দেখা দেয়। 

৫. লিভারের গোলযোগ উদরাময় প্রভৃতি হতে থাকে।

৬. সর্বদা জ্বর ভাব এই রোগের একটি অন্যতম লক্ষণ। 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• এই রোগের রোগাক্রান্ত শিশুদের অবশ্যই দীর্ঘদিন স্তন্যপান চাইলে যেতে হবে। 

• ঐ স্তন্যদানকারী মাতা ও ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাদ্য প্রচুর পরিমাণে খাবেন এবং শিশুকেও ঐ সমস্ত খাবার পরিমান মত নিয়মিত খাওয়াতে হবে। 

• মায়েদের হরলিক্স ভেভা কমপ্লান কমপ্লিট প্রভৃতি খাবেন এবং শিশুদের হরলিক্স জুনিয়র Milk Care 2, Lactodex, Dexolac-Hp প্রভৃতি খাওয়ানো চলবে।

• ছোট্ট শিশুদের চার মাস বয়স থেকে পরিপূরক খাদ্য অর্থাৎ ভাত, ডাল, কচি মাছের ঝোল, শাকসবজি সিদ্ধ, বিট, গাজর সিদ্ধ, কাঁচা কলা ঝোল, সিদ্ধ ডিম, দই, সন্দেশ, লেবু, আপেল, আঙ্গুর, বেদনা, খেজুর, কিসমিস, কলা, প্রভৃতি খাওয়াতে শেখালে এই রোগের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

তোমাদের অনুরোধ এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



How to use in Bangali Whooping cough: কারণ ও লক্ষণ

 

How to use in Bangali Whooping cough

Whooping cough কী

পারটুসিস বা হুপিং কফ হল শিশুদের শ্বাসযন্ত্রের একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। আক্রান্ত তন্ত্র শ্বাসতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। 

আক্রমণের বয়স তিন মাস থেকে ছয় মাস বয়সের শিশুদেরই এই রোগ বিশে হয়। তবে এর উদ্ধার শিশুদের ও হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ বালক শিশু এবং বালিকা শিশু উভয়ের সমান ভাবে এই রোগ হয় 



কারণ 

সর্দি জ্বর কাশিতে দীর্ঘদিন ভুগতে থাকলে বা আক্রান্ত শিশুর সংস্পর্শে থাকলে এই রোগের জীবাণুর আক্রমণ ঘটে এই রোগ হয়।

বর্ডেটেল্লা পারটুসিস (Bordetella pertusis) নামক গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুর আক্রমণে এই রোগ হয়।



লক্ষণ 

১. প্রথমে কাশি ও সর্দি 

২. শুকনো কাশি হয় 

৩. জ্বর প্রভৃতি দিয়ে রোগ শুরু হয় 

৪. ক্রমশঃ শুকনো কাশি বাড়তে থাকে 

৫. কাশতে কাশতে শিশুর দম বন্ধ হবার মত হয় 

৬. কাশি একবার শুরু হলে তা আর থামতে চায় না

৭. একটানা বহুক্ষণ যাবৎ প্রচন্ড বেগে কাশি হয় 

৮. কাশিতে হুপ হুপ করে শব্দ হয় 

৯. কাশিতে কফ ওঠে না

১০. বরং অনেকক্ষণ কাশি হবার পর বমি হয়ে যায় 

১১. শিশুর চোখ মুখ লাল হয়ে যায় 

১২. ক্ষুধা মন্দ দেখা দেয়



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• শিশুদের সর্বদা আলো বাতাসপর্ণ গরম আবহাওয়া যুক্ত ঘরে রাখতে হবে 

• গরম এবং তরল পুষ্টিকর খাদ্য নিয়মিত খাওয়াতে হবে। 

Sardi ja Cough syrup ( সর্দি জা কফ সিরাপ) অথবা টুসিড্যাক কফ সিরাপ খাওয়ানো ভালো 

• শিশুদের তুলসী পাতা বাকসপাতা যষ্টিমধু গোলমরিচ তেজপাতা মিছরি লবঙ্গ প্রভৃতি ফুটিয়ে ঠান্ডা করে খাওয়ানো ভালো 

• নির্দিষ্ট বয়সে DPT ভ্যাকসিন নেওয়া থাকলে এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব 

তোমাদের অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 




How to use Diptheria Symptoms: কারণ ও লক্ষণ ও চিকিৎসা

 

How to use Diptheria Symptoms

Diptheria Symptoms 

ইহা শ্বাসযন্ত্রের একটি বীজাণু ও সংক্রমণ জনিত রোগ। এই রোগের ফলে গলকোষ এবং গলনালী পর্দার দ্বারা আচ্ছাদিত হয় এবং প্রবাহিত হয়। আক্রান্ত তন্ত্র শ্বাসতন্ত্র ত্বক স্নায়ুতন্ত্র হৃদপিন্ড প্রভৃতি এই রোগের ফলে আক্রান্ত হয়।

আক্রমণের বয়স তিন থেকে বারো বছর বয়সের শিশুদেরই এই রোগ বিশে হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ বালক শিশু ও বালিকা শিশু উভয়েই সমানভাবে এই রোগ আক্রান্ত হয়।



Reason কারণ 

আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে থাকার ফলে তার হাঁচি ও কাশি এবং শ্লেষ্মা প্রভৃতির মাধ্যমে রোগ জীবাণু নির্গত হয়ে সুস্থ শিশুর দেহে প্রবেশ করে 

জীবাণু করিনি ব্যাকটেরিয়াম ডিপথেরিয়ী ( Corynebacterium Diptheriae) নামক বীজাণু এই রোগ ঘটায়। রোগের সময় শরীরে রোগের জীবাণু প্রবেশের দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।



Symptoms লক্ষণ 

• পরে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় 

• খাবার গিলে খেতে ও কথা বলতে কষ্ট হয় 

• জ্বর ১০০⁰ ফাঃ এর কাছে তার সঙ্গে সর্দি-কাশির ও গলায় ব্যথা প্রভৃতি দিয়ে রোগ শুরু হয় 

• লালাগ্ৰন্থি ও গলানালী থেকে দুর্গন্ধযুক্ত লালা ঝরতে থাকে 

• এমনকি রোগ মারাত্মক ভাবে বেড়ে গেলে রক্তপাত ও হতে পারে 

• জিভে স্প্যাচুলা দিয়ে চেপে গলার ভিতর আলো ফেলে দেখতে ডিপথেরিয়া প্যাচ দেখতে পাওয়া যায় 

• টনসিল আলজিভ শ্বাসনালী প্রভৃতি অংশে আবৃত করে সু নির্দিষ্ট সীমানা বিশিষ্ট ধূসর রংয়ের পর্দা অর্থাৎ মেমব্রেন দেখা যায়। এর চারিদিক লালাভ হয় 

• গলা ভেঙে যায় গলার স্বর বসে যায় কাশি হতে পারে 

• গলার পর্দা যত বৃদ্ধি পায় শ্বাসকষ্ট তত বৃদ্ধি পায় ও নাড়ীর গতি বৃদ্ধি পায় এবং নাড়ী ক্ষীন হয়। ক্রমশঃ শ্বাসরোধ হয়ে রোগী মারা যায়



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• শিশুটিকে দুই থেকে তিন সপ্তাহ সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে 

• মুখ ও গলা পরিষ্কার রাখার জন্য মাউথ ওয়াশ গাগরল ব্যবহার করতে হবে 

• প্রথম অবস্থায় দুধ সাবু  গ্লুকোজের জল ফলের রস হরলিক্স ভেভা প্রভৃতি খেতে দেওয়া যাবে 

• একটু সুস্থ হলে সুসিদ্ধ ভাত চারা পোনা মাছের ঝোল শাকসবজি প্রভৃত খাওয়ানো চলবে 

• বাড়ির সুস্থ শিশু ডিপথেরিয়া ভ্যাকসিন না নেওয়া থাকলে তার ব্যবস্থা করতে হবে

অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি করে কোন রকমে সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।




How to use Vaginal disease: যোনিব্যপৎ রোগ কারন

 

How to use Vaginal disease

Vaginal disease: কারণ 

১. যথোপযুক্ত আহারের অভাব 

২. দুষ্টরজঃ বীজ দোষ 

৩. অনাচার 

৪. ব্যাভিচার 

প্রভৃতি নানাবিধ কারণে যোনি রোগ বা যোনিব্যাপৎ রোগ সূচিত হয় 



যোনি রোগ বিংশতি প্রকার 

বিংশতি প্রকার যোনি রোগের লক্ষণ উল্লেখ করা হয়েছে 

উদাবত্তর এই ধরনের যোনি রোগে অতিকষ্টে যোনিরজঃ নির্গত হয় 

বন্ধ্যায় রজঃ দূষিত হওয়ার ফলে সন্তানাদি হয় না 

• বিপ্লুত সর্বদা বেদনা যুক্ত 

অতিচরণা অতি বা বহু মৈথুন জনিত কারণে বীজ গ্ৰহণের শক্তি বিনষ্ট হয় 

অত্যানন্দ মৈথুনে সন্তুষ্ট হয় না 

বাতাস যোনি কর্কশ ও কঠিন এবং শূল ও সূচীবিদ্ধবৎ বেদনা সংযুক্ত 

কণিক কফ ও রক্ত মাংসকন্দ সদৃশ গ্ৰন্থি সূচিত করে 

পরিপ্লুত রতিক্রিয়া কালে যোনিতে বেদনা সঞ্জাত হয় 

লোহিত ক্ষয় রক্ত ক্ষয় ও অতিশয় দাহ সংযুক্ত 

বামিনী বায়ুর সহিত রক্ত মিশ্রিত এবং শুত্রু নিঃসরিত হয় 

প্রশংসিনী স্বস্থান হইতে যোনি অধঃপতিত হয় ও বায়ুর উপদ্রব বিদ্যমান থাকে এবং অনেক কষ্টে সন্তান প্রসব হইয়া থাকে 

পিত্তলা অত্যন্ত দাহ পাক ও জ্বর বিদ্যমান থাকে 

অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



Dicicyclin Capsule benefits: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা অবলম্বন

 

Dicicyclin Capsule benefits

Dicicyclin Capsule benefits: কী

ইহা পৌষ্টিক তন্ত্রের থেকে দ্রুত এবং সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়। ইহা অধিকাংশ গ্ৰাম পজটিভ ও গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর সক্রিয়।

ইহা শরীরের সকল প্রকার কলাকোষ এবং তরল অংশে দ্রুত বিস্তার লাভ করে। 

ইহা জলে দ্রবণীয় ও গন্ধহীন তিক্ত আস্বাদ বিশিষ্ট হরিদ্রাবর্ণের স্ফটিকাকার বস্তু। ইহার প্রস্রাবের মাধ্যমে নির্গত হয় এছাড়া মলের সাথে ও কিছু নির্গত হয়।



ব্যবহার 

• নাক ও কানের সকল প্রকার সংক্রমণ 

• ফোঁড়া 

• অস্থি ও সন্ধির সংক্রমণ 

• নিউমোনিয়া 

• সকল প্রকার প্রস্রাবের পীড়া 

• টনসিলাইটিস 

• চক্ষুর সংক্রমণ 

• উদরাময় 

• ব্রঙ্কাইটিস সহ সকল প্রকার শ্বাসযন্ত্রের পীড়া 

• কলেরা 

• ফলিকিউলাইটিস 

• সাইনুসাইটিস 

• আমাশয় সহ সকল প্রকার পৌষ্টিক তন্ত্রের পীড়া 

• ব্রণ ও তদজনিত ক্ষত 

• গণোরিয়া 

• ডেঙ্গু জ্বর 

• পীত জ্বর 

• সিফিলিস 

এই ওষুধ ব্যবহার করা যায় 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side Effects 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• রক্তাল্পতা 

• বমি ভাব বা বমি 

• আমবাত 

• ক্ষুধামন্দা 

• ইওসিনোফিলিয়া 

• রক্তে নিউট্রোফিল 

• জিহ্বা ও মুখগহ্বরের ক্ষত 

গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ করুন।



সাবধানতা অবলম্বন 

• চিকিৎসা চলাকালীন দুধ এবং দই না খাওয়াই ভালো 

• মলম নষ্ট হয়ে গেলে বা Expiry হয়ে গেলে তা ব্যবহার নিষিদ্ধ 

• গর্ভবতী মহিলা ও স্তন্যদানকারী মায়েদের এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ 

• শিশুদের ক্ষেত্রে এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

• দশ থেকে বারো বছর বয়সে শিশুদের ব্যবহার নিষিদ্ধ 

• মারাত্বক কিডনির রোগ এবং যকৃতের জটিল রোগে ইহার ব্যবহার নিষিদ্ধ।

অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন