How to use Sinusitis: ব্যবহার, রোগের কারণ, রোগের লক্ষণ, চিকিৎসা

 

How to use Sinusitis

বিবরণ 

সাইনাস অর্থাৎ শৈরিক সীতার মধ্যে পূজ সঞ্চিত হয়ে থাকার ফলে নাসিকা সংশ্লিষ্ট সাইনাসের প্রদাহ হতে থাকে একেই সাইনাস প্রদাহ বা সাইনুসাইটিস বলে।

আক্রান্ত তন্ত্র শ্বাস তন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণে বয়স যে কোন বয়সেই এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ পুরুষ এবং মহিলা এই রোগে সমানভাবে আক্রান্ত হয়।



Causes of the disease কারণ 

• নাক থেকে বীজাণুরা সাইনাসের আক্রমণ করে 

• ফলে এই রোগ হয় 

• এইচ ইনফ্লুয়েঞ্জা 

• নিউমোকক্বি 

• স্ট্রেপটোকক্বি

• মোরাক্সেল্লা ক্যাটারাহলিস প্রভৃতি বীজাণু 

• অ্যাসপারজিল্লাস

• বাইপোলারিস 

• মিউকোমাইকোসিস প্রভৃতি ছত্রাক আক্রমণে এই রোগ হয় 

• ঠান্ডা লাগা 

• গরমের পর ঠান্ডা লাগা 

রৌদ্রে কাজ করার পর জল খাওয়া প্রভৃতি এই রোগ সৃষ্টির সহায়ক 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• মাথার সামনের দিকে এবং কপালে প্রচন্ডভাবে যন্ত্রণা হয়

• কিছুতেই এই যন্ত্রণা সারতে চায় না

• মুখমন্ডলে ব্যথা এবং ভার বোধ অনুভূতি হয় 

• মাথা ঘোরা থাকতে পারে 

• নাক দিয়ে গাঢ় পূজবৎ সর্দি স্রাব হতে থাকে 

• অনেক সময় রক্তের ছিটও থাকতে দেখা যায় 

• শীতবোধ 

• গলায় ব্যথা ও জ্বর ভাব প্রভৃতি হতে পারে 

• চোখ প্রভৃতি অংশে যন্ত্রণা হয় 

• বাতাস লাগলে রোগের লক্ষণ বৃদ্ধি পায় 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• ঠান্ডা লাগানোর সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ 

• গরম জল ও ঠান্ডা জল মিশিয়ে স্নান করা ভালো 

• Karvol plus Capsule (কারভল প্লাস ক্যাপসুল)

• গরম জলে মিশিয়ে বা রুমালে লাগিয়ে শ্বাস নিলে ভালো ফল পাওয়া যায় 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।




How to use in Bangali Boils: বিবরণ, কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা

 

How to use in Bangali Boils

বিবরণ

দেহে অনুপ্রবিষ্ট জীবাণুদের সাথে সংঘর্ষে নিহত শ্বেত রক্তকণিকা পূজ আকারে চামড়ার স্তরে সঞ্চিত হয়ে তা প্রদাহিত এবং স্ফীত করে 

তোলে একেই ফোঁড়া বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র ত্বক ও বহিঃক্ষরা তন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণে বয়স যে কোনো বয়সেই 

এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা ও পুরুষ উভয়েরই সমান ভাবে এই রোগ হতে দেখা যায়। 



Causes of the disease কারণ 

স্ট্যাফাইলোকক্বাস অরিয়াস বীজাণুর আক্রমণে এই রোগ হয়।

Symptoms of the disease লক্ষণ 

• প্রথমে চামড়া লাল হয়ে ফুলে ওঠে এবং ব্যথা হয় 

• চাপ দিলে শক্ত বোধ হয় 

• ক্রঃমশ দপদপানি যন্ত্রণা বৃদ্ধি পায়

• ফোলাভাব বাড়তে থাকে 

• ফোঁড়া টি আয়তনে ৪ থেকে ৫ সেমি পর্যন্ত হতে পারে 

• বহুদুর পর্যন্ত টাটানি ব্যথা হয় 

• কয়েক দিন পর ফোঁড়ার মুখ সাদা হয় এবং টিপলে নরম বোধ হয় 

• কখনো কখনো এমতাবস্থায় ফোঁড়া ফেটে যায় এবং শুকিয়ে যায় 

• যে সকল জায়গায় চামড়া মোটা সে সব স্থানের ফোঁড়া সহজে ফাটতে চায় না 

• এবং কষ্টদায়ক হয় 

• অনেক সময় ফোঁড়া সূত্রপাত হতে না হতেই তা বসে যায় 

• এবং আর কোন উপসর্গ থাকে না 

• কিন্তু কিছুদিন বাদে পুনরায় এবং অধিক সংখ্যায় ফোঁড়া হতে দেখা যায় 



Treatment চিকিৎসা 

• যদি ফোঁড়া আপনা থেকে ফেটে যায় তাহলে তো অনেক কষ্টই নেই 

• যদি পাকতে চায় না 

• গরম জলে ম্যাগনেসিয়াম সালফেট বা খাবার লবণ ফেলে সেঁক দিতে হবে 

• মুখ থাকলে আপনা আপনি ফেটে যেতে পারে 

• না ফাটলে অস্ত্রোপচার করে পুঁজ রক্ত বের করে দিতে হবে 

• তারপর যেকোনো ওষুধ দ্বারা ব্যান্ডেজ করে দিতে হবে 

• ক্ষত গভীর হলে গজ দেওয়ার ও দরকার হয় 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• হালকা অথচ পুষ্টিকর খাদ্য খেতে হবে তাতে দ্রুত ক্ষত নিবারণ এবং রোগ প্রতিরোধে সম্ভব হয় 

• তেল কম খেতে হবে 

• ঝাল কম খেতে হবে 

• মশলা কম খেতে হবে 

• ঘিয়ে ভাজা খাবার দ্রুত রোগ নিরাময়ের সাহায্য করে 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।







How to use Scabies: রোগের কারণ, রোগের লক্ষণ

 

How to use Scabies

বিবরণ 

এটি একটি পরাশ্রয়ী কীটঘটিত রোগ। আক্রান্ত তন্ত্র ত্বক ও বহিঃক্ষরা গ্ৰন্থি। আক্রমণে বয়স শিশুদেরই এই রোগ বেশি হয়। তবে সব বয়সেই হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা এবং পুরুষদের এই রোগা সমানভাবে হতে দেখা যায়।



Causes of the disease কারণ 

• আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে থাকলে এই রোগাক্রমণ ঘটে 

• এছাড়া শরীরে এই কীট থাকলে কোনো স্থানের ক্ষত সৃষ্টি হলেই এরা সেখানে আক্রমণ করে এবং ক্ষত নিরাময়ে ব্যাঘাত ঘটায় 

• এই কীট সুস্থ চামড়ায় আক্রমণের পর সেখানে গর্ত করে বাসা বেঁধে এবং বংশবিস্তার করে 

• এর ফলেই ঐ অংশের ক্ষতির সৃষ্টি হয়। 

• এই ক্ষতে জীবাণু ও দূষণ ঘটলে তা আরও মারাত্মক হয়ে যায় 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• প্রথমে চর্মে ছোট ছোট এবং ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্ত উদ্ভিদ বের হয় এগুলি চুলকায় 

• পরে এতে পুঁজ জমে এবং ক্ষতের সৃষ্টি হয় 

• এই পুঁজ সুস্থ চামড়ায় লাগলে সেখানেও একইভাবে রোগের সৃষ্টি হয়

• উদ্ভেদ কখনো কখনো বড় ফাস্কার ন্যায় হয় এবং তাতে প্রচন্ড যন্ত্রণা হয় 

• পরে তা গেল ক্ষতের সৃষ্টি হয় 

• এই রোগ হতে ও পায়ের আঙ্গুলের 

• পায়ের ফাঁক 

• হাতের কব্জি 

• পায়ের কনুই 

• বগল 

• পায়ের পাছা 

• অগুকোষ এবং কখনো কখনো বুক ও পেটের হতে দেখা যায় 

• কখনো কখনো পায়ে হতে দেখা যায় 

• মুখ মন্ডল বা মাথায় এই রোগ হয় না 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• নিয়ম মাফিক চিকিৎসা করলে এই রোগ সহজেই সেরে যায় 

• কিন্তু চিকিৎসা এলোমেলো হলে বহুদিন রোগে ভুগতে হয় 

• এই রোগে চিকিৎসা পরিবারের সকল রোগাক্রান্ত ব্যক্তির একসাথে করা উচিত 

• নতুবা পুনরাক্রমণের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায় না 

• রোগ সারার সাথে সাথে সমস্ত বিছানা পত্র পোষাক পরিচ্ছদ এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের জিনিসপত্র ভালোভাবে সামান দ্বারা ধৌত কারণ করা দরকার 

• তিক্ত খাবার 

• যেমন নিমপাতা 

• পটলপাতা 

• উচ্ছে 

• করলা প্রভৃতি খাওয়া ভালো 

• রোগ সারার পরে চাউলমুগরার তেল গায়ে মাখলে রোগের পুনরাক্রমণ থেকে রেহাই পাওয়া যায় 


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



How to use Mastitis: রোগের কারণ, রোগের লক্ষণ, আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Mastitis

বিবরণ 

স্তনে বিভিন্ন উপসর্গ সৃষ্টি হওয়া সহ যন্ত্রণা হওয়াকে স্তনের প্রদাহ বা Mastitis বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র ত্বক, বহিঃক্ষরা গ্ৰন্থি, এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়

আক্রমণের বয়স ১৪ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে এই রোগ হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ কেবলমাত্র মহিলাদেরই এই রোগ হয়।



Causes of the disease কারণ 

ফোঁড়া বা অন্যান্য ক্ষত থেকে বীজাণু সংক্রমণ হয়ে, গর্ভপাতের পর বা প্রসবের পর দুগ্ধস্রাবী নালীর (Lactiferous Duets) অপরোধের দারুণ অথবা শিশুকে স্তন্যপান না করানোর ফলে দুধ 

স্তনের মধ্যে জমে থাকা ক্রমশঃ পুঁজে পরিনত হয়। ও প্রদাহের সৃষ্টি করে। এছাড়া অনেক মহিলার হর্মোনের গন্ডগোলজনিত কারণে প্রত্যেকবার ঋতু শুরুর আগে স্তনের যন্ত্রনা হয়।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• স্তন ফুলে ওঠা 

• লালাভ এবং শক্ত হয়ে যায় 

• মাঝে মাঝে স্তনে মাংসপিণ্ড 

• বা দলাদলা অনুভূতি হয় 

• যন্ত্রণা এবং আড়ষ্ট ব্যথা হয় 

• অধিকাংশ ক্ষেত্রে একটি স্তনেই এই রোগ হয় 

• তবে দুটোতে ও হতে পারে 

• দুধের পরিবর্তে গাঢ় পূজ নির্গত হয় 

• কখনো কখনো স্তনবৃন্তের পাশে কোনো স্থান ফেটে পূজ বের হয় 

• ক্ষতের সৃষ্টি হতে পারে 

• হর্মোনের গন্ডগোল থেকে হলে স্তন খুব ফুলে উঠে এবং বড় হয়ে যায় 

• এবং ঋতু শুরুর আগেই যন্ত্রণা হতে পারে



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• স্তনের ক্ষত বা ফোঁড়া হলে শিশুদের স্তন্য পান করতে দেওয়া বন্ধ রাখতে হবে।

• মৃগ মুসুর ডাল খাওয়া বা বেঁটে স্তনে প্রলেপ দেওয়া ভালো।

• পুঁই পাতা থেঁতো করে স্তনে প্রলেপ দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়।


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।


How to use Chloroquine phosphate: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, আন্তঃবিক্রিয়া

 

How to use Chloroquine phosphate

Chloroquine phosphate কী?

ইহা জলে দ্রবণীয়, তিক্ত আস্বাদ বিশিষ্ট সাদা রঙের পাওডার। ইহা মানুষের শরীরের যে কোনো স্থানে বসবাস কারীর ম্যালেরিয়া জীবাণুদের ধ্বংস করে দেয়, কেবলমাত্র যকৃতে অবস্থানকারী

প্যারাসাইটদের উপর কোন প্রভাব ফেলতে পারে না। ইহা চার প্রকার ম্যালেরিয়া প্যারাসাইটদের উপর সক্রিয় সেগুলি হল

পি. ভাইভ্যাক্স 

• পি. ওয়েল

• পি. ম্যালেহ্যরী 

• পি. ফ্যালসিপেরাম 

এছাড়া এই ঔষধের এন্টামিবা হিস্টোলাইটিকা জিয়ার্ডিয়া মাইক্রো ব্যাকটেরিয়াল লেপ্রী প্রভৃতির উপর যথেষ্ট প্রভাব আছে। 

এছাড়া এই ঔষধের প্রদান নিবারণী পেশীর আক্ষেপ নিবারণী অ্যালার্জি দমনকারী ক্ষমতা বিদ্যমান। এই রসায়ন পৌষ্টিক তন্ত্রে থেকে দ্রুত এবং সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়

ইহা দ্রুত সমস্ত কলাকোষে পৌঁছে যায়। ইহা যকৃত, প্লীহা, ফুসফুসের ও কিডনিতে বেশি সময় স্থায়ী হয়। এই রসায়ন মলের সাথে এবং প্রস্রাবের সাথে অপরিবর্তিত অবস্থায় নির্গত হয়।



ব্যবহার (Uses)

• ম্যালেরিয়া 

• অ্যামিবিয়াসিস 

• রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস 

• কুষ্ঠের বিষক্রিয়া 

• চর্মের ক্ষয়রোগ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side Effects

• বমি 

• বমিভাব 

• উদরাময় 

• পেটের ব্যথা 

• পেটের যন্ত্রণা 

• মাথার যন্ত্রণা 

• চুল ওঠা 

• চর্মের উদ্ভিদ 

• প্রুরিটাস 

• চক্ষুর জ্বালা 

• চোখের দৃষ্টি অস্বচ্ছ হওয়া 

• কান ভো ভো করা 

নখের নীচে নীলচে কাল দাগ প্রভৃতি দেখা যায়।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• অ্যান্টাসিড 

• ফিনাইলবিউটাজোল

• নিওস্টিগমিন

• পাইবিডোস্টি গমিন 

• অ্যাম্পিসিলিন 

• সিমেটিডিন 

প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।



সাবধানতা অবলম্বনের

• গর্ভবতী মহিলাদের স্বল্পমাত্রায় এবং সাবধানতা সহকারে ব্যবহার করতে হয়।

• চক্ষুর মারাত্মক রোগে ব্যবহার নিষিদ্ধ।

• মৃগী রোগ ও স্নায়ুর পীড়ায় ব্যবহার নিষিদ্ধ 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।


How to use Ampicillin Tablet: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, সাবধানতা

 

How to use Ampicillin Tablet

ভূমিকা

অ্যাম্পিসিলিন অ্যামাইনো পেনিসিলিনের সংযোগ সাধনে (Semi Synthesis) প্রস্তুত হয়। একটি বহু ব্যাপক (Broad Spectrum) বীজাণুনাশক ওষুধ। ইহা স্ট্রেপটোকক্বাস, স্ট্যাফাইলোকক্বাস, ব্যাসিলাস অ্যানথ্রসিজ (B. Anthracis),

প্রভৃতি গ্ৰাম-পজিটিভ বীজাণু এবং এন. গণোরিয়া (N. Gonorrhoeae), এন মেনিনজাইটিস, ক্লেবসিয়েল্লা, প্রোটিয়াস মাইরাবিলিস প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর সক্রিয়।

তবে ভাইরাস, ছত্রাক ও পরজীবীদের উপর এর কোন ক্রিয়া নাই। এই ওষুধ খালি পেটে অথবা খাবার দু'ঘণ্টা পর খেলে 60 থেকে 70 শতাংশ পাকস্থলী থেকেই শোষিত হয়ে থাকে। 

ইঞ্জেকশন ওষুধ সম্পূর্ণ রূপে শোষিত হয়। মুখে খাবার ওষুধ 1 থেকে 2 ঘন্টার সর্বোচ্চ মাত্রায় রক্তের উপস্থিত হয়। ইঞ্জেকশন ওষুধ আরও কম সময়ে এবং অধিক মাত্রায় উপস্থিত হয়।

4 ঘন্টা যাবৎ ইহা রক্তে থাকে। এছাড়া অ্যাম্পিসিলিন শরীরের সমস্ত কলা কোষের সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে। মুখের ওষুধের 30 শতাংশ এবং।

ইঞ্জেকশন ঔষুধের মধ্যে মূত্রের মাধ্যমে দেহের বাইরে নির্গত হয়। অ্যাম্পিসিলিন ওষুধ গর্ভফুল ভেদ করে প্রবেশ করে এবং সঙ্গে নির্গত হয়ে তবে গর্ভস্থ ভ্রুণ স্তন্যদানকারী শিশুর কোন ও ক্ষতি করে না।



ব্যবহার (Uses)

• ব্রঙ্কাইটিস 

• নিউমোনিয়া 

• সহ সকল প্রকার শ্বাসযন্ত্রের পীড়া 

• নাক 

• কান ও গলার রোগ 

• ফ্যারিংজাইটিস 

• ল্যারিংজাইটিস 

• টনসিলাইটিস 

• সাইনুসাইটিস

ওটাইটিস মিডিয়া প্রভৃতি রোগে ব্যবহার করা হয়

• উদরাময় 

• রক্তামাশয় প্রভূতিতে এর ইঞ্জেকশন ওষুধ ভালো ফল দেয় 

• টাইফয়েড 

• প্যারাটাইফয়েড 

• রক্তদুষ্টি 

• মেনিনজাইটিস 

• এন্ডোকার্ডাইটিস প্রভূতিতে ব্যবহার করা হয় 

গর্ভবতী মহিলাদের প্রস্রাবের পীড়া গণোরিয়া ঘটিত সংক্রামক প্রভূতিতে ও ব্যবহার করার আগে ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন। 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (Side Effects)

• পেনিসিলিয়ামে অ্যালার্জি থাকলে চর্মে উদ্ভেদ বের হওয়া 

• আমবাত 

• চুলকানি 

• বুক ধড়ফড় করা 

• খিঁচুনি প্রভৃতি হতে পারে 

• পাতলা পায়খানা 

• গা বমি ভাব 

• রক্তাল্পতা 

• ইওসিনোফিলিয়া

• লিউকোপেনিয়া প্রভৃতি হতে পারে 

যদি গুরুতর কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায় দ্রুত ডাক্তার বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। 



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• টেট্রাসাইক্লিন 

• এরিথ্রোমাইসিন 

• অ্যালুপুরিনল 

• ক্ল্যাভিউলুনিক অ্যাসিড 

প্রভূতির সাথে বিক্রিয়া ঘটে এবং কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়।



সাবধানতা অবলম্বনের 

• গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মহিলাদের নিম্নমাত্রায় প্রয়োগ করতে হবে।

• পাতলা পায়খানা চলতে থাকলে মুখে খাওয়া যাবে না।

• পেনিসিলিয়ামে অ্যালার্জি থাকলে ব্যবহার নিষিদ্ধ।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমে সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।




How to use in Co-Trimoxazole Tablet: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা

 

How to use in Co-Trimoxazole Tablet

Introduction ভূমিকা 

সালফোনামাইড কম্বিনেশন অর্থাৎ (ট্রাইমেথোপ্রিম, সালফামেথোক্সাজোল) ঔষধ কে কো-ট্রাইমোক্সাজোল বলা হয়। 

ইহা সকল প্রকার গ্ৰাম-পজিটিভ ও গ্ৰাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়াদের উপর সক্রিয়। এই সংযুক্ত রসায়ন বর্ডিটেল্লা পার্টুসিস, ব্রুসেল্লা এবং সাইট্রোব্যাকটার এস পি পি, ঈ-কোলি 

হেমেফিলাস ডুক্রেয়ি, সিগেল্লা, থারসিনিয়া, ভিব্রিও প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ এবং স্ট্রেপটোকক্বাস, স্ট্যাফাইলোকক্বাস, নোকারডিয়া 

লিসটেরিয়া প্রভৃতি গ্ৰাম-পজিটিভ বীজাণুদের উপর দারুন ভাবে সক্রিয়। মুখে খাবার ওষুধ প্রায় সম্পূর্ণরূপে এবং দ্রুত পাকস্থলী থেকে শোষিত হয়। খাদ্য গ্রহণের শোষণের কোন পরিবর্তন ঘটাতে পারে না।

ইহা গ্রহণের এক থেকে দুই ঘন্টার মধ্যে রক্তরসের সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। এই ওষুধ শরীরের সকল অংশে বিস্তার লাভ করে বিশেষত বৃক্ব এবং ফুসফুসের। 

এছাড়া সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড, কফ প্রোস্টেট গ্রন্থির যোনির ক্ষরণ চক্ষুর ভিতরে জলীয় অংশের উপস্থিতি প্রমাণ হয় পঞ্চাশ শতাংশ ট্রাইমেথৈপ্রিম এবং ত্রিরশ শতাংশ সালফামেথোক্সাজোল অপরিবর্তিত অবস্থায় মূত্রর মাধ্যমে নির্গত হয়। 



ব্যবহার (Uses)

• সকল প্রকার মূত্র যন্ত্রের পীড়া

• ব্রঙ্কাইটিস 

• সাইনুসাইটিস 

• নিউমোনিয়া

• হুপিংকাশি সহ সকল প্রকার শ্বাসযন্ত্রের পীড়া 

• গণোরিয়া 

• স্যাঙ্কার 

• ডিম্বাশয়ের প্রদাহ সহ সকল প্রকার জননতন্ত্রের পীড়া 

• নাক

• কান ও গলার রোগ 

• টাইফয়েড 

• কলেরা 

• উদরাময় 

• চর্মের সকল প্রকার বীজাণু ঘটিত পীড়া 

• হাড় ও অস্থিসন্ধির পীড়া প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (Side Effects)

• বমি বা গা বমি ভাব 

• মুখে ঘা 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• আমবাত প্রভৃতি হতে পারে 

• মারাত্মক প্রতিক্রিয়া খুব কমই হয় 

• মাথা ধরা 

• মাথা ঘোরা 

• অবসাদ 

• কান ভো ভো করা 

প্রভৃতি দেখা দিতে পারে গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে ডাক্তারের বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করুন।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• ওয়ার ফারিন

• ফেনাইটোইন

• সাইক্লোস্পোরিন 

• রিফামপিসিন প্রভৃতি সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ঘটে 

ফলে কর্মক্ষমতা কমে যায় এবং বিভিন্ন প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। 



সাবধানতা অবলম্বনের

১. সালফারে অ্যালার্জি থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ 

২. গর্ভবতী মহিলা ও স্তন্যদানকারী মায়েদের এই ওষুধ দেওয়া চলবে না 

৩. অপুষ্টিতে ভুগলে এই ওষুধ ব্যবহার না করাই উচিত 

৪. দেড় মাসের নিচের শিশুদের এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ 

এই আর্টিকালটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।