Haw to uses temperature in bangla তাপমাত্রা


 তাপমাত্রা 


মানবদেহে তাপমাত্রার পরিমাণ জন্য থার্মোমিটার বা তাপ মাপার যন্ত্র ব্যবহার করা হয় এই থার্মোমিটারে ফারেন হাইট স্কেলে তৈরি তবে বর্তমানে সেন্টিগ্ৰেড এবং ফারেন হাইট উভয় স্কেলেই তৈরি হয় তবে আমার ফারেন হাইট স্কেলের রিডিং নিই এবং সহজ বোধ্য এই থার্মোমিটার যন্ত্র মানবদেহের তিন স্থানে ব্যবহার করা হয় বেশি ব্যবহার করা হয় বগলে তারপরে মুখ গহ্বরের জিভের তলায় এবং কখনো কখনো পায়ুতেও দেওয়া হয়

জিভের নিচে ৯৮ ৪° ফাঃ এবং ৩৬ ৯° সেন্টিগ্ৰেড বগলের নিচে ৯৭ ৫° ফাঃ এবং ৩৬ ৪° সেন্টিগ্ৰেড পায়ুর মধ্যে ৯৯ ৫° ফাঃ এবং ৩৭ ৬° সেন্টিগ্ৰেড যদি তাপমাত্রা ১০০° বেশি ১০১° ফাঃ পর্যন্ত হয় তাহলে সামান্য জ্বর হয়েছে বলা হয় ১০১° ফাঃ এর বেশি ১০২° ফাঃ এর বেশি ১০৩° ফাঃ পর্যন্ত বেশি জ্বরের লক্ষণ এবং ১০৪°ফাঃ এর বেশী ১০৫° পর্যন্ত প্রবল জ্বরের লক্ষণ। ম্যালেরিয়া তে বেশি বা প্রবল জ্বর কোন ভয়ের কারণ নয় এতে ১০৫° এর উপরে জ্বর হয় এবং খুব শীঘ্রই জ্বর ছেড়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রা চলে আসে এই তাপমাত্রার ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি হওয়ার তেমন বিপদজনক নয় কিন্তু স্বাভাবিক তাপমাত্রার নিচে ১ ডিগ্রির তাপমাত্রা কমে যাওয়া বিপদজনক
সেই আর্টিকেলটি করে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন

Anthrax uses in bangali বিষফোঁড়া হলে কি করবেন

 
বিবরণ

ইহা এক প্রকার জীবানু ঘটিত রোগ এবং খুব মারাত্মক ধরনের বিষাক্ত ত্বক এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয় এই রোগ বয়স্কদের বেশি হতে দেখা যায় এই রোগে মহিলাদের দেয়ে পুরুষেরাই বেশি আক্রান্ত হন এই রোগ শুরু শরীরের বীজাণু প্রবেশের তিন থেকে দশ দিনের পরে হয়!

কারণ

ব্যাসিলাস অ্যানথ্রাসিজ নামক গ্ৰাম পজিটিভ জীবাণু আক্রমণে এই রোগ হয় এই রোগ জীবজন্তুর দেহ থেকে মানুষের দেহে সংক্রামিত হয় কসাই কৃষক পশম ব্যবসায়ী প্রভৃতি ব্যক্তিদের এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়।

লক্ষন

১) প্রচন্ড টাটানি ব্যথা এবং যন্ত্রণা থাকে
২) এই রোগ সাধারণত বাহু ঊদ্ধবাহু কাঁধ গাল প্রভৃতি স্থানে হয়।
৩) প্রথমে চুলকানি যুক্ত উদ্ভিদ সৃষ্টি হয় এবং তার চারিদিকে দাগ হয়
৪) ক্ষতের মধ্যস্থলে এর মামড়ি পড়তে পারে
৫) পরে ঐ অংশের একটি কালো পচা কোষ সৃষ্টি করে

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন

Haw to uses tetanus uses in bangali টিটেনাস হলে কি করবেন

 

বিবরণ

এক বিশেষ ধরনের জীবাণু কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রেকে  আক্রমণ করলে সারা দেহের পেশীর আক্ষেপ দেখা দেয়
ফলে রোগীর ধনুকের মত বেঁকে যায় একেই ধনুষ্টঙ্কার রোগ বলা হয় স্নায়ুতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়

কারণ

লোহার কোন জিনিসে কেটে গেলে বিশেষতঃ মরচের ধরা লোহার রাস্তাঘাটে বা গোশালায় কোন খোঁচার কেটে গেলে বা য়ে কোন ক্ষতের জীবাণু দূষত হলে সেই জীবাণু দেহে নিঃসৃত রস যা ভয়ানক বিষাক্ত তা রক্তের মাধ্যমে সারা শরীরে তথা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের পৌঁছায় এবং এই রোগ হয়

লক্ষন

১) জ্বর খুব বেশি বেড়ে যায়
২) অতিরিক্ত ঘাম হয়
৩) রক্ত চাপ ওঠানামা করতে থাকে
৪) হাত পা সহ মুখ মন্ডলের পেশিতে খিল ধরা
৫) মুখ বেঁকে যাওয়া জ্বর ভাব প্রভৃতির দিকে শুরু হয়
৬) সারা শরীরে নীলবর্ণ হয়ে যায়
৭) বেশি শক্ত হয়ে যায় এবং ফুলে ফুলে ওঠে
৮) খেঁচুনি শুরু হয়
৯) রোগীর বেঁকে ধনুকের মত হয়ে যায়
১০) দাঁত কপাটি লেগে যায়

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন

How to uses Dengue uses in bangali ডেঙ্গি কী

 


ডেঙ্গি হলো একটি মশা বাহিত ও ভাইরাস ঘটিত প্রাণঘাতীয় রোগ 

ডেঙ্গির মশা

এডিস এজিপটাই ও এডিস এলবোপিকট্রাস এই দুই স্ত্রী মশা হল ডেঙ্গির ভাইরাসের মূল বাহক এগুলি সাধারনত দিনের বেলায় কামড়ায়

ডেঙ্গি হ্যামারেজিক ফিভার এর উপসর্গ

জ্বর আসার দুই থেকে পাঁচদিনের মধ্যে শারীরিক অবস্থায় অবনতি
শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে রক্তে অনুচক্রিকা প্লেটলেট
কমে যায়।
রক্তচাপ কমে হাত পা ঠান্ডা হতে শুরু করে
নাক মুখ বা দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে

অবশ্যই মনে রাখবেন

ডেঙ্গির মশা দিনে কামড়ায় ও পরিস্কার জলে ডিম পাড়ে
যত্রতত্র জল জমতে দেবেন না যেমন ফুলের টব বালতিতে ইত্যাদি

স্বাভাবিক ডেঙ্গির উপসর্গ

১ হঠাৎ প্রচন্ড জ্বর আসা সঙ্গে মাথা ব্যাথা
২ জ্বর একদিনের মধ্যে দেখা যায় মাথায় হাতে পায়ে গাঁটে
৩ দুই চোখের পিছনে প্রচন্ড ব্যাথা
৪ শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি ও জ্বালা ভাব থাকে
৫ বমি ও কাঁপুনি থাকে
৬ আরো ইত্যাদি

রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা 

১) প্রথমেই আতঙ্কিত না হওয়া
২) উপরের উপসর্গ মিললে হাসপাতালে যান
৩) চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ খাবেন না
৪) বেশি পরিমাণে ডাবের জল নুন চিনি জল ORS পান করুন
৫) অল্প অল্প করে পুষ্টিকর খাবার খান
৬) এটি একটি ভাইরাস ঘটিত রোগ তাই এর চিকিৎসা উপসর্গ ভিত্তিক

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করে


Haw to uses clavam 625 mg tablet uses in bangali ক্লাভাম ঔষধ ব্যবহার

বিবারন

এটি একটি বহু ব্যাপক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী ঔষধ ইহা স্ট্যাফাইলোকক্কাস টাইফি প্রোটিয়াস ই কোলি মাইরাবিলিস প্রভৃতি বীজাণুদের উপর সক্রিয় ইহা অ্যাম্পিসিলিনের যে অধিক পরিমাণে শোষিত হয়ঞ মুখে খাবারও ঔষধ ৮০% পাকস্থলী থেকে শোষিত হয় এবং রক্তরসের দীর্ঘ সময় স্থায়ী হয় ইয়া পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কম এবং মূত্রের মাধ্যমে বেশি পরিমাণে নির্গত হয়ে যায় এই ঔষধ সদ্যোজাত শিশু এবং গর্ভবতী মহিলাদের ব্যবহার করা চলে

ব্যবহার

টনসিলাইটিস ব্রঙ্কাইটিস নিউমোনিয়া প্রভৃতি শ্বাসযন্ত্রের পিড়া প্যারাটাইফয়েড প্রস্রাবপীড়া চর্মরোগ নাক ও কানের রোগ গণোরিয়া প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

অ্যানিমিয়া নিউট্রোপেনিয়া আমবাত বমি ভাব পাতলা পায়খানা চর্মের উদ্ভেদ অ্যাগ্ৰানুলোসাইকোসিস প্রভৃতি হতে পারে এলার্জি থাকলে ইনজেকশন ঔষধ বিপজ্জনক প্রক্রিয়া হতে দেখা দিতে পারে

আন্তঃক্রিয়া

এরিথ্রোমাইসিন টেট্রাসাইক্লিন প্রভৃতি ঔষধের সঙ্গে আন্তঃক্রিয়া ঘটে ফলে কর্মক্ষমতা হ্রাস পায় কন্ট্রাসেপটিভের সঙ্গে আন্তঃক্রিয়া হয়।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন


How to use ring worm symptoms use in bangali দাদ হলে কি করবেন



 বিবরণ

দাদ হলো চর্মের একটি ছত্রাক সংক্রমণজনিত রোগ।
অবস্থান অনুযায়ী দাদকে কে চার ভাগে ভাগ করা যায়।
১ মাথার অস্থিচর্মের দাদ 
২ মধ্যদএহএর দাদ
৩ ঊরু পাছা কোমরসহ জননতন্ত্র সংলগ্ন অংশের দাদ
৪ পায়ের দাদ
মাথার দাদ শিশুদের বেশি হয়।মধ্যদেহে দাদ এবং পায়ের দাদ যে কোন বয়সে হতে পারে জনমতন্ত্রের সংকলন অংশে দাদ যে কোনো বয়সেই হতে পারে। জননতন্ত্র সংলগ্ন অংশের দাদ সাধারণতঃ ১৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যেই বেশি হতে দেখা যায়।
মহিলা এবং পুরুষদের এই রোগ সমান ভাবে হতে দেখা যায়


কারণ 

মাথার দাদ হয় ট্রাইকোফাইটন টনসুরান্স নামক ছত্রাকের আক্রমণে। সংস্পর্শের মাধ্যমে সঞ্চারিত হয়।দেহকান্ডের দাদ হয় ট্রাইকোফাইটন রুব্রাম নামক ছত্রাকের আক্রমণে। জননতন্ত্র সংলগ্ন অংশের দাদ হয় ট্রাইকোফাইটন ভেরুকোসাম মেন্টাগ্ৰোফাইটস প্রভুতি ছত্রাক জীবাণুর আক্রমণে।

লক্ষন

১ মাথার দাদ সমগ্ৰ মাথার বা কিছুটা অংশের আঁশযুক্ত উদ্ভিদের বের হয়। সেগুলি প্রচন্ড চুলকায় এবং চুল কালে রস নির্গত হয়।
২ এইভাবে এগুলি ক্রমশঃ কোন আয়তনে বাড়তে থাকে।
৩ মধ্যদেহে দাদ ঘাড় গলা কাঁধ বুকে পিঠে পেটের চাকাচাকা আকারে উদ্ভেদ বের হয়।
৪ উদ্ভেদ গুলি ঘামাচি ন্যায় এবং তার চক্রের পরিধি বরাবরই। 
৫ চুলকালে জলের মতো কষ বের হয় এবং কম সুস্থ চর্মে লাগলে সেখানে ও ঐ ভাবে রোগাক্রমণ ঘটে
৬ পায়ের দাদ পায়ের তালু গোড়ালি এবং আঙুলে হতে দেখা যায়।
৭ মোঝা বা জুতো বা বুট ব্যবহার থেকে এই রোগ বেশি হয়।
৮ এটি প্রচন্ড চুলকানি মূলক এটি চুলকালে বের হয় এবং কামড়ানি করে ।

চিকিৎসা

1 candid cream ক্যানডিড ক্রিম
প্রত্যহ ৩ থেকে ৪ বার আক্রান্ত অংশে লাগাতে হবে ২ সপ্তাহ
২ Luliconazole Lotion  লুলিকোনাজোল লোশন
প্রত্যহ ২ থেকে ৩ বার আক্রান্ত অংশে লাগাতে হবে ৩ সপ্তাহ

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

How to use levocetirizine tablets uses in bangali লিভোসেটিরিজিন ট্যাবলেট এর কাজ কি



 ইহা একটি অ্যান্টি এলার্জি ঔষধ। অর্থাৎ হাইড্রোজেন গ্ৰাহী গ্ৰুপের ঔষধ।টারফেনাডিন প্রভৃতি অ্যান্টি অ্যালার্জি দের চেয়ে অনেক নিরাপদ এবং সুরক্ষিত।এই ঔষধ পৌষ্টিকতন্ত্র থেকে দ্রুত এবং সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়। ব্যবহায়ের এক ঘন্টার এক ঘন্টার মধ্যে ইহা রক্তের সর্বোচ্চ মাত্রা উপস্থিত হয়। ঔষধ খুব কমই পাচিত হয় হলে ইহা  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া খুব কম। এই ঔষধের ৭৫ শতাংশ অপরিবর্তন অবস্থায় মূত্রের মাধ্যমে এবং ১৫% অপরিবর্তন মলের সাথে নির্গত হয়। সামান্য অংশ পাচিত এবং মূত্র ও মলের সাথে নির্গত হয়।

ব্যবহার

অ্যালার্জি ঘটিত নাসিকা প্রদাহ নাসিকা স্রাব আমবাত একজিমা চর্মরোগ চক্ষুর লালাভ ভাব অশ্রুস্রাব অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস কীট পতঙ্গের কামড় এই ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া জনিত চর্মরোগ প্রসাধনসামগ্রী ব্যবহার খাদ্য বস্তু প্রভৃতি প্রতিক্রিয়াজনিত চর্মের উদ্ভিদ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

খুব কমই হয়। অল্প সংখ্যায় রোগীর মাথা ধরা ক্লান্তি মুখে শুষ্কতা ঘুমভাব পেটের গোলমাল প্রভৃতি হতে পারে।

আন্তঃবিক্রিয়া

অ্যালকোহলের সাথে আন্তঃবিক্রিয়া হয়। ফলে বিভিন্ন প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।

সাবধানতা

১ গর্ভবতী মহিলা স্তন্যদানকারী মাতা ও দুই বছরের নিচের শিশুদের ব্যবহার নিষিদ্ধ।
২ অতিবৃদ্ধদের ব্যবহার করা উচিৎ হবে না।
৩ যকৃতের রোগ ও কিডনির রোগে খুব সাবধানতা সহ ব্যবহার করতে হবে।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।