How to use Cefazolin: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা

How to use Cefazolin


 ভূমিকা 

সেফালোস্পোরিনের সংযোগসাধনে প্রস্তুত ইঞ্জেকশন মাধ্যমে ব্যবহার করার বহু ব্যাপক জীবাণু নাশক ওষুধ। ইহা জল, স্যালাইন প্রভৃতি সহজ দ্রাব্য। ইহা স্ট্রেপটোকক্বাস, স্ট্যাফাইলোকক্বাস, নিউমোকক্বি, ঈ-কোলি, প্রোটিয়াস 

মাইরাবিলিস, হেমোফিলাস প্রভৃতি বীজাণুদের উপর অধিক সক্রিয়। এছাড়া বি. অ্যানথ্রসিজ সি. ডিপথেরিয়া বি. পারটুসিস স্যালমোনেল্লা, সিগেল্লা প্রভৃতি বীজাণুদের ও সেফাজোলিন ধ্বংস করতে সক্ষম।

এই ওষুধ পেশিতে ব্যবহার করলে এক থেকে দুই ঘন্টা এবং শিরাপথে দিলে রক্তরসে সর্বোচ্চ মাত্রায় পরিলক্ষিত হয়। দ্রুত শরীরের বিভিন্ন কলাকোষে ব্যাপৃত হয়।

• পিত্তথলি ও পিত্তরস 

• অস্থি ও সন্ধি

• হৃদপিণ্ড

• পৌষ্টিক তন্ত্রে 

• কিডনি 

• মূত্রাশয় ও তৎসংলগ্ন মন্তব্যসমূহে

• মধ্যকর্ণ

• গর্ভফুল

• চর্ম ও শ্লৈষ্মিক

• ঝিল্লী

• শ্বাসযন্ত্রের প্রভৃতি অংশে ব্যাপকভাবে ব্যাপৃত হয়

ফলে সকল অংশের সংক্রমণে খুব ভালো ফল দেয়। প্রায় অপরিবর্তিত অবস্থায় মূত্রের মাধ্যমে দেহের বাইরে নির্গত হয়।



ব্যবহার

এই ইঞ্জেকশন অস্ত্রো পচারের পূর্বে বা পরেই বেশি ব্যবহার করা হয়।

শ্বাসযন্ত্র 

• মূত্রযন্ত্র

• জননতন্ত্র 

• যৌনাঙ্গ 

• পৌষ্টিক তন্ত্র 

অস্থি ও সন্ধি এবং উদরগহ্বরের যে কোন মারাত্মক সংক্রমণ এই ইঞ্জেকশন ব্যবহার করা হয়। রক্তদুষ্টি ও হৃদঝিল্লীর প্রদাহে এই ওষুধ খুব ভালো ফল দেয়।

অ্যামাইনো গ্লাইকোসাইড ও মেট্রোনাইডাজোলের সাথে ব্যবহার উপযোগী এই ওষুধ সকল প্রকার অস্ত্রোপচারের পূর্বে বা পরে ব্যবহার করা হয়। 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (Side Effects)

এই ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া খুব কমই দেখা যায়। ইন্ট্রামসস্কুলার ব্যবহারে পেশির প্রদাহ এবং  ইন্ট্রাভেনাস ব্যবহার শিরার প্রদান হতে পারে। এছাড়া।

• জ্বর ভাব 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• লিউকোপেনিয়া 

• নিউট্রোপেনিয়া 

থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া প্রভৃতি হতে দেখা যায়



আন্তঃবিক্রিয়া

• ফ্রুসেমাইড

• প্রোবেনেসিড

• অ্যাসপিরিন প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া হয়

• ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায় 



সাবধানতা

গর্ভবতী মহিলা স্তন্যদানকারী মাতার এবং ১ মাসের নিচের শিশুদের এই ইঞ্জেকশন দেওয়া নিষিদ্ধ।

পেনিসিলিয়াম ও সেফালোস্পোরিনে অ্যালার্জি থাকলে ও এই ইঞ্জেকশন দেওয়া চলবে না।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।



Cefotaxime injection: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা

 

Cefotaxime injection


Cefotaxime injection কী?

ইহা সেফালোস্পোরিন গ্ৰুপের একটি বহু ব্যাপক বীজাণু নাশক ওষুধ যা কেবলমাত্র ইঞ্জেকশন মাধ্যমে শরীরের প্রবেশ করানো হয়। ইহা স্ট্যাফাইলোকক্বাস অরিয়াস, স্ট্যাফাইলোকক্বাস এপিডারমিস, স্ট্রেপটোকক্বাস পাইযোজিনেস, স্ট্রেপটোকক্বাস 

নিউমোনিয়া, প্রভৃতি গ্ৰাম-পজিটিভ বীজাণু এবং হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা, ঈসচেরেচিয়া কোলি, স্যালমোনেল্লা স্পেসিজ, সিগেল্লা, নেইস্যেরিয়া, সিউডোমোনাস প্রভৃতি গ্ৰাম-নেগেটিভ ও ব্যাকটেরিয়াদের উপর সক্রিয়।

ইহা পুশ করার ৩০ থেকে ৪৫ মিনিটের মধ্যে রক্তরসে সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। ইহা শরীরের প্রায় সকল কলাকোষে এবং সকল তরল অংশে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। ইহার প্রায় অপরিবর্তিত ও পাচিত অবস্থায় মূত্রের সহিত নির্গত হয়। মলের সাথে নির্গত হয়। এই ওষুধ স্তনদুগ্ধের সাথে ও সামন্য পরিমাণে নির্গত হয়।



ব্যবহার (Uses)

1. রক্তে ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি

2. রক্তদুষ্টি

3. হৃদঝিল্লীর প্রদাহ

4. মেনিনজাইটিস

5. পেরিটোনাইটিস

6. যকৃত ও পিত্তথলির সংক্রমণ

7. নিউমোনিয়া

8. ব্রঙ্কোনিউমোনিয়া

9. ব্রঙ্কাইটিস 

10. ফুসফুসের ক্ষত 

11. প্লুরাতে পূজ জমা 

12. অস্থির সংক্রমণ

13. মূত্রযন্ত্রের পীড়া 

14. চর্মের মারাত্মক সংক্রমণ 

15. পোড়া ক্ষতের মারাত্মক সংক্রমণ 

16. সংক্রমণ জনিত স্ত্রীরোগ

17. অস্ত্রোপচার জনিত সংক্রমণ

গণোরিয়া ক্ষত প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়।



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (Side Effects)

হালকা কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়, যেমন: 

• বমি ভাব 

• বমি 

• আমবাত 

• জ্বর ভাব 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• পেশিতে পুশ করার পর সেই স্থানে প্রদাহ প্রভৃতি হতে দেখা যায়

• রক্তের SGOT বৃদ্ধি পায়

• রক্তে শ্বেত কণিকার হ্রাস প্রাপ্তি অর্থাৎ লিউকোপেনিয়া 

রক্তে অনুচক্রিকার পরিমাণ হ্রাস পাওয়া অর্থাৎ থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া প্রভৃতি ঘটে।



আন্তঃবিক্রিয়া

জেন্টামাইসিন

• অ্যামিকাসিন 

প্রভৃতির সাথে একসাথে প্রয়োগ করলে কিডনির বিষাক্ততা (Nephrotoxicity) বেড়ে যায়।



সাবধানতা

মত্রাবরোধে গর্ভাবস্থায় স্তন্যদানকালে ব্যবহার নিষিদ্ধ।

• যে কোনো মৌখিক সেফালোস্পোরিনে অ্যালার্জি থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।

• বৃহদান্ত্রের ক্ষত রোগে এই ইঞ্জেকশন ব্যবহার না করাই ভালো।


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।





How to Use Amikacin Usage


 ইহা অ্যামাইনো গ্লাইকোসাইড গ্ৰুপের একটি বীজানুনাশক ঔষধ ইহা ক্যানামাইসিন এ হইতে সংযযোগসাধনে প্রস্তুত করা হয় ইহা অনেক গুলি গ্ৰাম পজেটিভ এবং গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর সক্রিয় হয় প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর দারুন সক্রিয় হয় স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস সহ কিছু গ্ৰাম পজিটিভ বীজাণু যা পেনিসিলিয়ামে ধ্বংস হয় না তাদের অ্যামিকাসিন ধ্বংস করতে সক্ষম অ্যামিকাসিন সাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিসের উপর দারুন ভাবে সক্রিয় 

ইন্ট্রাভেনাস পথে ব্যবহারের শেষে ইহা রক্ত রসে সর্বোচ্চ মাত্রায় থাকে ইহা শরীরের সকল প্রকার কলাকোষ এবং তরল অংশে যাথা সেরিব্রোস্পাইন্যাল ফ্লুইড অ্যামনাইওটিক ফ্লুইড পেরিটোনিয়্যাল ফ্লুইড প্রভৃতি অংশে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে গ্রহণের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৯৪% থেকে ৯৮% অপরিবর্তিত ভাবে মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয় 

ব্যবহার রক্তে ব্যাকটেরিয়া উপস্থিতি রক্ত দৃষ্টির শ্বাসযন্ত্রে মাঝারি থেকে মারাত্মক সংক্রমণ অস্থি ও সন্ধির সংক্রমণ চর্মের বীজাণু ঘঠিত পীড়া ও পোড়া বা পোড়াজনিত অস্ত্রোপচার জনিত সংক্রমণ মেনিনজাইটিস পেরিটোনাইটিস অ্যাকিউট ও ক্রনিক এবং সরল ও জটিল মূত্র যন্ত্রের পীড়া পৌষ্টিকতন্ত্রের পীড়া প্রকৃতিতে ব্যবহার করা হয় 

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া প্রস্রাবে সেল কাস্ট প্রভৃতি নির্গত হয় মূত্রের স্পেসিফিক গ্ৰ্যাভিটি কমে যায় হালকা জ্বর মাথা ধরা কান ভোঁ ভোঁ করা বধিরতি হাত পা কাঁপা চমের উদ্ভিদ বমি ভাব বা বমি প্রভৃতি কোন কোন রোগীর হতে দেখা যায়।

আন্তঃবিক্রিয়া অ্যামফোটারিসিন অ্যামম্পিসিলিন ক্লোরোথায়াজাইড এরিথ্রো মাইসিন হেপারিন নাইট্রোফুরাইটোইন ফিনাইটোইন সালফাডায়াজাইন কাবেরনিসিলিন প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ঘটে ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায় 

অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইডে অ্যালার্জি থাকলে ব্যবহার নিষিদ্ধ গর্ভবতী মহিলাদের জরুরী প্রয়োজনে ব্যবহার নিষিদ্ধ এই ঔষধ অন্য কোন ঔষধের সাথে একত্রে মিশিয়ে পুশ করা চলবে না 

এই আর্টিকেলটি করে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন


How to use Calcium channel blockers


সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে 

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ!

অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ

ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অর্থাৎ রক্তবাহতে অবরোধ সৃষ্টি জনীত কারণে হৃদরোগ হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় মাত্রা ২০ মিগ্ৰা করে দিনে ৩ বার খাবার পর দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া গা বমি বমি পেটের গন্ডগোল প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা গর্ভাবস্থায় ব্যবহার নিষিদ্ধ 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ

How to use Subcutaneous injectionসাবকিউটেনিয়াস ইঞ্জেকশন দেওয়া পদ্ধতি

সাবকিউটেনিয়াস ইঞ্জেকশন 



সাবকিউটেনিয়াস কথার অর্থ চামড়ার নিচে এই ইঞ্জেকশন চামড়ার নিচে পেশীর উপরের স্তরে পুশ করা হয় শরীরের যে অংশের চামড়া নরম ও আলগা সেই অংশেই এই ইঞ্জেকশন পুশ করা হয় এই ইঞ্জেকশন বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বাহুর সামনের দিকে চামড়ার নিচে দেওয়া হয়। চামড়ার নিচে ইঞ্জেকশন দেওয়া হয় চর্মরোগ মাথায় টাকের স্টেরয়েড ইঞ্জেকশন প্রভৃতির ক্ষেত্রে এছাড়া কোন ঔষধে রোগীর অ্যালার্জি আছে কিনা তা জানার জন্য চামড়ার নিচে সামান্য ঔষধ পুশ করে টেস্ট করা হয় প্রথমে উল্লিখিত পদ্ধতিতে সিরিঞ্জ ঔষধ ভরে নিতে হবে তারপর যে স্থানে ইঞ্জেকশন দেওয়া হবে সেখানের চামড়ার স্পিরিট বা অ্যালকোহল সিক্ত তুলো ঘষে নিতে হবে তারপর বাম হাত বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ ও তর্জনী দ্ধারা ঐ স্থানের চামড়া টেনে সামান্য উপরে 

দিকে তুলতে হবে তারপর সূঁচ সহ সিরিঞ্জটাকে বাহুর সমান্ত রালভাবে রেখে ঐ অংশের চামড়া তলদেশ পুশ করতে হবে আর যদি রক্তকণা না আসে তাহলে খুব ধীরে ধীরে পিস্টন ঠেলে ঔষধ পুশ করাতে হবে গোড়ায় হালকা ভাবে চেপে সূঁচ টেনে বের করতে হবে এবং তা হালকা ভাবে মর্দন করে দিতে হবে।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন

 

How to use IV injection ইন্ট্রাভেনাস ইঞ্জেকশন দেওয়া পদ্ধতি

 ইন্ট্রাভেনাস ইঞ্জেকশন  

ইন্ট্রা ভেনাস শব্দের অর্থ শিরার মধ্যে কনুইয়ের সামনের দিকের ব্যাসালিক বা কেফালিক ভেনে এই ইঞ্জেকশন পুশ করা হয় প্রয়োজনে বা অসুবিধা ঘটলে শরীরের অন্য স্থানের শিরাতে ও দেওয়া চলবে এই ইঞ্জেকশন দেবার সময় একজন সহকারী থাকলে ভালো হয় এই ইঞ্জেকশন বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করা দরকার হয় কারণ ইন্ট্রা ভেনাস ইঞ্জেকশন অনেক বিপদের সম্ভাবনা থাকে প্রথমে উপরের বিবরণ অনুযায়ী সিরিঞ্জের ঔষধ টেনে নিতে নিতে হবে তারপর রোগীকে শুইয়ে তার হাতটি একটি অনুচ্চ বালিশের উপর রাখতে হবে অথবা চেয়ারে বসিয়ে হাতটি টেবিলের উপর বরাবর রাখতে হবে এরপর সহকারী কে বলতে হবে কনুইয়ের উপর অংশে দুহাতে করে ভালো ভাবে চেপে ধরতে যদি কোন সহকারী না থাকে তাহলে রাবার ব্যান্ড বা অন্য কোনো ব্যান্ড দিয়ে চেপে বাঁধতে হবে এরপর হাত মুঠো করিয়ে সমস্ত বাহু কনুইয়ের অংশে ভাঁজ করাতে এবং পুনরায় ছড়াতে হবে এ ভাবে কয়েকবার করলেই দেখা যাবে কনুইয়ের কাছের ব্যাসালিক ভেনটি খুব ফুলে উঠেছে এই সময় ঐ অংশ অ্যালকোহল বা স্পিরিট সিক্ত তুলো দিয়ে মুছে নিতে হবে এবার ঔষধ ভত্তির সিরিঞ্জটি বাহু ও শিরার ফোটাতে হবে যাতে ঐ সেঁচ শিরার কেবলমাত্র একটি দেওয়াল ভেদ করে সিরিঞ্জের তরলে রক্ত আসতে শুরু করবে সিরিঞ্জের নিডল টি কেবলমাত্র শিরার একটি দেওয়াল ভেদ করে শিরার মধ্যে প্রবেশ করেছে রক্ত না এসে বা সামান্য এসে বন্ধ হয়ে গেলে বুঝতে হবে সূঁচ হয় শিরার প্রবেশ করেননি তা সমগ্ৰ ঔষধ পুশ করা শেষ হলে স্পিরিট বা 

অ্যালকোহল সিক্ত তুলোটি সূঁচের গোড়ায় চেপে ধরে তা টেনে বের করতে হবে ও কনুইয়ের তুলো সহ কিছু ক্ষন ভাঁজ করে রাখতে হবে ইন্ট্রা ভেনাস ইঞ্জেকশন খুব ভালো ভাবে অভ্যাস না করে দেওয়ার চেষ্টা উচিত নয় তা থেকে বিপদের সৃষ্টি হতে পারে

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই যোগাযোগ করুন

How to use I M injection ইন্ট্রা মাসকুলার ইঞ্জেকশন দেয়ার পদ্ধতি

 ইন্ট্রা মাসকুলার ইঞ্জেকশন 


ইন্ট্রা মাসকুলার কথার অর্থ পেশীর মধ্যে এই ইঞ্জেকশন দেওয়া হয় এই ইঞ্জেকশন সচরাচর বাহুর উপরের ডেল্টয়েড পেশী অথবা পাছার গ্লুটিয়াল পেশীতে দেওয়া হয়
শিশুদের ক্ষেত্রে Thigh এ দেওয়া হয় বাহুর পেশীর চেয়ে পাছার পেশীতে ইঞ্জেকশন পুশ করলে ব্যথা যন্ত্রণা কম হয়
এখন চিত্রের ন্যায় বাম হাত দিয়ে বগলের এক ইঞ্চি নিচে ধরে চাপ দিয়ে পেশীটিকে উপরের দিকে ফুলিয়ে নিতে হবে
গ্লুটিয়াল পেশীতে হলে দেবার জায়গটি দুটি আঙ্গুল দিয়ে টানটান করে ধরতে হবে

এবার ঐ স্থানটিতে অ্যালকোহল বা রেকটিফায়েড স্পিরিট ভেজানো তুলো ঘষে পরিষ্কার করে নিতে হবে এবং নিডলটিকেও ঐ তুলা দিয়ে মুছে নিতে হবে এবং পূর্ব লিখিত নিয়মে ভরা ঔষধের সিরিঞ্জ বাহুর সঙ্গে ৬০°কোণ করে স্থাপন করতে হবে এবং ঐ ভাবে ঠেলে সূঁচটিকে পেশীতে প্রবেশ করাতে হবে সূঁচ সম্পূর্ণ প্রবেশ করলে দেখতে হবে তা শিরাতে পড়েছে কিনা


তার জন্য সিরিঞ্জের পিস্টনটিকে সামান্য পিছনে দিকে টানতে হবে যদি সিরিঞ্জের ঔষধ কোন রক্তকণা এসে পৌঁছায় তাহলে বুঝতে হবে ইহা শিরাকে ভেদ করেছে
তাহলে ঔষধ করা যাবে না তা পুনরায় টেনে নিয়ে করতে হবে 
আর যদি কোন রক্ত কণা না আসে তাহলে পিস্টনটিকে ধীরে ধীরে সামনে ঠেলে সিরিঞ্জস্থিত ঔষধ শরীরে প্রবেশ করাতে হবে
পাচার ক্ষেত্রে নিডল ৯০° কোণ করে প্রবেশ করাতে হবে ও একই
পদ্ধতিতে ঔষধ পুশ করে নিডল বের করে আনতে হবে
দুই প্রকার ইঞ্জেকশনের শেষে ঐ অংশ চেপে ধরে ভালভাবে 
মর্দন করে দেওয়া ভালো তাতে ঔষধ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাথা যন্ত্রণা কম হয়
এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন