How to use Fissuring of Skin & Ichthyosis: কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা

 

How to use Fissuring of Skin & Ichthyosis

চর্ম ফাটা এবং ফাটা দাগ: চামড়ার শুষ্কতা দেখা দিয়ে ফাটা ফাটা হয়ে যাওয়াকে Fissuring of Skin বা চর্ম ফাটা বলা হয়।

এছাড়া চামড়ার শুষ্কতা সহ চাকা চাকা ছোপ ছোপ দাগ হতে দেখা যায়। এবং মনে হয় যেম চামড়ার ফাটল ধরেছে, তাকে Ichthyosis বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র ত্বক ও বহিঃক্ষরা তন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয় আক্রমণের বয়স ১ বছর বয়সের পর হতে এই লক্ষণ প্রকাশ পায়। 



Causes of the disease কারণ 

• বংশগত কারণই হলো এই রোগের প্রধান কারণ 

• রক্তের সম্পর্কের মধ্যে বিবাহ হলে তাদের বংশধরদের এই রোগ বেশি হতে দেখা যায় 

• থাইরয়েড গ্ৰন্থির কম ক্ষরণ 

• শরীরে ফ্যাট ও প্রোটিনের ঘাটতি 

• চর্মের অপুষ্টি প্রভৃতি থেকেও এই রোগ হয়



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• পায়ের গোড়ালি অধিক পরিমাণে ফাটে 

• পুরুষদের বেশি হয়

• পায়ের গোড়ালির উপর হতে হাটুর পিছন দিক পর্যন্ত পেশীতে ফাটা ফাটা চাকা চাকা দাগ থাকে 

• চামড়া শুকনো ও খসখসে হয় 

• অনেকের হাত ও ঠোঁট 

• অনেকের গাল সর্বত্র ফাটতে শুরু করে

• গ্রীষ্মকালে এই সব রোগ কম হয় 

• শীতকালে বেশি হতে দেখা যায় 

• Ichthyosis রোগে শরীরের খুব হালকা ছোপ থাকে যা সহজে বোঝা যায় না

• তবে পায়ের অংশে ঐ ছোপ প্রকট হয়

• চামড়ার ভাঁজ 

• চামড়ার কনুই

• চামড়ার হাঁটু 

• মুখমন্ডল ও মাথাও এই রোগের হাত থেকে রেহাই পায় 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

১. গ্লিসারিন ও সরিষার তেল মাখা ভালো 

২. বারোমাস গ্লিসারিন সাবান মাখা দরকার 

৩. ভালো কোম্পানির কসমেটিকস ক্রিম বা জেল ব্যবহার করা ভালো 

৪. চামড়ার ধুলো ময়লা যাতে না জমতে পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে 


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



How to use Depression: ব্যবহার, বিবরণ, কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

 

How to use Depression

Description of the disease বিবরণ

যদি কোন মানুষ তার কৃতকর্মের তুলনায় অনেক বেশি ব্যর্থতা বা নৈরাশ্যে ভোগে তখন তাকে মানসিক অবসন্নতা বলা হয়। প্রতিটি মানুষ নির্দিষ্ট পরিমাণ নৈরাশ্য বা ক্রোধ ধারণের উপযুক্ত।

 কিন্তু এক্ষেত্রে মস্তিষ্কের লিম্বিক তন্ত্রের সাইন্যাপস অংশে স্নায়ুর গ্ৰাহক ও প্রেরক অস্বাভাবিক ক্রিয়ার ফলে উল্টো ঘটনা ঘটে। 

আক্রান্ত তন্ত্র স্নায়ু তন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণে বয়স ৩০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ পুরুষদের তুলনায় মহিলারা একটু বেশি এই রোগে আক্রান্ত হন।



Causes of the disease কারণ

• নিউরোট্রান্সমিটার ক্ষতিকারক সংযোগসাধনে এই রোগ হয় 

• নিউরোট্রান্সমিটারের অত্যধিক ভাঙ্গন বা বিপাক কার্যের ফলে 

• সাইন্যাপসে রাসায়নিক পদার্থের অত্যধিক ক্ষরণ হয় 

নিউরোট্রান্সমিটারের প্রেরণ ক্ষমতাকে বিকৃত করে দেয় প্রভৃতি বিভিন্ন কারণে এই রোগ হতে দেখা যায়।



Symptoms of the disease লক্ষণ

• রোগী সামান্য থেকে চুড়ান্ত হতাশা বা নৈরাশ্যে ভোগে 

• অক্ষুধা ওজন খুব কমে যাওয়া বা বৃদ্ধি পাওয়া পরিলক্ষিত হয় 

• পরিশ্রমের তুলনায় ক্লান্তি অনেক বেশি হয়

• ঘুম হয় না বা খুব বেশি হয়

• সর্বদা অস্থিরতা অথবা ঝিমানো ভাব থাকে 

• আনন্দ বিষয়ে আনন্দ না পাওয়া 

• যৌনক্ষুধা নষ্ট হওয়া প্রভৃতি ঘটে 

• নিজের মনে সর্বদা অপরাধবোধ বা পাপবোধ জাগে 

• কোন কিছুতে মনঃসংযোগ করতে না পারা 

• স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাওয়া 

• কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে না পারা প্রভৃতি ঘটে 

• অবসন্নতা চরম পর্যায়ে পৌঁছালে রোগীর আত্মহত্যা প্রবণতা বেড়ে যায় 

• এবং অনেক আত্মহত্যার ঘটনাও এভাবে ঘটতে দেখা গেছে 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• রোগীকে সর্বদা নজরে রাখতে হবে 

• সাইকোথেরাপি প্রয়োজন হলে তার ব্যবস্থা করতে হবে 

• রোগীর সাথে তাঁর ব্যক্তিগত সমস্যা 

• সামাজিক সমস্যা 

• আত্মহত্যার প্রবণতা সম্পর্কিত প্রভৃতি সম্বন্ধে খোলাখুলি আলোচনা করতে হবে 

• রোগীকে সাহস দিতে হবে যে

• তিনি খুব শীঘ্রই সকল সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারবেন

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।


How to use Hysteria: কারণ, লক্ষণ, ও চিকিৎসা

 

How to use Hysteria


বিবরণ

যখন কোন রোগী অনিচ্ছাকৃত ভাবে নিজের অবচেতন মনের প্রভাবে প্রভাবান্বিত হয়ে অসুখের লক্ষণ প্রকাশ করে, যেগুলো তার জীবনের স্বার্থসিদ্ধিতে সাহায্য করবে অথচ শরীরের কোন 

রোগ নয়, তাকেই মূর্চ্ছা-বায়ুরোগ বা হিস্টিরিয়া বলে। স্নায়ু তন্ত্র এই রোগের দ্ধারা আক্রান্ত হয়। ১৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যেই এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়। পুরুষদের চেয়ে মহিলারা দ্বিগুণ হারে এই রোগে আক্রান্ত হন।



Reason কারণ 

এই রোগ পরিবেশের প্রভাবেই বেশি হয়। যে সমস্ত শিশু বা কিশোরদের অত্যধিক আদর যত্ন করা হয় এবং অধিক বয়স পর্যন্ত অভিভাবকদের আজ্ঞাবহ করে রাখা হয় তারা

 পরবর্তীকালে রূঢ় বাস্তবের সম্মুখীন হলে, দ্বিধাগ্ৰস্ত হয়ে পরে এবং তার থেকে রেহাই পেতে অচেতন ভাবে হিস্টিরিয়া লক্ষণ

 প্রকাশ করে থাকে। অত্যধিক যৌনাকাঙ্ক্ষা এবং তা নিবৃত্তির বা পুরণের কোন উপায় না পেয়ে এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ করে থাকে বলে ধারণা করা হয়।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• হঠাৎ করে কাউকে চিনতে না পারার বা দেখতে না পাওয়া লক্ষণ প্রকাশ পায়

• হঠাৎ বধিরতার সৃষ্টি হয়

• কোনো কিছুই শুনতে পায় না

• হাত বা পায়ের অসাড়তা দেখা যায়

• কথা বন্ধ হয়ে যায়

• মাথার যন্ত্রণার কথা মাঝে মাঝে প্রকাশ করে

• হঠাৎ শিশুর মত আচরণ করতে শুরু করে

• নিজের তারা, সে আমাদেরকে প্রভৃতির মাধ্যমে প্রকাশ করে

• নিজের কথা সব ভুলে যায় 

• নিজের খাওয়া দাওয়া ভুলে যায় 

• চলা ফেরা সম্পূর্ণ বদলে অস্বাভাবিক রকমের হয়

• একটানা বহুক্ষণ ফিট হয়ে থাকে

• কিন্তু প্রস্রাবের পায়খানা সময় নিজেই উঠে পরে 

• অজ্ঞান অবস্থায় চোখে হাত দিলে চোখ পাছড়ায় 

• অনেক সময় সামান্য খেচুনির লক্ষণও দেখা যায়



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১. রোগীকে শিক্ষামূলক বই পত্র পড়তে দিতে হবে।

২. মানসিক শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করতে হবে।

৩. রোগীর যে আত্মীয়স্বজন বা বন্ধু বান্ধবকে পছন্দ করেন না বা এড়িয়ে চলতে চান।

৪. তাদের রোগীর কাছে যাওয়া চলবে না।

৫. মুক্ত বাতাসে ভ্রমণ হিতকর 

৬. বসবাসের ঘর হবে নির্জন এবং আলোকোজ্জ্বল।




How to use Ethambutol: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা

 

How to use Ethambutol


ইহা যক্ষ্মা বীজাণু Mycobacterium Tuberculosis ধ্বংস কারী ওষুধ। ইহা কেবল মাত্র এই বীজাণুর উপর সক্রিয়। এই ওষুধ পৌষ্টিক তন্ত্রে থেকে শোষিত হয়। ইহা দ্রুত শোষিত হয় 

এবং শরীরের অধিকাংশ কলাকোষে এবং তরল অংশে ছড়িয়ে পড়ে। গ্ৰহণের দুই থেকে চার ঘণ্টার মধ্যে ইহা রক্তরসে সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয় এবং ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়।ইহার মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয় এবং মলের মাধ্যমে নির্গত হয়।



ব্যবহার (Uses)

যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা এবং পুনঃচিকিৎসা জন্য অন্যান্য যক্ষ্মা বীজাণু ধ্বংস কারী ওষুধের সাথে ব্যবহার করা হয়।



মাত্রা (Dosage)

কেবলমাত্র বয়স্কদের ৮০০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দুপুরে খাবার পর দেওয়াই ভালো। রোগীর ওজন ৫০ কেজির কম হলে ৬০০ মিগ্ৰা দিনে একবার দিতে হবে। পুরোনো রোগীর পুনঃ চিকিৎসা ক্ষেত্রে ১০০০ মিগ্ৰা দিনে ১ থেকে ২ মাস দিতে হয়,



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (Side Effects)

• মাথা ঘোরা 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• চুলকানি 

• পেটের গন্ডগোল প্রভৃতি হতে পারে 

• এছাড়া চক্ষু স্নায়ুর প্রদান 

• গেঁটে বাত 

প্রান্তস্থ স্নায়ুর প্রদান প্রভৃতি হতে পারে 



আন্তঃবিক্রিয়া 

অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড মিশ্রিত অ্যান্টাসিডের সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে শোষণ কম হয়।



সাবধানতা 

• চক্ষু স্নায়ুর প্রদান থাকলে ব্যবহার নিষিদ্ধ

• গর্ভবতী মহিলা এবং স্তন্যদানকারী মায়েদের জরুরী প্রয়োজন সাবধানতা অবলম্বন করে ব্যবহার করতে পারেন 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন


How to use Cefazolin: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা

How to use Cefazolin


 ভূমিকা 

সেফালোস্পোরিনের সংযোগসাধনে প্রস্তুত ইঞ্জেকশন মাধ্যমে ব্যবহার করার বহু ব্যাপক জীবাণু নাশক ওষুধ। ইহা জল, স্যালাইন প্রভৃতি সহজ দ্রাব্য। ইহা স্ট্রেপটোকক্বাস, স্ট্যাফাইলোকক্বাস, নিউমোকক্বি, ঈ-কোলি, প্রোটিয়াস 

মাইরাবিলিস, হেমোফিলাস প্রভৃতি বীজাণুদের উপর অধিক সক্রিয়। এছাড়া বি. অ্যানথ্রসিজ সি. ডিপথেরিয়া বি. পারটুসিস স্যালমোনেল্লা, সিগেল্লা প্রভৃতি বীজাণুদের ও সেফাজোলিন ধ্বংস করতে সক্ষম।

এই ওষুধ পেশিতে ব্যবহার করলে এক থেকে দুই ঘন্টা এবং শিরাপথে দিলে রক্তরসে সর্বোচ্চ মাত্রায় পরিলক্ষিত হয়। দ্রুত শরীরের বিভিন্ন কলাকোষে ব্যাপৃত হয়।

• পিত্তথলি ও পিত্তরস 

• অস্থি ও সন্ধি

• হৃদপিণ্ড

• পৌষ্টিক তন্ত্রে 

• কিডনি 

• মূত্রাশয় ও তৎসংলগ্ন মন্তব্যসমূহে

• মধ্যকর্ণ

• গর্ভফুল

• চর্ম ও শ্লৈষ্মিক

• ঝিল্লী

• শ্বাসযন্ত্রের প্রভৃতি অংশে ব্যাপকভাবে ব্যাপৃত হয়

ফলে সকল অংশের সংক্রমণে খুব ভালো ফল দেয়। প্রায় অপরিবর্তিত অবস্থায় মূত্রের মাধ্যমে দেহের বাইরে নির্গত হয়।



ব্যবহার

এই ইঞ্জেকশন অস্ত্রো পচারের পূর্বে বা পরেই বেশি ব্যবহার করা হয়।

শ্বাসযন্ত্র 

• মূত্রযন্ত্র

• জননতন্ত্র 

• যৌনাঙ্গ 

• পৌষ্টিক তন্ত্র 

অস্থি ও সন্ধি এবং উদরগহ্বরের যে কোন মারাত্মক সংক্রমণ এই ইঞ্জেকশন ব্যবহার করা হয়। রক্তদুষ্টি ও হৃদঝিল্লীর প্রদাহে এই ওষুধ খুব ভালো ফল দেয়।

অ্যামাইনো গ্লাইকোসাইড ও মেট্রোনাইডাজোলের সাথে ব্যবহার উপযোগী এই ওষুধ সকল প্রকার অস্ত্রোপচারের পূর্বে বা পরে ব্যবহার করা হয়। 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (Side Effects)

এই ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া খুব কমই দেখা যায়। ইন্ট্রামসস্কুলার ব্যবহারে পেশির প্রদাহ এবং  ইন্ট্রাভেনাস ব্যবহার শিরার প্রদান হতে পারে। এছাড়া।

• জ্বর ভাব 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• লিউকোপেনিয়া 

• নিউট্রোপেনিয়া 

থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া প্রভৃতি হতে দেখা যায়



আন্তঃবিক্রিয়া

• ফ্রুসেমাইড

• প্রোবেনেসিড

• অ্যাসপিরিন প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া হয়

• ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায় 



সাবধানতা

গর্ভবতী মহিলা স্তন্যদানকারী মাতার এবং ১ মাসের নিচের শিশুদের এই ইঞ্জেকশন দেওয়া নিষিদ্ধ।

পেনিসিলিয়াম ও সেফালোস্পোরিনে অ্যালার্জি থাকলে ও এই ইঞ্জেকশন দেওয়া চলবে না।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।



Cefotaxime injection: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা

 

Cefotaxime injection


Cefotaxime injection কী?

ইহা সেফালোস্পোরিন গ্ৰুপের একটি বহু ব্যাপক বীজাণু নাশক ওষুধ যা কেবলমাত্র ইঞ্জেকশন মাধ্যমে শরীরের প্রবেশ করানো হয়। ইহা স্ট্যাফাইলোকক্বাস অরিয়াস, স্ট্যাফাইলোকক্বাস এপিডারমিস, স্ট্রেপটোকক্বাস পাইযোজিনেস, স্ট্রেপটোকক্বাস 

নিউমোনিয়া, প্রভৃতি গ্ৰাম-পজিটিভ বীজাণু এবং হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা, ঈসচেরেচিয়া কোলি, স্যালমোনেল্লা স্পেসিজ, সিগেল্লা, নেইস্যেরিয়া, সিউডোমোনাস প্রভৃতি গ্ৰাম-নেগেটিভ ও ব্যাকটেরিয়াদের উপর সক্রিয়।

ইহা পুশ করার ৩০ থেকে ৪৫ মিনিটের মধ্যে রক্তরসে সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। ইহা শরীরের প্রায় সকল কলাকোষে এবং সকল তরল অংশে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। ইহার প্রায় অপরিবর্তিত ও পাচিত অবস্থায় মূত্রের সহিত নির্গত হয়। মলের সাথে নির্গত হয়। এই ওষুধ স্তনদুগ্ধের সাথে ও সামন্য পরিমাণে নির্গত হয়।



ব্যবহার (Uses)

1. রক্তে ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি

2. রক্তদুষ্টি

3. হৃদঝিল্লীর প্রদাহ

4. মেনিনজাইটিস

5. পেরিটোনাইটিস

6. যকৃত ও পিত্তথলির সংক্রমণ

7. নিউমোনিয়া

8. ব্রঙ্কোনিউমোনিয়া

9. ব্রঙ্কাইটিস 

10. ফুসফুসের ক্ষত 

11. প্লুরাতে পূজ জমা 

12. অস্থির সংক্রমণ

13. মূত্রযন্ত্রের পীড়া 

14. চর্মের মারাত্মক সংক্রমণ 

15. পোড়া ক্ষতের মারাত্মক সংক্রমণ 

16. সংক্রমণ জনিত স্ত্রীরোগ

17. অস্ত্রোপচার জনিত সংক্রমণ

গণোরিয়া ক্ষত প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়।



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (Side Effects)

হালকা কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়, যেমন: 

• বমি ভাব 

• বমি 

• আমবাত 

• জ্বর ভাব 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• পেশিতে পুশ করার পর সেই স্থানে প্রদাহ প্রভৃতি হতে দেখা যায়

• রক্তের SGOT বৃদ্ধি পায়

• রক্তে শ্বেত কণিকার হ্রাস প্রাপ্তি অর্থাৎ লিউকোপেনিয়া 

রক্তে অনুচক্রিকার পরিমাণ হ্রাস পাওয়া অর্থাৎ থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া প্রভৃতি ঘটে।



আন্তঃবিক্রিয়া

জেন্টামাইসিন

• অ্যামিকাসিন 

প্রভৃতির সাথে একসাথে প্রয়োগ করলে কিডনির বিষাক্ততা (Nephrotoxicity) বেড়ে যায়।



সাবধানতা

মত্রাবরোধে গর্ভাবস্থায় স্তন্যদানকালে ব্যবহার নিষিদ্ধ।

• যে কোনো মৌখিক সেফালোস্পোরিনে অ্যালার্জি থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।

• বৃহদান্ত্রের ক্ষত রোগে এই ইঞ্জেকশন ব্যবহার না করাই ভালো।


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।





How to Use Amikacin Usage


 ইহা অ্যামাইনো গ্লাইকোসাইড গ্ৰুপের একটি বীজানুনাশক ঔষধ ইহা ক্যানামাইসিন এ হইতে সংযযোগসাধনে প্রস্তুত করা হয় ইহা অনেক গুলি গ্ৰাম পজেটিভ এবং গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর সক্রিয় হয় প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর দারুন সক্রিয় হয় স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস সহ কিছু গ্ৰাম পজিটিভ বীজাণু যা পেনিসিলিয়ামে ধ্বংস হয় না তাদের অ্যামিকাসিন ধ্বংস করতে সক্ষম অ্যামিকাসিন সাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিসের উপর দারুন ভাবে সক্রিয় 

ইন্ট্রাভেনাস পথে ব্যবহারের শেষে ইহা রক্ত রসে সর্বোচ্চ মাত্রায় থাকে ইহা শরীরের সকল প্রকার কলাকোষ এবং তরল অংশে যাথা সেরিব্রোস্পাইন্যাল ফ্লুইড অ্যামনাইওটিক ফ্লুইড পেরিটোনিয়্যাল ফ্লুইড প্রভৃতি অংশে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে গ্রহণের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৯৪% থেকে ৯৮% অপরিবর্তিত ভাবে মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয় 

ব্যবহার রক্তে ব্যাকটেরিয়া উপস্থিতি রক্ত দৃষ্টির শ্বাসযন্ত্রে মাঝারি থেকে মারাত্মক সংক্রমণ অস্থি ও সন্ধির সংক্রমণ চর্মের বীজাণু ঘঠিত পীড়া ও পোড়া বা পোড়াজনিত অস্ত্রোপচার জনিত সংক্রমণ মেনিনজাইটিস পেরিটোনাইটিস অ্যাকিউট ও ক্রনিক এবং সরল ও জটিল মূত্র যন্ত্রের পীড়া পৌষ্টিকতন্ত্রের পীড়া প্রকৃতিতে ব্যবহার করা হয় 

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া প্রস্রাবে সেল কাস্ট প্রভৃতি নির্গত হয় মূত্রের স্পেসিফিক গ্ৰ্যাভিটি কমে যায় হালকা জ্বর মাথা ধরা কান ভোঁ ভোঁ করা বধিরতি হাত পা কাঁপা চমের উদ্ভিদ বমি ভাব বা বমি প্রভৃতি কোন কোন রোগীর হতে দেখা যায়।

আন্তঃবিক্রিয়া অ্যামফোটারিসিন অ্যামম্পিসিলিন ক্লোরোথায়াজাইড এরিথ্রো মাইসিন হেপারিন নাইট্রোফুরাইটোইন ফিনাইটোইন সালফাডায়াজাইন কাবেরনিসিলিন প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ঘটে ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায় 

অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইডে অ্যালার্জি থাকলে ব্যবহার নিষিদ্ধ গর্ভবতী মহিলাদের জরুরী প্রয়োজনে ব্যবহার নিষিদ্ধ এই ঔষধ অন্য কোন ঔষধের সাথে একত্রে মিশিয়ে পুশ করা চলবে না 

এই আর্টিকেলটি করে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন