How to use Scabies: রোগের কারণ, রোগের লক্ষণ

 

How to use Scabies

বিবরণ 

এটি একটি পরাশ্রয়ী কীটঘটিত রোগ। আক্রান্ত তন্ত্র ত্বক ও বহিঃক্ষরা গ্ৰন্থি। আক্রমণে বয়স শিশুদেরই এই রোগ বেশি হয়। তবে সব বয়সেই হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা এবং পুরুষদের এই রোগা সমানভাবে হতে দেখা যায়।



Causes of the disease কারণ 

• আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে থাকলে এই রোগাক্রমণ ঘটে 

• এছাড়া শরীরে এই কীট থাকলে কোনো স্থানের ক্ষত সৃষ্টি হলেই এরা সেখানে আক্রমণ করে এবং ক্ষত নিরাময়ে ব্যাঘাত ঘটায় 

• এই কীট সুস্থ চামড়ায় আক্রমণের পর সেখানে গর্ত করে বাসা বেঁধে এবং বংশবিস্তার করে 

• এর ফলেই ঐ অংশের ক্ষতির সৃষ্টি হয়। 

• এই ক্ষতে জীবাণু ও দূষণ ঘটলে তা আরও মারাত্মক হয়ে যায় 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• প্রথমে চর্মে ছোট ছোট এবং ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্ত উদ্ভিদ বের হয় এগুলি চুলকায় 

• পরে এতে পুঁজ জমে এবং ক্ষতের সৃষ্টি হয় 

• এই পুঁজ সুস্থ চামড়ায় লাগলে সেখানেও একইভাবে রোগের সৃষ্টি হয়

• উদ্ভেদ কখনো কখনো বড় ফাস্কার ন্যায় হয় এবং তাতে প্রচন্ড যন্ত্রণা হয় 

• পরে তা গেল ক্ষতের সৃষ্টি হয় 

• এই রোগ হতে ও পায়ের আঙ্গুলের 

• পায়ের ফাঁক 

• হাতের কব্জি 

• পায়ের কনুই 

• বগল 

• পায়ের পাছা 

• অগুকোষ এবং কখনো কখনো বুক ও পেটের হতে দেখা যায় 

• কখনো কখনো পায়ে হতে দেখা যায় 

• মুখ মন্ডল বা মাথায় এই রোগ হয় না 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• নিয়ম মাফিক চিকিৎসা করলে এই রোগ সহজেই সেরে যায় 

• কিন্তু চিকিৎসা এলোমেলো হলে বহুদিন রোগে ভুগতে হয় 

• এই রোগে চিকিৎসা পরিবারের সকল রোগাক্রান্ত ব্যক্তির একসাথে করা উচিত 

• নতুবা পুনরাক্রমণের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায় না 

• রোগ সারার সাথে সাথে সমস্ত বিছানা পত্র পোষাক পরিচ্ছদ এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের জিনিসপত্র ভালোভাবে সামান দ্বারা ধৌত কারণ করা দরকার 

• তিক্ত খাবার 

• যেমন নিমপাতা 

• পটলপাতা 

• উচ্ছে 

• করলা প্রভৃতি খাওয়া ভালো 

• রোগ সারার পরে চাউলমুগরার তেল গায়ে মাখলে রোগের পুনরাক্রমণ থেকে রেহাই পাওয়া যায় 


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



How to use Mastitis: রোগের কারণ, রোগের লক্ষণ, আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Mastitis

বিবরণ 

স্তনে বিভিন্ন উপসর্গ সৃষ্টি হওয়া সহ যন্ত্রণা হওয়াকে স্তনের প্রদাহ বা Mastitis বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র ত্বক, বহিঃক্ষরা গ্ৰন্থি, এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়

আক্রমণের বয়স ১৪ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে এই রোগ হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ কেবলমাত্র মহিলাদেরই এই রোগ হয়।



Causes of the disease কারণ 

ফোঁড়া বা অন্যান্য ক্ষত থেকে বীজাণু সংক্রমণ হয়ে, গর্ভপাতের পর বা প্রসবের পর দুগ্ধস্রাবী নালীর (Lactiferous Duets) অপরোধের দারুণ অথবা শিশুকে স্তন্যপান না করানোর ফলে দুধ 

স্তনের মধ্যে জমে থাকা ক্রমশঃ পুঁজে পরিনত হয়। ও প্রদাহের সৃষ্টি করে। এছাড়া অনেক মহিলার হর্মোনের গন্ডগোলজনিত কারণে প্রত্যেকবার ঋতু শুরুর আগে স্তনের যন্ত্রনা হয়।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• স্তন ফুলে ওঠা 

• লালাভ এবং শক্ত হয়ে যায় 

• মাঝে মাঝে স্তনে মাংসপিণ্ড 

• বা দলাদলা অনুভূতি হয় 

• যন্ত্রণা এবং আড়ষ্ট ব্যথা হয় 

• অধিকাংশ ক্ষেত্রে একটি স্তনেই এই রোগ হয় 

• তবে দুটোতে ও হতে পারে 

• দুধের পরিবর্তে গাঢ় পূজ নির্গত হয় 

• কখনো কখনো স্তনবৃন্তের পাশে কোনো স্থান ফেটে পূজ বের হয় 

• ক্ষতের সৃষ্টি হতে পারে 

• হর্মোনের গন্ডগোল থেকে হলে স্তন খুব ফুলে উঠে এবং বড় হয়ে যায় 

• এবং ঋতু শুরুর আগেই যন্ত্রণা হতে পারে



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• স্তনের ক্ষত বা ফোঁড়া হলে শিশুদের স্তন্য পান করতে দেওয়া বন্ধ রাখতে হবে।

• মৃগ মুসুর ডাল খাওয়া বা বেঁটে স্তনে প্রলেপ দেওয়া ভালো।

• পুঁই পাতা থেঁতো করে স্তনে প্রলেপ দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়।


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।


How to use Chloroquine phosphate: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, আন্তঃবিক্রিয়া

 

How to use Chloroquine phosphate

Chloroquine phosphate কী?

ইহা জলে দ্রবণীয়, তিক্ত আস্বাদ বিশিষ্ট সাদা রঙের পাওডার। ইহা মানুষের শরীরের যে কোনো স্থানে বসবাস কারীর ম্যালেরিয়া জীবাণুদের ধ্বংস করে দেয়, কেবলমাত্র যকৃতে অবস্থানকারী

প্যারাসাইটদের উপর কোন প্রভাব ফেলতে পারে না। ইহা চার প্রকার ম্যালেরিয়া প্যারাসাইটদের উপর সক্রিয় সেগুলি হল

পি. ভাইভ্যাক্স 

• পি. ওয়েল

• পি. ম্যালেহ্যরী 

• পি. ফ্যালসিপেরাম 

এছাড়া এই ঔষধের এন্টামিবা হিস্টোলাইটিকা জিয়ার্ডিয়া মাইক্রো ব্যাকটেরিয়াল লেপ্রী প্রভৃতির উপর যথেষ্ট প্রভাব আছে। 

এছাড়া এই ঔষধের প্রদান নিবারণী পেশীর আক্ষেপ নিবারণী অ্যালার্জি দমনকারী ক্ষমতা বিদ্যমান। এই রসায়ন পৌষ্টিক তন্ত্রে থেকে দ্রুত এবং সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়

ইহা দ্রুত সমস্ত কলাকোষে পৌঁছে যায়। ইহা যকৃত, প্লীহা, ফুসফুসের ও কিডনিতে বেশি সময় স্থায়ী হয়। এই রসায়ন মলের সাথে এবং প্রস্রাবের সাথে অপরিবর্তিত অবস্থায় নির্গত হয়।



ব্যবহার (Uses)

• ম্যালেরিয়া 

• অ্যামিবিয়াসিস 

• রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস 

• কুষ্ঠের বিষক্রিয়া 

• চর্মের ক্ষয়রোগ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side Effects

• বমি 

• বমিভাব 

• উদরাময় 

• পেটের ব্যথা 

• পেটের যন্ত্রণা 

• মাথার যন্ত্রণা 

• চুল ওঠা 

• চর্মের উদ্ভিদ 

• প্রুরিটাস 

• চক্ষুর জ্বালা 

• চোখের দৃষ্টি অস্বচ্ছ হওয়া 

• কান ভো ভো করা 

নখের নীচে নীলচে কাল দাগ প্রভৃতি দেখা যায়।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• অ্যান্টাসিড 

• ফিনাইলবিউটাজোল

• নিওস্টিগমিন

• পাইবিডোস্টি গমিন 

• অ্যাম্পিসিলিন 

• সিমেটিডিন 

প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।



সাবধানতা অবলম্বনের

• গর্ভবতী মহিলাদের স্বল্পমাত্রায় এবং সাবধানতা সহকারে ব্যবহার করতে হয়।

• চক্ষুর মারাত্মক রোগে ব্যবহার নিষিদ্ধ।

• মৃগী রোগ ও স্নায়ুর পীড়ায় ব্যবহার নিষিদ্ধ 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।


How to use Ampicillin Tablet: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, সাবধানতা

 

How to use Ampicillin Tablet

ভূমিকা

অ্যাম্পিসিলিন অ্যামাইনো পেনিসিলিনের সংযোগ সাধনে (Semi Synthesis) প্রস্তুত হয়। একটি বহু ব্যাপক (Broad Spectrum) বীজাণুনাশক ওষুধ। ইহা স্ট্রেপটোকক্বাস, স্ট্যাফাইলোকক্বাস, ব্যাসিলাস অ্যানথ্রসিজ (B. Anthracis),

প্রভৃতি গ্ৰাম-পজিটিভ বীজাণু এবং এন. গণোরিয়া (N. Gonorrhoeae), এন মেনিনজাইটিস, ক্লেবসিয়েল্লা, প্রোটিয়াস মাইরাবিলিস প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর সক্রিয়।

তবে ভাইরাস, ছত্রাক ও পরজীবীদের উপর এর কোন ক্রিয়া নাই। এই ওষুধ খালি পেটে অথবা খাবার দু'ঘণ্টা পর খেলে 60 থেকে 70 শতাংশ পাকস্থলী থেকেই শোষিত হয়ে থাকে। 

ইঞ্জেকশন ওষুধ সম্পূর্ণ রূপে শোষিত হয়। মুখে খাবার ওষুধ 1 থেকে 2 ঘন্টার সর্বোচ্চ মাত্রায় রক্তের উপস্থিত হয়। ইঞ্জেকশন ওষুধ আরও কম সময়ে এবং অধিক মাত্রায় উপস্থিত হয়।

4 ঘন্টা যাবৎ ইহা রক্তে থাকে। এছাড়া অ্যাম্পিসিলিন শরীরের সমস্ত কলা কোষের সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে। মুখের ওষুধের 30 শতাংশ এবং।

ইঞ্জেকশন ঔষুধের মধ্যে মূত্রের মাধ্যমে দেহের বাইরে নির্গত হয়। অ্যাম্পিসিলিন ওষুধ গর্ভফুল ভেদ করে প্রবেশ করে এবং সঙ্গে নির্গত হয়ে তবে গর্ভস্থ ভ্রুণ স্তন্যদানকারী শিশুর কোন ও ক্ষতি করে না।



ব্যবহার (Uses)

• ব্রঙ্কাইটিস 

• নিউমোনিয়া 

• সহ সকল প্রকার শ্বাসযন্ত্রের পীড়া 

• নাক 

• কান ও গলার রোগ 

• ফ্যারিংজাইটিস 

• ল্যারিংজাইটিস 

• টনসিলাইটিস 

• সাইনুসাইটিস

ওটাইটিস মিডিয়া প্রভৃতি রোগে ব্যবহার করা হয়

• উদরাময় 

• রক্তামাশয় প্রভূতিতে এর ইঞ্জেকশন ওষুধ ভালো ফল দেয় 

• টাইফয়েড 

• প্যারাটাইফয়েড 

• রক্তদুষ্টি 

• মেনিনজাইটিস 

• এন্ডোকার্ডাইটিস প্রভূতিতে ব্যবহার করা হয় 

গর্ভবতী মহিলাদের প্রস্রাবের পীড়া গণোরিয়া ঘটিত সংক্রামক প্রভূতিতে ও ব্যবহার করার আগে ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন। 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (Side Effects)

• পেনিসিলিয়ামে অ্যালার্জি থাকলে চর্মে উদ্ভেদ বের হওয়া 

• আমবাত 

• চুলকানি 

• বুক ধড়ফড় করা 

• খিঁচুনি প্রভৃতি হতে পারে 

• পাতলা পায়খানা 

• গা বমি ভাব 

• রক্তাল্পতা 

• ইওসিনোফিলিয়া

• লিউকোপেনিয়া প্রভৃতি হতে পারে 

যদি গুরুতর কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায় দ্রুত ডাক্তার বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। 



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• টেট্রাসাইক্লিন 

• এরিথ্রোমাইসিন 

• অ্যালুপুরিনল 

• ক্ল্যাভিউলুনিক অ্যাসিড 

প্রভূতির সাথে বিক্রিয়া ঘটে এবং কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়।



সাবধানতা অবলম্বনের 

• গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মহিলাদের নিম্নমাত্রায় প্রয়োগ করতে হবে।

• পাতলা পায়খানা চলতে থাকলে মুখে খাওয়া যাবে না।

• পেনিসিলিয়ামে অ্যালার্জি থাকলে ব্যবহার নিষিদ্ধ।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমে সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।




How to use in Co-Trimoxazole Tablet: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা

 

How to use in Co-Trimoxazole Tablet

Introduction ভূমিকা 

সালফোনামাইড কম্বিনেশন অর্থাৎ (ট্রাইমেথোপ্রিম, সালফামেথোক্সাজোল) ঔষধ কে কো-ট্রাইমোক্সাজোল বলা হয়। 

ইহা সকল প্রকার গ্ৰাম-পজিটিভ ও গ্ৰাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়াদের উপর সক্রিয়। এই সংযুক্ত রসায়ন বর্ডিটেল্লা পার্টুসিস, ব্রুসেল্লা এবং সাইট্রোব্যাকটার এস পি পি, ঈ-কোলি 

হেমেফিলাস ডুক্রেয়ি, সিগেল্লা, থারসিনিয়া, ভিব্রিও প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ এবং স্ট্রেপটোকক্বাস, স্ট্যাফাইলোকক্বাস, নোকারডিয়া 

লিসটেরিয়া প্রভৃতি গ্ৰাম-পজিটিভ বীজাণুদের উপর দারুন ভাবে সক্রিয়। মুখে খাবার ওষুধ প্রায় সম্পূর্ণরূপে এবং দ্রুত পাকস্থলী থেকে শোষিত হয়। খাদ্য গ্রহণের শোষণের কোন পরিবর্তন ঘটাতে পারে না।

ইহা গ্রহণের এক থেকে দুই ঘন্টার মধ্যে রক্তরসের সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। এই ওষুধ শরীরের সকল অংশে বিস্তার লাভ করে বিশেষত বৃক্ব এবং ফুসফুসের। 

এছাড়া সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড, কফ প্রোস্টেট গ্রন্থির যোনির ক্ষরণ চক্ষুর ভিতরে জলীয় অংশের উপস্থিতি প্রমাণ হয় পঞ্চাশ শতাংশ ট্রাইমেথৈপ্রিম এবং ত্রিরশ শতাংশ সালফামেথোক্সাজোল অপরিবর্তিত অবস্থায় মূত্রর মাধ্যমে নির্গত হয়। 



ব্যবহার (Uses)

• সকল প্রকার মূত্র যন্ত্রের পীড়া

• ব্রঙ্কাইটিস 

• সাইনুসাইটিস 

• নিউমোনিয়া

• হুপিংকাশি সহ সকল প্রকার শ্বাসযন্ত্রের পীড়া 

• গণোরিয়া 

• স্যাঙ্কার 

• ডিম্বাশয়ের প্রদাহ সহ সকল প্রকার জননতন্ত্রের পীড়া 

• নাক

• কান ও গলার রোগ 

• টাইফয়েড 

• কলেরা 

• উদরাময় 

• চর্মের সকল প্রকার বীজাণু ঘটিত পীড়া 

• হাড় ও অস্থিসন্ধির পীড়া প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (Side Effects)

• বমি বা গা বমি ভাব 

• মুখে ঘা 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• আমবাত প্রভৃতি হতে পারে 

• মারাত্মক প্রতিক্রিয়া খুব কমই হয় 

• মাথা ধরা 

• মাথা ঘোরা 

• অবসাদ 

• কান ভো ভো করা 

প্রভৃতি দেখা দিতে পারে গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে ডাক্তারের বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করুন।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• ওয়ার ফারিন

• ফেনাইটোইন

• সাইক্লোস্পোরিন 

• রিফামপিসিন প্রভৃতি সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ঘটে 

ফলে কর্মক্ষমতা কমে যায় এবং বিভিন্ন প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। 



সাবধানতা অবলম্বনের

১. সালফারে অ্যালার্জি থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ 

২. গর্ভবতী মহিলা ও স্তন্যদানকারী মায়েদের এই ওষুধ দেওয়া চলবে না 

৩. অপুষ্টিতে ভুগলে এই ওষুধ ব্যবহার না করাই উচিত 

৪. দেড় মাসের নিচের শিশুদের এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ 

এই আর্টিকালটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।




How to use Fissuring of Skin & Ichthyosis: কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা

 

How to use Fissuring of Skin & Ichthyosis

চর্ম ফাটা এবং ফাটা দাগ: চামড়ার শুষ্কতা দেখা দিয়ে ফাটা ফাটা হয়ে যাওয়াকে Fissuring of Skin বা চর্ম ফাটা বলা হয়।

এছাড়া চামড়ার শুষ্কতা সহ চাকা চাকা ছোপ ছোপ দাগ হতে দেখা যায়। এবং মনে হয় যেম চামড়ার ফাটল ধরেছে, তাকে Ichthyosis বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র ত্বক ও বহিঃক্ষরা তন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয় আক্রমণের বয়স ১ বছর বয়সের পর হতে এই লক্ষণ প্রকাশ পায়। 



Causes of the disease কারণ 

• বংশগত কারণই হলো এই রোগের প্রধান কারণ 

• রক্তের সম্পর্কের মধ্যে বিবাহ হলে তাদের বংশধরদের এই রোগ বেশি হতে দেখা যায় 

• থাইরয়েড গ্ৰন্থির কম ক্ষরণ 

• শরীরে ফ্যাট ও প্রোটিনের ঘাটতি 

• চর্মের অপুষ্টি প্রভৃতি থেকেও এই রোগ হয়



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• পায়ের গোড়ালি অধিক পরিমাণে ফাটে 

• পুরুষদের বেশি হয়

• পায়ের গোড়ালির উপর হতে হাটুর পিছন দিক পর্যন্ত পেশীতে ফাটা ফাটা চাকা চাকা দাগ থাকে 

• চামড়া শুকনো ও খসখসে হয় 

• অনেকের হাত ও ঠোঁট 

• অনেকের গাল সর্বত্র ফাটতে শুরু করে

• গ্রীষ্মকালে এই সব রোগ কম হয় 

• শীতকালে বেশি হতে দেখা যায় 

• Ichthyosis রোগে শরীরের খুব হালকা ছোপ থাকে যা সহজে বোঝা যায় না

• তবে পায়ের অংশে ঐ ছোপ প্রকট হয়

• চামড়ার ভাঁজ 

• চামড়ার কনুই

• চামড়ার হাঁটু 

• মুখমন্ডল ও মাথাও এই রোগের হাত থেকে রেহাই পায় 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

১. গ্লিসারিন ও সরিষার তেল মাখা ভালো 

২. বারোমাস গ্লিসারিন সাবান মাখা দরকার 

৩. ভালো কোম্পানির কসমেটিকস ক্রিম বা জেল ব্যবহার করা ভালো 

৪. চামড়ার ধুলো ময়লা যাতে না জমতে পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে 


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



How to use Depression: ব্যবহার, বিবরণ, কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

 

How to use Depression

Description of the disease বিবরণ

যদি কোন মানুষ তার কৃতকর্মের তুলনায় অনেক বেশি ব্যর্থতা বা নৈরাশ্যে ভোগে তখন তাকে মানসিক অবসন্নতা বলা হয়। প্রতিটি মানুষ নির্দিষ্ট পরিমাণ নৈরাশ্য বা ক্রোধ ধারণের উপযুক্ত।

 কিন্তু এক্ষেত্রে মস্তিষ্কের লিম্বিক তন্ত্রের সাইন্যাপস অংশে স্নায়ুর গ্ৰাহক ও প্রেরক অস্বাভাবিক ক্রিয়ার ফলে উল্টো ঘটনা ঘটে। 

আক্রান্ত তন্ত্র স্নায়ু তন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণে বয়স ৩০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ পুরুষদের তুলনায় মহিলারা একটু বেশি এই রোগে আক্রান্ত হন।



Causes of the disease কারণ

• নিউরোট্রান্সমিটার ক্ষতিকারক সংযোগসাধনে এই রোগ হয় 

• নিউরোট্রান্সমিটারের অত্যধিক ভাঙ্গন বা বিপাক কার্যের ফলে 

• সাইন্যাপসে রাসায়নিক পদার্থের অত্যধিক ক্ষরণ হয় 

নিউরোট্রান্সমিটারের প্রেরণ ক্ষমতাকে বিকৃত করে দেয় প্রভৃতি বিভিন্ন কারণে এই রোগ হতে দেখা যায়।



Symptoms of the disease লক্ষণ

• রোগী সামান্য থেকে চুড়ান্ত হতাশা বা নৈরাশ্যে ভোগে 

• অক্ষুধা ওজন খুব কমে যাওয়া বা বৃদ্ধি পাওয়া পরিলক্ষিত হয় 

• পরিশ্রমের তুলনায় ক্লান্তি অনেক বেশি হয়

• ঘুম হয় না বা খুব বেশি হয়

• সর্বদা অস্থিরতা অথবা ঝিমানো ভাব থাকে 

• আনন্দ বিষয়ে আনন্দ না পাওয়া 

• যৌনক্ষুধা নষ্ট হওয়া প্রভৃতি ঘটে 

• নিজের মনে সর্বদা অপরাধবোধ বা পাপবোধ জাগে 

• কোন কিছুতে মনঃসংযোগ করতে না পারা 

• স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাওয়া 

• কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে না পারা প্রভৃতি ঘটে 

• অবসন্নতা চরম পর্যায়ে পৌঁছালে রোগীর আত্মহত্যা প্রবণতা বেড়ে যায় 

• এবং অনেক আত্মহত্যার ঘটনাও এভাবে ঘটতে দেখা গেছে 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• রোগীকে সর্বদা নজরে রাখতে হবে 

• সাইকোথেরাপি প্রয়োজন হলে তার ব্যবস্থা করতে হবে 

• রোগীর সাথে তাঁর ব্যক্তিগত সমস্যা 

• সামাজিক সমস্যা 

• আত্মহত্যার প্রবণতা সম্পর্কিত প্রভৃতি সম্বন্ধে খোলাখুলি আলোচনা করতে হবে 

• রোগীকে সাহস দিতে হবে যে

• তিনি খুব শীঘ্রই সকল সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারবেন

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।