Symptoms of malaria: কারণ ও লক্ষণ, আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

Symptoms of malaria

ম্যালেরিয়া রোগ কী

ইহা একটি নতুন (Acute) ও পুরোনো (Chronic) পরজীবী সংক্রামণ জনিত রোগ। আক্রান্ত তন্ত্র রক্ত লসিকা ও রোগ প্রতিরোধ তন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।

আক্রমণের বয়স সকল বয়সেই এই রোগাক্রমণ ঘটতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের সমান ভাবে এই রোগ হতে পারে।

রোগ আক্রমণের সময় (Incubation Period) শরীরে রোগ জীবাণু প্রবেশের আট থেকে দশ দিনের মধ্যে রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।



Causes of the disease কারণ 

ম্যালেরিয়া আক্রান্ত ব্যক্তিকে অ্যানোফিলিস (Anopheles) মশা কামড়ালে রক্তের সাথে ম্যালেরিয়া প্যারাসাইট সেই মানব দংশন কারী মশার দেহে আসে এবং সেখানে ঐ প্যারাসাইটরা পূর্ণাঙ্গ প্রাপ্ত হয়।

এই জাতীয় মশা সুস্থ মানুষকে কামড়ালে ঐ প্যারাসাইটরা দংশিত মানুষের দেহে চলে যায় এবং বংশ বিস্তার করে।আক্রান্ত রোগীর রক্ত সুস্থ মানুষকে দিলেও এই রোগ হতে পারে 



জীবাণু সংক্রমিত 

চার ধরনের প্যারাসাইট এই রোগ ঘটায়।

• প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম (Plasmodium Falciparum 

• প্লাজমোডিয়াম ম্যালেরীয়া (Plasmodium malariae)

• প্লাজমোডিয়াম ওভেল (Plasmodium Ovale)

• প্লাজমোডিয়াম ভাইভাক্স (Plasmodium Vivax)



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে 

• অত্যধিক জ্বর হয় 

• ১০৪⁰ থেকে ১০৫⁰ ফাঃ পর্যন্ত জ্বর হতে পারে 

• প্রচন্ড শীত ও কাঁপুনি আধঘন্টা চলতে থাকে 

• কাঁথা কম্বল চাপা দিলেও কাঁপুনি থামে না

• জ্বর যখন সর্বোচ্চ হয় অর্থাৎ ১০৫⁰ থেকে ১০৬⁰ ফাঃ পর্যন্ত ওঠে তখন শীত কমে যায় 

• প্রচন্ড মাথা ব্যাথা, ঘাড়ে যন্ত্রণা, বমি ভাব, অত্যধিক তৃষ্ণা প্রভৃতি চলতে থাকে। এই ভাবে এক থেকে দুই ঘন্টা চলে 

• এরপরে গর্ভাবস্থা আসে। সারাদেহ ঘামে ভিজে যায় এমনকি বিছানাপত্র ও ভিজে যায়। তাপমাত্রা কমতে কমতে জ্বর ছেড়ে যায় 

• প্লাজমোডিয়াম ম্যালেরীয়ি জনিত ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রে ৭২ ঘন্টা পর পর এই আক্রমণ অর্থাৎ জ্বর হয়।

• একে উৎকট ম্যালেরিয়া বা Malignant Tertian Malaria বলা হয় 

• প্লাজমোডিয়াম ভাইভাক্স ঘটিত ম্যালেরিয়ায় আটচল্লিশ ঘণ্টা অন্তর জ্বর আসে 

• একে বিনাইন পারসিয়ান (Benign Tertian) ম্যালেরিয়া বলা হয় 

• রক্তাল্পতা হতে দেখা যায় 

• জন্ডিস হতে পারে চক্ষু ও প্রস্রাব হলুদ হয় 

• ক্ষুধা মন্দা হতে পারে 

• জিভে ময়লা জমা ও ঠোঁটে ঘা প্রভৃতি হয় 

• পায়খানার গন্ডগোল হতে পারে 

• যকৃত ও প্লীহা বৃদ্ধি পায় 

• ফোলে এবং ব্যথা হয় 

• নাড়ীর গতি বৃদ্ধি হয় 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• জ্বর অবস্থায় গরম জলে তোয়ালে ভিজিয়ে সারা গায়ে ভালোভাবে স্পঞ্জিং করা দরকার 

• জ্বর খুব বেড়ে গেলে কপালে জলপট্রি দিতে হবে 

• মাথায় আইস ব্যাগ (Ice Bag) দেবার ব্যবস্থা করতে হবে 

• উত্তাপ অবস্থায় ঢাকা পোষাক খুলে দিতে হবে 

• প্রচন্ড ভাবে ঘাম হতে শুরু করলে অল্প পাখার বাতাস করতে হবে 

• এই সময় পোশাক বা বিছানা ঘামে ভিজে গেলে তা বদলের ব্যবস্থা করতে হবে

• ম্যালেরিয়া রোগীকে সর্বদা ভিটামিন ও প্রোটিন সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাদ্য দিতে হবে 

• হালকা ঝোল, সুসিদ্ধ ভাত, ডাল, শাকসবজি, বিভিন্ন ফলের রস, ডিম, দুধ, প্রভৃতি খেতে দেওয়া ভালো 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।




How to use Myocardial Infarction: আনুষঙ্গিক চিকিৎসা ও লক্ষণ, কারণ

 

How to use Myocardial Infarction

বিবরণ 

হৃদপিন্ডে রক্ত চলাচলের ব্যঘাত জনিত টিস্যুক্ষয়কে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বলা হয়। হৃদপিন্ডের যে কোন অংশে রক্তসরবরাহ হঠাৎ বাধাপ্রাপ্ত হলে এই ঘটনা ঘটে।

আক্রান্ত তন্ত্র হৃদপিন্ড ও রক্তবাহ এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স চল্লিশ বছরের ঊর্দ্ধেই এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়।

আক্রান্ত লিঙ্গ চল্লিশ থেকে পঁয়ষট্টি বছরের মধ্যে পুরুষরাই বেশি এই রোগে আক্রান্ত হয়। পঁয়ষট্টি বছরের উর্দ্ধে স্ত্রী এবং পুরুষ উভয়ের সমান ভাবে আক্রান্ত হন।



Causes of the disease কারণ 

• করোনারি থ্রম্বোসিস অর্থাৎ হৃদপিন্ডের রক্তবহা নালীসমূহে রক্ত জমাট বাঁধা এই রোগের প্রধান কারণ।

• হৃদপিন্ডের ধমনীর আক্ষেপ 

• ধমনী প্রদাহ 

• অক্সিজেন সরবরাহ কম হওয়া 

• কার্বনমনোক্সাইডের বিষক্রিয়া 

• উচ্চ রক্তচাপ 

• মানসিক আঘাত প্রাপ্তি 

• ধূমপান 

প্রভৃতি এই রোগ সৃষ্টিতে সহায়তা করে।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• হঠাৎ বাম দিকের বুকে যন্ত্রণা শুরু হয় 

• ক্রমশ এই যন্ত্রণা বাহু, কাঁধ, পিঠ, চোয়াল ও বাম দিকের পেট পর্যন্ত বিস্তার লাভ করে 

• বুকে চাপ বোধ, মনে হয় ভারি কিছু চাপানো আছে 

• শ্বাস নিতে কষ্ট হয় 

• রক্তচাপ খুব বেড়ে যায় 

• অনেক সময় দেখা যায় রক্তচাপ খুব কমে গেছে 

• মাথার যন্ত্রণা হয় 

• দুর্বলতা 

• আকস্মিক চেতনা লোপ ঘটে 

• বমি ভাব বা বমি হতে পারে 

• থেমে থেমে হৃদস্পন্দন হতে দেখা যায় 

• হৃদপিন্ড অস্বাভাবিক শব্দ হয় (Murmur) হৃদপিন্ডের গতি বেশি হতে পারে (Tachycardia) মৃদু হৃদস্পন্দন হতে পারে 

• নাড়ীর গতি অস্বাভাবিক হয় 

• মুখমণ্ডলের নীলাভ বা ফ্যাকাসে হয় 

• দুশ্চিন্তাগ্ৰস্ত হতে দেখা যায় 

• হঠাৎ অধিক পরিমাণে ঘাম হওয়া 

• হাত ও পা ঠাণ্ডা হওয়া ঘটতে পারে 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• রোগীকে বিশ্রামে রাখতে হবে 

• রোগীর ঘরে কোনরকম ভাবেই গোলমাল করা চলবে না 

• রোগীর সুনিদ্রার ব্যবস্থা করতে হবে 

• রোগী একটু সুস্থ হলে হালকা ও সহজপাচ্য খাদ্য খেতে দেওয়া যাবে 

• লবণ ও ফ্যাট জাতীয় খাবার খাওয়া নিষিদ্ধ 

• রোগী সুস্থ হলে হালকা ব্যায়াম, প্রাতঃভ্রমণ সান্ধ্য ভ্রমণ প্রভৃতি করা ভালো 

• রোগীর মল মূত্র ত্যাগের যাতে না কোনো ব্যাঘাত ঘটে সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



How to use Bell'S palsy: কারণ ও লক্ষণ, আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Bell'S palsy

Description বিবরণ 

মুখমণ্ডলের পেশীসমূহের শিথিলতা বা অসাড়তা এবং তার সঙ্গে ঐ অংশের প্রদাহকে বেলস্ পালসি বলা হয়।

এই রোগ মুখমন্ডলের একদিকেই হয়। আক্রান্ত তন্ত্র স্নায়ুতন্ত্র এই রোগে দ্বারা আক্রান্ত হয়। বংশগত কারণ এই রোগের বংশগত কারণ থাকে।

আক্রমণের বয়স এই রোগ যে কোনো বয়সেই হতে পারে। তবে ত্রিরিশ বছরের পরই এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা ও পুরুষ উভয়ের সমান ভাবে এই রোগ হয়।



Causes of the disease কারণ 

• ঠান্ডা লাগা ও কানে জল ঢোকা প্রভৃতি থেকে ম্যাস্টয়েড গ্ল্যান্ড বা Mastoid Canal এর প্রদাহ হয়ে এই রোগের সৃষ্টি হতে পারে।

হার্পিস জস্টার বা হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস থেকেও এই রোগ হতে পারে যাকে Ramsay Hunt Syndrome বলা হয়।



Symptoms of the disease 

• মুখমণ্ডলের আংশিক এক পার্শ্বিক পেশীর অসাড়তা দেখা যায় 

• এই লক্ষণ হঠাৎ প্রকাশ পেতে পারে অথবা ধীরে ধীরে প্রকাশ পেয়ে থাকে 

• ঐ দিকের পেশীর সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যায় 

• আক্রান্ত দিকের গাল ঝুলে যেতে পারে 

• আক্রান্ত দিকের কানের যন্ত্রণা থাকে 

• আক্রান্ত দিকে চোখের জল শুকিয়ে যায় বা বেশি অশ্রু ঝরে 

• চোখ ফোলে 

• আক্রান্ত দিকের জিহ্বাতে কোনো স্বাদ গ্ৰহণের ক্ষমতা থাকে না 

• মুখ দিয়ে অনবরত লালা ঝরতে পারে 



Adjunctive treatment 

• পুষ্টিকর খাদ্য খেতে হবে 

• হাল্কা ব্যায়াম ও প্রাতঃভ্রমণ উপকারী 

• ভিটামিন B Complex জাতীয় খাদ্য টনিক ওষুধ খাওয়া ও চলবে 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 

How to use in Bangali parkinson's disease: কারণ, লক্ষণ ও আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use in Bangali parkinson's disease

বিবরণ 

স্নায়ুতন্ত্রের অপকর্ম জনিত বিকৃতির ফলে উদ্ভূত রোগ লক্ষণকে পারকিনসনস্ রোগ বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র স্নায়ুতন্ত্র ও পেশী কঙ্কালতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।

বংশগত কারণ শতকরা পাঁচ জনের বংশগত কারণে এই রোগ হয়। আক্রমণের বয়স ষাট বছরের ঊদ্ধেরই এই রোগ বেশি হয়।

তবে একুশ থেকে চল্লিশ বছর বয়সের শতকরা পাঁচ টি রোগী নজরে পড়ে। আক্রান্ত লিঙ্গ পুরুষরাই এই রোগে অধিক আক্রান্ত হন। মহিলাদের একটু কম হয়।



Causes of the disease 

• সঠিক কারণ অজানা 

• অন্যান্য রোগের জীবাণু থেকে স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হয়ে এই রোগ হতে পারে 

• মস্তিষ্কের রক্তবাহের বিভিন্ন রোগ থেকে ব্যাসাল গ্যাংলিয়া আক্রান্ত হলে এই রোগ হতে পারে 

• বিষাক্ত ওষুধ বা কীটনাশক বিশেষতঃ টেট্রাহাইড্রো পাইরিডিন গ্ৰুপের বিষাক্ত পদার্থের বিষাক্ততা থেকে এই রোগ হতে পারে 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• শরীরের একদিকেই অথবা উভয় দিকের কাঁপুনি হতে পারে 

• অকর্মণ্য অমনোযোগী এবং নিদ্রাহীনতা প্রভৃতি লক্ষণ থাকে 

• গলার স্বর ক্ষীণ হওয়া 

• কথা জড়ানো ভাব হওয়া বা কথা আটকে যাওয়া প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায় 

• পেশির কর্ম ক্ষমতা হ্রাস পায় 

• ফলে অঙ্গ সঞ্চালন স্বাভাবিক হয় না 

• চোখ পিটপিট করা বা চোখের পাতা নাচা প্রভৃতি থাকে 

• বুদ্ধি বা স্মৃতি শক্তির হ্রাস ঘটে 

• উঠে দাঁড়াবার ক্ষমতা কমে যায় 

• হাতে কোনো বস্তু চেপে ধরলে প্রচন্ডভাবে হাত কাঁপা, অবসাদ, বাঁকা ভাবে দাঁড়ানো প্রভৃতি ঘটে 

• হাঁটার সময় সম্মুখে ঝুঁকে পড়ার প্রবণতা থাকে 

• যৌন বিকৃতি দেখা যায় 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• রোগীর সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে 

• রোগীর বসার চেয়ার ও খাবার পাত্রাদিসমূহ শয্যা 

• টয়লেট সিট এমনভাবে বানাতে হবে যা রোগীকে সহজ ভাবে ব্যবহার করতে সাহায্য করবে 

• রোগীকে অল্প অল্প করে বারংবার খেতে দিতে হবে 

• প্রোটিন জাতীয় খাদ্য খাওয়ানো কোন বিধি নির্দেশ নেই 

• তরল খাবার ওদিক পরিমাণে খাওয়া ভালো 

• ব্যায়াম ও ম্যাসাজ থেরাপি রোগীর পক্ষে ভালো 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 


How to use Influenza: কারণ ও লক্ষণ, আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Influenza

বিবরণ 

বিশেষ ধরনের ভাইরাসের আক্রমণে নাক, চোখ, গলা ও শ্বাসযন্ত্র, আক্রান্ত হয় এবং ঐ সকল অংশের প্রদাহ সহ জ্বর হওয়াকে সংক্রমণ সর্দি জ্বর বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

আক্রমণের বয়স পাঁচ থেকে ছয় বছর থেকে চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ বছর পর্যন্ত এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়। ৭৫ বছরে উদ্বের এই রোগ হতে দেখা যায়।

আক্রান্ত তন্ত্র শ্বাসতন্ত্রই এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের এই রোগ সমানভাবে হয়। রোগ আক্রমণের সময় দেহে জীবাণু প্রবেশের এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।



Causes of the disease কারণ 

• রোগ সংক্রমিত এলাকায় থাকার ফলে এবং আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে থাকার ফলে Droplet Infection হয়ে এই রোগ সংক্রমিত হয়।

Droplet Infection হলে হাঁচি ও কাশি প্রভৃতির মাধ্যমে জীবাণুর সংক্রামণ হয়।

• অর্থোমিক্সো ভাইরাস Orthomyxovirus টাইপ এ এবং টাইপ বি দ্বারা এই রোগের সৃষ্টি হয়।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• গা হাতে প্রচন্ড যন্ত্রণাসহ তরুণ সর্দিস্রাব 

• কাঁপুনি সহ জ্বর আসা 

• চক্ষু লালাভ হওয়া

• জ্বর ১০৩⁰ ফাঃ থেকে ১০৪⁰ ফাঃ পর্যন্ত হওয়া

• গা হাতের যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাওয়া 

• জ্বর ছেড়ে পুনরায় জ্বর আসে 

• সর্দি গাঢ় হয়ে যায় 

• এবং ফুসফুসে কাশি হয়

• নাড়ীর গতি ও শ্বাসের গতি বেড়ে যায় 

• মাথা যন্ত্রণা ও সাইনাসের প্রদাহ হতে পারে 

• গলায় ঘা হতে পারে 

• মুখে ঘা হতে পারে 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• ইহা সংক্রামক ব্যাধি তাই রোগীর ও সুস্থ মানুষদের পৃথকভাবে থাকার ব্যবস্থা করতে হবে।

• সুস্থ মানুষদের ও তুলসী পাতার রস পান করালে বা ইউ ক্যালিপটাস তেলের ঘ্রাণ নেওয়ালে এই রোগ সংক্রমণ প্রতিহত হয় 

• জ্বর অবস্থায় স্পঞ্জিং করতে হবে এবং জ্বর বাড়লে মাথায় জল দিতে হবে 

• জ্বর থাকাকালীন গরম দুধ, ফলের রস, সাগু, হরলিক্স, কমপ্লান প্রভৃতি দিতে হবে।

• জ্বর ছাড়লে সুসিদ্ধ ভাত ও ঝোল দিতে হবে।


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।






How to use Cerebral Thrombosis: কারণ, লক্ষণ ও আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Cerebral Thrombosis

বিবরণ 

মস্তিষ্কের মধ্যে রক্ত বাঁধার দরুন কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের অস্বাভাবিক সৃষ্টি হওয়াকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র হৃদপিন্ড প্রভৃতি এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।

আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা দের চেয়ে পুরুষের এই রোগ দুই গুণ বেশি হয়। চল্লিশ বছর বয়সের উদ্ধেরই এই রোগ বেশি হয়।



Causes of the disease কারণ 

• অতিরিক্ত নেশা সেবন 

• উচ্চ রক্তচাপ 

• হার্টের পেশীর সঙ্কোচন 

• ডায়াবেটিস 

• অত্যধিক গ্যাস অম্বল 

• হঠাৎ ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়া

• মাথার সরু শিরা ধমনী মধ্যে রক্তচাপ প্রচন্ডভাবে বেড়ে গিয়ে রক্তকে জমাট বাঁধিয়ে দেয়

• সরু জালিকা ফেটে রক্তপাত ঘটায় 



Symptoms of the disease 

• রোগী হঠাৎ চোখে অন্ধকার দেখে 

• মাথা ঘুরে যায় 

• কথা বলতে ও কানে শুনতে অসুবিধা হয় 

• সর্বাঙ্গ অবশ ভাব হয়ে আসে এবং জ্ঞান হারিয়ে ফেলে

• খিচুনি হতে পারে কিছুক্ষণ 

• নাও হতে পারে 

• রোগী তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে থাকে 

• ডাকলে সাড়া দেয় কিন্তু কোন কথা বলতে পারে না 

• হেমিপ্লেজিয়া অর্থাৎ শরীরের অদ্ধাংশের পক্ষাঘাত হতে দেখা যায় 

• এই পক্ষাঘাত মস্তিষ্কের যে দিকে থ্রম্বোসিস হয় ঠিক তার উল্টো দিকে হয় 

• পক্ষাঘাত প্রাপ্ত অঙ্গে অসাড়তার সৃষ্টি হয় 

• সেই দিকের হাত ও পা অসাড় ও শক্ত হয় 

• মুখ ফাঁক হয়ে থাকে 

• অঙ্গ চালানোর ক্ষমতা লোপ পায় 

• আক্রমণের কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন পর জ্ঞান ফিরতে পারে 

• জ্ঞান ফিরলেও পক্ষাঘাত থেকে যায় 

• মাতা যন্তনা ও মাথা ঘোরা চলতেই থাকে 

• আক্রমণের সময় নাক দিয়ে রক্তপাত হতে পারে 

• এটি ভালো লক্ষণ 

• সেরিব্রোস্পাইন্যাল ফ্লুইড বৃদ্ধি পায় 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• ন্যাসো গ্যাস্ট্রিক টিউবের মাধ্যমে খাদ্য খাওয়ানো দরকার। এই নলের মাধ্যমে ফলের রস, গ্লুকোজের জল, দুধ, হরলিক্স, প্রভৃতি দেওয়া যায়।

• পায়খানা স্বাভাবিকভাবে হও জন্য এনিমা ব্যবহার করা চলবে।

• প্রস্রাব ঠিক ভাবে না হলে ক্যাথিটার ব্যবহার করে প্রস্রাব করিয়ে দিতে হবে।

• রোগী একভাবে পড়ে থাকলে তার যাতে বেডসোর Bedsore অর্থাৎ শয্যাক্ষত না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে 

• শরীরে সমস্ত ঘর্ষণ প্রাপ্ত অংশগলি প্রত্যহ স্পিরিট দিয়ে মুছে যে কোন ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করা ভালো 

•শয্যাক্ষত হতে শুরু করলে মাইকোর্ডাম পাওডার ব্যবহার করা ভালো 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।


How to use Tinea Unguim Symptoms of disease: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Tinea Unguim Symptoms of disease

নখের দাদ বিবরণ 

নখে ছত্রাক আক্রমণ জনিত কারণে যে ভঙ্গুরতা সৃষ্টি হয় তাকে Onychomycosis বা নখের দাদ বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র ত্বক ও বহিঃক্ষরা গ্ৰন্থি এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। 

আক্রমণের বয়স আঠারো বছরের পর থেকে এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা ও পুরুষ এই রোগে সমানভাবে আক্রান্ত হয়। 



Causes of the disease কারণ 

• ট্রাইকোফাইটন রুব্রাম 

• ট্রাইকোফাইটন মেটাগ্ৰোফাইটস্ 

• ক্যানডিডা অ্যালবিক্যানস 

• এপিডারমো ফাইটন ফ্লোকোসাম 

• ক্যানডিডা ক্রুশেয়ি 

• অলটারনারিয়া টেনুইস

প্রভৃতি বিভিন্ন প্রজাতির ছত্রাকের আক্রমণে এই রোগ হয় নখের ময়লা জমেই এই সকল ছত্রাক আক্রমণ হয় এবং রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেতে থাকে।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• প্রথমে হাতের যে কোন একটি নখে এই ছত্রাক আক্রমণ ঘটে 

• নখটির ডগায় রঙের বিকৃতি লক্ষ্য করা যায় 

• গোটা নখটির রং বিকৃত হয়ে যায় 

• নখটি কর্কশ ও ভঙ্গুর হয়ে যায় 

• নখটি অল্প আঘাতেই ভেঙ্গে যায় এবং খসে পরে 

• পরে অন্যান্য নখগুলি আক্রান্ত হয় 

• এই রোগ কোনো চুলকানি বা জ্বালা থাকে না 

• তবে নখের নিচের চামড়া আক্রান্ত হলে নখে ব্যথা হয় 



Adjunctive treatment 

• নিয়মিত নখ পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা নিতে হবে।

• নখে কোনো ক্ষার জাতীয় ব্যবহার নিষিদ্ধ।

• জল ও তরল বা যে কোন রাসায়নিক বস্তু আক্রান্ত নখে যাতে বেশি না লাগে সেদিন নজর রাখতে হবে।


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন