How to ``CURE`` Leucorrhoea Or White Discharge: কারণ, লক্ষণ ও আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Leucorrhoea Or White Discharge

সাদাস্রাব বিবরণ 

বিভিন্ন জীবাণু দূষত হয়ে নারীর জনন অঙ্গ থেকে যখন তখন শ্লেষ্মাবৎ স্রাব নিঃসরণকে শ্বেতপ্রদর বা সাদাস্রাব বলা হয়।আক্রান্ত তন্ত্র জননতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। 

আক্রমণের বয়স ১৪ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে এই রোগ হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ কেবলমাত্র মহিলারা এই রোগে আক্রান্ত হয়। 



Causes of the disease কারণ 

• যোনিতে ট্রাইকোমোনা বা মনিলিয়াল জীবাণুর সংক্রমণ ঘটা

• জরায়ুর রোগে ভোগা 

• গনোরিয়া বা সিফিলিস রোগে ভোগা 

• রক্তশূন্যতায় ভোগা 

• ঋতু কালে অপরিস্কার কাপড় চোপড় ব্যবহার 

• যৌনমিলনের শেষে জনন অঙ্গ ভালো ভাবে না ধোয়া 

প্রভৃতি কারণে জীবাণু দূষণ হয়ে এই রোগ হতে পারে।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• জরায়ু গাত্র, জরায়ুর মুখ, জরায়ুগ্ৰীবা, 

• যোনিনালী প্রভৃতি অংশের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লী থেকে সাদা অথবা হলুদভ সাদা রঙের স্রাব নির্গত হয় 

• অনেকের এই স্রাব ঋতু স্রাবের পূর্বে অনেকের ঋতুস্রাবের সাথে সাথে আবার অনেকে ঋতুর স্রাবের পর হয় 

• স্রাবের সময় যোনিতে চুলকানি বা জ্বালা ভাব অনুভূত হয়

• যোনিতে ভেতরে ও বাইরে ঘা হতে পারে 

• যৌনিদ্বার হেজে যাওয়ার ন্যায় হয়ে যায় 

• রোগিনী ক্রমশঃ দুর্বল ও শীর্ণ হয়ে যায় 

• মুখমন্ডল ফ্যাকাসে দেখায়

• চোখের কোলে কালি পড়া 

• গাত্রবর্ণ বিকৃত হওয়া প্রভৃতি লক্ষ্য করা যায় 

• মাথা ঘোরা ও বুক ধড়ফড় করা 

• কোমরে যন্ত্রণা হওয়া ও পেটে ব্যথা যন্ত্রণা হওয়া হাতে এবং পায়ে খিল ধরা প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায় 

• ঋতু নিয়মিত হয় না 

• প্রস্রাবের জ্বালা হতে পারে 

• সর্বদা জ্বর ভাব, খিটখিটে মেজাজ, ক্ষুধা মন্দ, হজমের গোলযোগ প্রভৃতি হতে পারে 

• রোগ মারাত্মক ভাবে বেড়ে গেলে সর্বদা জলের ন্যায় হড়হড়িয়ে অথবা কফের ন্যায় স্রাব যোনিদ্বার দিয়ে ঝরতে থাকে 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• এই রোগিনীদের পুকুরে স্নান করা নিষিদ্ধ।

• যোনিদ্বার ও যোনিনালী সর্বদা পরিষ্কার রাখতে হবে।

• যৌনমিলনের পর যোনিদ্বার ও যোনিনালী ভালো ভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে।

• প্রয়োজনে জল অ্যান্টিসেপটিক লোশন ব্যবহার করতে হবে। 

• ঋতুর সময় ঘরোয়া কাপড় ব্যবহার চলবে না। 

• স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করতে হবে।

• রোগিনীদের ঝাল, মসলা, টক, মাদকদ্রব্য, তামাকু প্রভৃতি সেবন নিষিদ্ধ।

• মিষ্টি ফলের রস, সবুজ শাকসবজি, দুধ, ঘি, চারা পোনা, শিঙ্গি বা মাগুর মাছের ঝোল প্রভৃতি খাওয়া চলবে। 

• চিকিৎসা চলাকালীন রোগিনীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে।

• এই সময়ে যৌন মিলনের ও কিছুক্ষণ বন্ধ রাখতে হবে। 

• বিবাহিতদের স্বামীদের লিঙ্গমুণ্ডে কিছুদিন এক নং লোশন গুলি ব্যবহার করা ভালো। 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।




How to use Ampilox 500 Mg Capsule: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা অবলম্বন

 

How to use Ampilox 500 Mg Capsule

ব্যবহার 

• ব্রঙ্কাইটিস 

• নিউমোনিয়া সহ সকল প্রকার শ্বাসযন্ত্রের পীড়া 

• টনসিলাইটিস 

• ফ্যারিংজাইটিস সহ বিভিন্ন প্রকার গলার রোগ 

• নাক ও কানের সকল প্রকার সংক্রমণ 

• চর্ম ও নরম টিস্যুর সকল প্রকার সংক্রমণ 

• হাড় ও সন্ধির সংক্রমণ 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side Effects 

• পাতলা পায়খানা 

• পেটের অন্যান্য গোলোযোগ 

• আমবাত 

• চুলকানি 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• জ্বর 

• সন্ধি প্রদাহ 

• ইওসিনোফিলিয়া 

• দুশ্চিন্তা 

• অনিদ্রা 

তড়কা প্রভৃতি দেখা দিতে পারে। মাঝে মাঝে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া হতেও দেখা যায়।

গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



আন্তঃবিক্রিয়া 

অ্যালোপুরিনল, ক্লোরামফেনিকল, এরিথ্রোমাইসিন প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ঘটায় কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়।

টেট্রাসাইক্লিনের সঙ্গে এক সাথে ব্যবহার চলবে না। গর্ভনিরোধক বড়ির সাথে আন্তঃবিক্রিয়া হয়ে গর্ভনিরোধক ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।



Precautions সাবধানতা অবলম্বনের 

• পেনিসিলিয়ামে অ্যালার্জি থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।

• জন্ডিস বা তড়কা থাকলে শিশুদের ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• গর্ভাবস্থায় উচ্চমাত্রায় ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• দশ থেকে বারো বছর বয়সে ছেলে ও মেয়ের দেহের এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



How to use Constipation Or Obstipation: কারণ ও লক্ষণ, আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Constipation Or Obstipation

কোষ্ঠকাঠিন্য বিবরণ:

কষ্টকর ও কঠিন মলত্যাগের করাকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলা হয়। এই রোগে একটানা ভুগলে তাকে অবসটিপেশন বলা হয়। 

অবস্টিপেশনে মল নরম থাকে অথচ মলত্যাগের স্বাভাবিক হয় না। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিক তন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।

আক্রমণের বয়স সব বয়সেই এই রোগ হতে পারে তবে বৃদ্ধদের ই এই রোগ বেশি হয়। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের এই সমস্যা বেশি হতে দেখা যায় 



Causes of the disease কারণ 

• তরল খাদ্য কম খাওয়া 

• এমনকি জল খুব কম খাওয়া 

• যকৃতের কাজ স্বাভাবিক না হওয়া 

• ক্রনিক আমাশয় রোগে ভোগা 

• ক্রনিক চর্মরোগ ভোগা 

• অন্ত্রের পেশীর দুর্বলতা 

• ঠিক সময়মতো মলত্যাগের অভ্যাস না করা 

• চা কবি সহ অন্যান্য মল কঠিন কারক খাদ্য বেশি খাওয়া 

• হর্মোন নিঃসরণের গন্ডগোল প্রভৃতি থেকে এই রোগ হয় 

• ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া জনিত কারণ ও এই রোগ হয় 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• মল গুটলে গুটলে হওয়া এবং তা নিগমর্নে অত্যধিক কষ্ট হওয়া এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণ 

• একটানা দুই থেকে চার দিন পায়খানা না হওয়ার পর একদিন সামান্য মলত্যাগ 

• অনেক রোগীর আট থেকে দশ দিন পর্যন্ত কোন মলত্যাগ হয় না 

• মলের রং কালো বা সাদাটে হয় 

• গা বমি ভাব 

• মাথা ধরা 

• ক্ষুধা মন্দা 

• পেটে ভারবোধ 

• জ্বর ভাব প্রভৃতি হতে দেখা যায় 

• অনেক সময় ওষুধ খেলে স্বাভাবিক মলত্যাগ হয় 

• কিন্তু পুনরায় কোষ্ঠকাঠিন্য চলে আসে 

• মলদ্বার ফাটা এবং রক্তপাত ঘটতে পারে 

• অনেক রোগীর মল নরম থাকে কিন্তু সামান্য মলত্যাগ হয় 

• মনে হয় মলাশয়ে অনেক মল জমে আছে 

• শরীরে অস্বস্তিভাব লাগে 

• লেপাবৃত জিহ্বা, খিটখিটে মেজাজ, রক্ত চাপ বৃদ্ধি প্রভৃতি ও হতে পারে 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• সাধারণ ইসবগুলের ভুসি মিছরির জল সহ খেলে ভালো ফল হয়।

• পাকাবেল, পাকা কলা, দুধ, মধু, আম, স্যালাড, সবুজ শাকসবজি, ফলের রস, প্রভৃতি খাওয়া ভালো।

• ছোলা ভেজানো মটর আটার রুটি প্রভৃতি খাওয়া ও ভালো।

• প্রত্যহ কমপক্ষে আট থেকে দশ গ্লাস পানি খাওয়া উচিত।

• সকল এবং সন্ধ্যায় ভ্রমণ, সাঁতার কাটা, হাল্কা ব্যায়াম, প্রভৃতি উপকারী।

• গরম দুধে খেজুর বা কিসমিস মিশিয়ে পান করা ভালো।


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।

How to use Syphilis: কারণ, লক্ষণ ও আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Syphilis

বিবরণ 

জননতন্ত্র সহ শরীরের বিভিন্ন তন্ত্র এক বিশেষ ধরনের Spiro chete (স্পাইরোকীট) দ্বারা আক্রান্ত হওয়াকে উপদংশ বা সিফিলিস বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র জননতন্ত্র ও চর্ম বা স্নায়ু এবং হৃদপিন্ড সহ রক্তবাহ এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। 

আক্রমণের বয়স যৌবন কালেই এই রোগ হয়। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়।



Causes of the disease কারণ 

• এই রোগে আক্রান্ত পুরুষদের সাথে যৌন মিলনে নারীর এবং এই রোগে আক্রান্ত নারীর সাথে যৌন মিলনের পুরুষদের এই রোগ হয়। 

• এছাড়া চুম্বন ও আলিঙ্গন বস্ত্রাদি ও বাসনপত্রের ব্যবহার প্রভৃতির মাধ্যমে ও এই রোগের জীবাণু সুস্থ মানুষের শরীরে সঞ্চায়িত হয়।

• অনেক সময় এই রোগে আক্রান্ত পিতা-মাতা সন্তানদের ও এই রোগ জন্মগতভাবে হয়ে থাকে। 

• তখন তাকে Congenital Syphilis বলা হয়।

Treponema pallidum (ট্রিপোনিমা প্যালিডাম) হল এই রোগের বীজাণু।

• ‪সংক্রমণের সময় শরীরের জীবাণু প্রবেশের দশ থেকে বারো দিনের মধ্যে রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

এই রোগের লক্ষণকে তিনটি পর্যায়ের ভাগ করা হয়েছে সেগুলি হল 

• প্রথমিক পর্যায় বা Primary Stage

• দ্বিতীয় পর্যায় বা Secondary Stage 

• তৃতীয় পর্যায় বা Tertiary Stage 

১. প্রাথমিক পর্যায়ে 

• রোগ জীবাণু শরীরের প্রবেশে দশ থেকে বারো দিন পর হতে পুরুষদের লিঙ্গ এবং নারীর যৌন তৎসংলগ্ন অংশ সেমি ব্যাসের ফুস্কুড়ি বের হয় 

• এগুলি সচরাচর শক্ত হয়ে থাকে এবং মধ্যস্থল গর্তকার হয় 

• এগুলো প্রচুর চুলকায় এবং প্রবাহিত হতে থাকে 

• তিন থেকে চার দিন পর এগুলো তলে তলে ফোস্কার ন্যায় হয়ে যায় 

• কুঁচকি ফুলতে পারে 

• এমত অবস্থায় প্রায় ৯০ দিন পর্যন্ত থাকে 

• অনেকের অবশ্য ছয় সপ্তাহ পর হতে নিরাময় হতে দেখা যায় 

২. দ্বিতীয় পর্যায়ে 

• রোগ জীবাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় 

• ফোস্কার ন্যায় ফুস্কুড়ি গলে গিয়ে ক্ষতের সৃষ্টি করে 

• লিঙ্গ, মূত্রনালী, যোনি, যোনিনালী ও জরায়ুবা প্রভৃতি পর্যন্ত ক্ষত ছড়িয়ে পড়তে থাকে 

• এমনকি শরীরের অন্যান্য অংশের উদ্ভিদও লক্ষ্য করা যায় 

• এই সময় রোগ জীবাণু রক্তে মেশে 

• মাথা ও ভ্রুর চুল উঠে যায় 

• দাড়িতে টাক পড়া প্রভৃতি লক্ষণ ও প্রকাশ পায় 

• প্রস্রাবের গোলযোগ হতে দেখা যায় 

৩. তৃতীয় পর্যায়ে 

•রোগ জীবাণুর হৃদপিণ্ড, ফুসফুস, কিডনি, অস্থি, মজ্জা, স্নায়ু তন্ত্র প্রভৃতিকে আক্রমণ করে ফলে নানান উপসর্গ দেখা যায়। 

• এই সময় স্মৃতিশক্তি হ্রাস পায় 

• পক্ষাঘাত হওয়া, রক্ত প্রস্রাব হওয়া, মূর্চ্ছা যাওয়া, শ্বাসকষ্ট হওয়া প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায় 

• মুখের মিউকাস মেমব্রেন কালো হওয়া এবং সেখানে ক্ষতের সৃষ্টি হওয়া এই রোগের একটি লক্ষণ 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• দুজন যৌন সঙ্গীর যে কোনো একজনের এই রোগ থেকে গেলে যৌন মিলনের সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখা দরকার 

• উভয়ের চিকিৎসা শেষে পুনরায় পরীক্ষা করে দেখে তবেই যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা যাবে 

• রোগ ভোগাকালীন ঠান্ডা বা গরম লাগানো নিষিদ্ধ 

• রোগ ভোগাকালীন মদ, মাংস, মাছ, ডিম, অন্যান্য উত্তেজক খাদ্য খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে 

• পুষ্টিকর অথচ সহজপাচ্য খাদ্য যেমন দুধ, ঘি, চারা পোনা, শিঙ্গি মাগুর মাছের ঝোল, ফল মূল, শাকসবজি প্রভৃতি খেতে হবে 

• হরলিক্স, কমপ্লান, প্রোটিনেক্স,  প্রভৃতি খাওয়া যাবে 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 










How to use Pharyngitis: কারণ, লক্ষণ ও আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Pharyngitis

বিবরণ 

Pharynx অর্থাৎ গলকোষের প্রদাহকে ফ্যারিনজাইটিস বলা হয। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স সব বয়সেই হতেই পারে। 

তবে পনেরো থেকে চব্বিশ বছরের মধ্যে বেশি হয়। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের তুলনায় পুরুষেরা সামান্য বেশি আক্রান্ত হন। 



Causes of the disease কারণ 

• গ্ৰুপ এ বেটা হেমোলাইটিক স্ট্রেপটোকক্কি 

• করিনি ব্যাকটেরিয়াম ডিপথেরিয়ী 

• হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা 

• মোরাক্সেল্লা ক্যাটারাহলিস 

• গ্ৰুপ সি ও জি স্ট্রেপটোকক্কাস বীজণু 

• রাইনো ভাইরাস 

• এডিনোভাইরাস 

• কক্সসাকি ভাইরাস 

• ইকো ভাইরাস 

• কোরোনা ভাইরাস সাইটোমেগালো ভাইরাস 

• এপস্টেইন বার ভাইরাস 

• হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• গলায় ঘা হয় 

• ফ্যারিংক্স ফোলে এবং লালাভ হয়ে যায় 

• গলায় টাটানি ব্যথা 

• ঢোক গেলার সময় বা খাবার গেলার সময় সূচ বেঁধার ন্যায় খোঁচা লাগে 

• জ্বর হয় ১০২⁰ ফাঃ পর্যন্ত 

• মাথার যন্ত্রণা হতে থাকে 

• ক্ষুধা মন্দা 

• শীত ভাব

• গা হাত পা ম্যাজ ম্যাজ করা হতে থাকে 

• কাশলে কফ উঠতে চায় না 

• গলায় চটচটে কফ জমে রয়েছে 

• শ্বাসকষ্ট হবার মত মনে হয়

• বেশি কাশলে হাঁপানি লাগে 

• রোগ সহজে সারতে চায় না বিশেষতঃ ধূমপায়ীদের 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে 

• ঠান্ডা লাগানো নিষিদ্ধ 

• প্রয়োজনে সবসময় গলায় মাফলার ব্যবহার করতে হবে 

• ঝাল ও মশলাদার খাবার খাওয়া নিষিদ্ধ 

• সহজ পাচ্য ও পুষ্টিকর খাদ্য খেতে হবে 

• মিছিলির শরবত খাওয়া ভালো 

Disprin Tablet (ডিসপ্রিন ট্যাবলেট) এক কাপ জলে দুইটি ফেলে গার্গল করতে হবে দিনে তিন বার 

• পরিবর্তে Glycoseptol Gaargle (গ্লাইকোসেপটল গার্গল) ব্যবহার করা যাবে


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।





How to use Endometriosis: কারণ, লক্ষণ ও আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Endometriosis

Endometriosis বিবরণ 

জরায়ুর আবরক ঝিল্লীকে Endometrium বলে। এই এন্ডোমেট্রিয়ামের প্রদাহকে জরায়ুর আররক ঝিল্লী প্রদাহ বা এন্ডোমেট্রিওসিস বলে।

• আক্রান্ত তন্ত্র জননতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।

• আক্রমণের বয়স যে কোনো বয়সেই এই রোগ হতে পারে।

• আক্রান্ত লিঙ্গ কেবল মাত্র মহিলারা এই রোগে আক্রান্ত হন। 



Causes of the disease কারণ 

• হর্মোনের গন্ডগোল 

• বেশি বয়সে গর্ভধারণ বা সন্তান প্রসব 

• বারংবার গর্ভধারণ বা সন্তান প্রসব 

• অত্যধিক গর্ভনিরোধক ট্যাবলেট বা জেল ব্যবহার 

• পশ্চাৎগামী ঋতু (Retrograde Menstruation



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• তলপেটে ব্যাথা যন্ত্রণা এই রোগে প্রধান লক্ষণ 

• জরায়ু ও ডিম্বাশয় যোনিনালী প্রভৃতি অংশে দাগ পড়ে 

• সিস্ট গঠন করে 

• ফাইব্রাস টিস্যু গঠন করে ও ফলে ঋতুর গোলযোগ দেখা যায় এবং জরায়ুর প্রদাহ হয় 

• এই রোগ হলে বন্ধ্যাত্বের সৃষ্টি হতে পারে 

• বাধক বেদনার সৃষ্টি হতে পারে 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• বিবাহিত মহিলাদের প্রথম অবস্থায় গর্ভধারণের নির্দেশ দেওয়াই ভালো 

• তাতে রোগ অপসারিত হয় 

যোনিদ্বার ও যোনিনালী সর্বদা পরিষ্কার রাখতে হবে 

• না হলে জীবাণু সংক্রমণ করলে রোগারোগ্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে 

• প্রয়োজনে যোনি ও জরায়ুতে ডুস দেওয়া যায়।


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।




Symptoms of malaria: কারণ ও লক্ষণ, আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

Symptoms of malaria

ম্যালেরিয়া রোগ কী

ইহা একটি নতুন (Acute) ও পুরোনো (Chronic) পরজীবী সংক্রামণ জনিত রোগ। আক্রান্ত তন্ত্র রক্ত লসিকা ও রোগ প্রতিরোধ তন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।

আক্রমণের বয়স সকল বয়সেই এই রোগাক্রমণ ঘটতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের সমান ভাবে এই রোগ হতে পারে।

রোগ আক্রমণের সময় (Incubation Period) শরীরে রোগ জীবাণু প্রবেশের আট থেকে দশ দিনের মধ্যে রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।



Causes of the disease কারণ 

ম্যালেরিয়া আক্রান্ত ব্যক্তিকে অ্যানোফিলিস (Anopheles) মশা কামড়ালে রক্তের সাথে ম্যালেরিয়া প্যারাসাইট সেই মানব দংশন কারী মশার দেহে আসে এবং সেখানে ঐ প্যারাসাইটরা পূর্ণাঙ্গ প্রাপ্ত হয়।

এই জাতীয় মশা সুস্থ মানুষকে কামড়ালে ঐ প্যারাসাইটরা দংশিত মানুষের দেহে চলে যায় এবং বংশ বিস্তার করে।আক্রান্ত রোগীর রক্ত সুস্থ মানুষকে দিলেও এই রোগ হতে পারে 



জীবাণু সংক্রমিত 

চার ধরনের প্যারাসাইট এই রোগ ঘটায়।

• প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম (Plasmodium Falciparum 

• প্লাজমোডিয়াম ম্যালেরীয়া (Plasmodium malariae)

• প্লাজমোডিয়াম ওভেল (Plasmodium Ovale)

• প্লাজমোডিয়াম ভাইভাক্স (Plasmodium Vivax)



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে 

• অত্যধিক জ্বর হয় 

• ১০৪⁰ থেকে ১০৫⁰ ফাঃ পর্যন্ত জ্বর হতে পারে 

• প্রচন্ড শীত ও কাঁপুনি আধঘন্টা চলতে থাকে 

• কাঁথা কম্বল চাপা দিলেও কাঁপুনি থামে না

• জ্বর যখন সর্বোচ্চ হয় অর্থাৎ ১০৫⁰ থেকে ১০৬⁰ ফাঃ পর্যন্ত ওঠে তখন শীত কমে যায় 

• প্রচন্ড মাথা ব্যাথা, ঘাড়ে যন্ত্রণা, বমি ভাব, অত্যধিক তৃষ্ণা প্রভৃতি চলতে থাকে। এই ভাবে এক থেকে দুই ঘন্টা চলে 

• এরপরে গর্ভাবস্থা আসে। সারাদেহ ঘামে ভিজে যায় এমনকি বিছানাপত্র ও ভিজে যায়। তাপমাত্রা কমতে কমতে জ্বর ছেড়ে যায় 

• প্লাজমোডিয়াম ম্যালেরীয়ি জনিত ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রে ৭২ ঘন্টা পর পর এই আক্রমণ অর্থাৎ জ্বর হয়।

• একে উৎকট ম্যালেরিয়া বা Malignant Tertian Malaria বলা হয় 

• প্লাজমোডিয়াম ভাইভাক্স ঘটিত ম্যালেরিয়ায় আটচল্লিশ ঘণ্টা অন্তর জ্বর আসে 

• একে বিনাইন পারসিয়ান (Benign Tertian) ম্যালেরিয়া বলা হয় 

• রক্তাল্পতা হতে দেখা যায় 

• জন্ডিস হতে পারে চক্ষু ও প্রস্রাব হলুদ হয় 

• ক্ষুধা মন্দা হতে পারে 

• জিভে ময়লা জমা ও ঠোঁটে ঘা প্রভৃতি হয় 

• পায়খানার গন্ডগোল হতে পারে 

• যকৃত ও প্লীহা বৃদ্ধি পায় 

• ফোলে এবং ব্যথা হয় 

• নাড়ীর গতি বৃদ্ধি হয় 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• জ্বর অবস্থায় গরম জলে তোয়ালে ভিজিয়ে সারা গায়ে ভালোভাবে স্পঞ্জিং করা দরকার 

• জ্বর খুব বেড়ে গেলে কপালে জলপট্রি দিতে হবে 

• মাথায় আইস ব্যাগ (Ice Bag) দেবার ব্যবস্থা করতে হবে 

• উত্তাপ অবস্থায় ঢাকা পোষাক খুলে দিতে হবে 

• প্রচন্ড ভাবে ঘাম হতে শুরু করলে অল্প পাখার বাতাস করতে হবে 

• এই সময় পোশাক বা বিছানা ঘামে ভিজে গেলে তা বদলের ব্যবস্থা করতে হবে

• ম্যালেরিয়া রোগীকে সর্বদা ভিটামিন ও প্রোটিন সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাদ্য দিতে হবে 

• হালকা ঝোল, সুসিদ্ধ ভাত, ডাল, শাকসবজি, বিভিন্ন ফলের রস, ডিম, দুধ, প্রভৃতি খেতে দেওয়া ভালো 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।




How to use Myocardial Infarction: আনুষঙ্গিক চিকিৎসা ও লক্ষণ, কারণ

 

How to use Myocardial Infarction

বিবরণ 

হৃদপিন্ডে রক্ত চলাচলের ব্যঘাত জনিত টিস্যুক্ষয়কে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বলা হয়। হৃদপিন্ডের যে কোন অংশে রক্তসরবরাহ হঠাৎ বাধাপ্রাপ্ত হলে এই ঘটনা ঘটে।

আক্রান্ত তন্ত্র হৃদপিন্ড ও রক্তবাহ এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স চল্লিশ বছরের ঊর্দ্ধেই এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়।

আক্রান্ত লিঙ্গ চল্লিশ থেকে পঁয়ষট্টি বছরের মধ্যে পুরুষরাই বেশি এই রোগে আক্রান্ত হয়। পঁয়ষট্টি বছরের উর্দ্ধে স্ত্রী এবং পুরুষ উভয়ের সমান ভাবে আক্রান্ত হন।



Causes of the disease কারণ 

• করোনারি থ্রম্বোসিস অর্থাৎ হৃদপিন্ডের রক্তবহা নালীসমূহে রক্ত জমাট বাঁধা এই রোগের প্রধান কারণ।

• হৃদপিন্ডের ধমনীর আক্ষেপ 

• ধমনী প্রদাহ 

• অক্সিজেন সরবরাহ কম হওয়া 

• কার্বনমনোক্সাইডের বিষক্রিয়া 

• উচ্চ রক্তচাপ 

• মানসিক আঘাত প্রাপ্তি 

• ধূমপান 

প্রভৃতি এই রোগ সৃষ্টিতে সহায়তা করে।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• হঠাৎ বাম দিকের বুকে যন্ত্রণা শুরু হয় 

• ক্রমশ এই যন্ত্রণা বাহু, কাঁধ, পিঠ, চোয়াল ও বাম দিকের পেট পর্যন্ত বিস্তার লাভ করে 

• বুকে চাপ বোধ, মনে হয় ভারি কিছু চাপানো আছে 

• শ্বাস নিতে কষ্ট হয় 

• রক্তচাপ খুব বেড়ে যায় 

• অনেক সময় দেখা যায় রক্তচাপ খুব কমে গেছে 

• মাথার যন্ত্রণা হয় 

• দুর্বলতা 

• আকস্মিক চেতনা লোপ ঘটে 

• বমি ভাব বা বমি হতে পারে 

• থেমে থেমে হৃদস্পন্দন হতে দেখা যায় 

• হৃদপিন্ড অস্বাভাবিক শব্দ হয় (Murmur) হৃদপিন্ডের গতি বেশি হতে পারে (Tachycardia) মৃদু হৃদস্পন্দন হতে পারে 

• নাড়ীর গতি অস্বাভাবিক হয় 

• মুখমণ্ডলের নীলাভ বা ফ্যাকাসে হয় 

• দুশ্চিন্তাগ্ৰস্ত হতে দেখা যায় 

• হঠাৎ অধিক পরিমাণে ঘাম হওয়া 

• হাত ও পা ঠাণ্ডা হওয়া ঘটতে পারে 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• রোগীকে বিশ্রামে রাখতে হবে 

• রোগীর ঘরে কোনরকম ভাবেই গোলমাল করা চলবে না 

• রোগীর সুনিদ্রার ব্যবস্থা করতে হবে 

• রোগী একটু সুস্থ হলে হালকা ও সহজপাচ্য খাদ্য খেতে দেওয়া যাবে 

• লবণ ও ফ্যাট জাতীয় খাবার খাওয়া নিষিদ্ধ 

• রোগী সুস্থ হলে হালকা ব্যায়াম, প্রাতঃভ্রমণ সান্ধ্য ভ্রমণ প্রভৃতি করা ভালো 

• রোগীর মল মূত্র ত্যাগের যাতে না কোনো ব্যাঘাত ঘটে সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



How to use Bell'S palsy: কারণ ও লক্ষণ, আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Bell'S palsy

Description বিবরণ 

মুখমণ্ডলের পেশীসমূহের শিথিলতা বা অসাড়তা এবং তার সঙ্গে ঐ অংশের প্রদাহকে বেলস্ পালসি বলা হয়।

এই রোগ মুখমন্ডলের একদিকেই হয়। আক্রান্ত তন্ত্র স্নায়ুতন্ত্র এই রোগে দ্বারা আক্রান্ত হয়। বংশগত কারণ এই রোগের বংশগত কারণ থাকে।

আক্রমণের বয়স এই রোগ যে কোনো বয়সেই হতে পারে। তবে ত্রিরিশ বছরের পরই এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা ও পুরুষ উভয়ের সমান ভাবে এই রোগ হয়।



Causes of the disease কারণ 

• ঠান্ডা লাগা ও কানে জল ঢোকা প্রভৃতি থেকে ম্যাস্টয়েড গ্ল্যান্ড বা Mastoid Canal এর প্রদাহ হয়ে এই রোগের সৃষ্টি হতে পারে।

হার্পিস জস্টার বা হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস থেকেও এই রোগ হতে পারে যাকে Ramsay Hunt Syndrome বলা হয়।



Symptoms of the disease 

• মুখমণ্ডলের আংশিক এক পার্শ্বিক পেশীর অসাড়তা দেখা যায় 

• এই লক্ষণ হঠাৎ প্রকাশ পেতে পারে অথবা ধীরে ধীরে প্রকাশ পেয়ে থাকে 

• ঐ দিকের পেশীর সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যায় 

• আক্রান্ত দিকের গাল ঝুলে যেতে পারে 

• আক্রান্ত দিকের কানের যন্ত্রণা থাকে 

• আক্রান্ত দিকে চোখের জল শুকিয়ে যায় বা বেশি অশ্রু ঝরে 

• চোখ ফোলে 

• আক্রান্ত দিকের জিহ্বাতে কোনো স্বাদ গ্ৰহণের ক্ষমতা থাকে না 

• মুখ দিয়ে অনবরত লালা ঝরতে পারে 



Adjunctive treatment 

• পুষ্টিকর খাদ্য খেতে হবে 

• হাল্কা ব্যায়াম ও প্রাতঃভ্রমণ উপকারী 

• ভিটামিন B Complex জাতীয় খাদ্য টনিক ওষুধ খাওয়া ও চলবে 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 

How to use in Bangali parkinson's disease: কারণ, লক্ষণ ও আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use in Bangali parkinson's disease

বিবরণ 

স্নায়ুতন্ত্রের অপকর্ম জনিত বিকৃতির ফলে উদ্ভূত রোগ লক্ষণকে পারকিনসনস্ রোগ বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র স্নায়ুতন্ত্র ও পেশী কঙ্কালতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।

বংশগত কারণ শতকরা পাঁচ জনের বংশগত কারণে এই রোগ হয়। আক্রমণের বয়স ষাট বছরের ঊদ্ধেরই এই রোগ বেশি হয়।

তবে একুশ থেকে চল্লিশ বছর বয়সের শতকরা পাঁচ টি রোগী নজরে পড়ে। আক্রান্ত লিঙ্গ পুরুষরাই এই রোগে অধিক আক্রান্ত হন। মহিলাদের একটু কম হয়।



Causes of the disease 

• সঠিক কারণ অজানা 

• অন্যান্য রোগের জীবাণু থেকে স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হয়ে এই রোগ হতে পারে 

• মস্তিষ্কের রক্তবাহের বিভিন্ন রোগ থেকে ব্যাসাল গ্যাংলিয়া আক্রান্ত হলে এই রোগ হতে পারে 

• বিষাক্ত ওষুধ বা কীটনাশক বিশেষতঃ টেট্রাহাইড্রো পাইরিডিন গ্ৰুপের বিষাক্ত পদার্থের বিষাক্ততা থেকে এই রোগ হতে পারে 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• শরীরের একদিকেই অথবা উভয় দিকের কাঁপুনি হতে পারে 

• অকর্মণ্য অমনোযোগী এবং নিদ্রাহীনতা প্রভৃতি লক্ষণ থাকে 

• গলার স্বর ক্ষীণ হওয়া 

• কথা জড়ানো ভাব হওয়া বা কথা আটকে যাওয়া প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায় 

• পেশির কর্ম ক্ষমতা হ্রাস পায় 

• ফলে অঙ্গ সঞ্চালন স্বাভাবিক হয় না 

• চোখ পিটপিট করা বা চোখের পাতা নাচা প্রভৃতি থাকে 

• বুদ্ধি বা স্মৃতি শক্তির হ্রাস ঘটে 

• উঠে দাঁড়াবার ক্ষমতা কমে যায় 

• হাতে কোনো বস্তু চেপে ধরলে প্রচন্ডভাবে হাত কাঁপা, অবসাদ, বাঁকা ভাবে দাঁড়ানো প্রভৃতি ঘটে 

• হাঁটার সময় সম্মুখে ঝুঁকে পড়ার প্রবণতা থাকে 

• যৌন বিকৃতি দেখা যায় 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• রোগীর সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে 

• রোগীর বসার চেয়ার ও খাবার পাত্রাদিসমূহ শয্যা 

• টয়লেট সিট এমনভাবে বানাতে হবে যা রোগীকে সহজ ভাবে ব্যবহার করতে সাহায্য করবে 

• রোগীকে অল্প অল্প করে বারংবার খেতে দিতে হবে 

• প্রোটিন জাতীয় খাদ্য খাওয়ানো কোন বিধি নির্দেশ নেই 

• তরল খাবার ওদিক পরিমাণে খাওয়া ভালো 

• ব্যায়াম ও ম্যাসাজ থেরাপি রোগীর পক্ষে ভালো 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 


How to use Influenza: কারণ ও লক্ষণ, আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Influenza

বিবরণ 

বিশেষ ধরনের ভাইরাসের আক্রমণে নাক, চোখ, গলা ও শ্বাসযন্ত্র, আক্রান্ত হয় এবং ঐ সকল অংশের প্রদাহ সহ জ্বর হওয়াকে সংক্রমণ সর্দি জ্বর বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

আক্রমণের বয়স পাঁচ থেকে ছয় বছর থেকে চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ বছর পর্যন্ত এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়। ৭৫ বছরে উদ্বের এই রোগ হতে দেখা যায়।

আক্রান্ত তন্ত্র শ্বাসতন্ত্রই এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের এই রোগ সমানভাবে হয়। রোগ আক্রমণের সময় দেহে জীবাণু প্রবেশের এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।



Causes of the disease কারণ 

• রোগ সংক্রমিত এলাকায় থাকার ফলে এবং আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে থাকার ফলে Droplet Infection হয়ে এই রোগ সংক্রমিত হয়।

Droplet Infection হলে হাঁচি ও কাশি প্রভৃতির মাধ্যমে জীবাণুর সংক্রামণ হয়।

• অর্থোমিক্সো ভাইরাস Orthomyxovirus টাইপ এ এবং টাইপ বি দ্বারা এই রোগের সৃষ্টি হয়।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• গা হাতে প্রচন্ড যন্ত্রণাসহ তরুণ সর্দিস্রাব 

• কাঁপুনি সহ জ্বর আসা 

• চক্ষু লালাভ হওয়া

• জ্বর ১০৩⁰ ফাঃ থেকে ১০৪⁰ ফাঃ পর্যন্ত হওয়া

• গা হাতের যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাওয়া 

• জ্বর ছেড়ে পুনরায় জ্বর আসে 

• সর্দি গাঢ় হয়ে যায় 

• এবং ফুসফুসে কাশি হয়

• নাড়ীর গতি ও শ্বাসের গতি বেড়ে যায় 

• মাথা যন্ত্রণা ও সাইনাসের প্রদাহ হতে পারে 

• গলায় ঘা হতে পারে 

• মুখে ঘা হতে পারে 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• ইহা সংক্রামক ব্যাধি তাই রোগীর ও সুস্থ মানুষদের পৃথকভাবে থাকার ব্যবস্থা করতে হবে।

• সুস্থ মানুষদের ও তুলসী পাতার রস পান করালে বা ইউ ক্যালিপটাস তেলের ঘ্রাণ নেওয়ালে এই রোগ সংক্রমণ প্রতিহত হয় 

• জ্বর অবস্থায় স্পঞ্জিং করতে হবে এবং জ্বর বাড়লে মাথায় জল দিতে হবে 

• জ্বর থাকাকালীন গরম দুধ, ফলের রস, সাগু, হরলিক্স, কমপ্লান প্রভৃতি দিতে হবে।

• জ্বর ছাড়লে সুসিদ্ধ ভাত ও ঝোল দিতে হবে।


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।






How to use Cerebral Thrombosis: কারণ, লক্ষণ ও আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Cerebral Thrombosis

বিবরণ 

মস্তিষ্কের মধ্যে রক্ত বাঁধার দরুন কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের অস্বাভাবিক সৃষ্টি হওয়াকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র হৃদপিন্ড প্রভৃতি এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।

আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা দের চেয়ে পুরুষের এই রোগ দুই গুণ বেশি হয়। চল্লিশ বছর বয়সের উদ্ধেরই এই রোগ বেশি হয়।



Causes of the disease কারণ 

• অতিরিক্ত নেশা সেবন 

• উচ্চ রক্তচাপ 

• হার্টের পেশীর সঙ্কোচন 

• ডায়াবেটিস 

• অত্যধিক গ্যাস অম্বল 

• হঠাৎ ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়া

• মাথার সরু শিরা ধমনী মধ্যে রক্তচাপ প্রচন্ডভাবে বেড়ে গিয়ে রক্তকে জমাট বাঁধিয়ে দেয়

• সরু জালিকা ফেটে রক্তপাত ঘটায় 



Symptoms of the disease 

• রোগী হঠাৎ চোখে অন্ধকার দেখে 

• মাথা ঘুরে যায় 

• কথা বলতে ও কানে শুনতে অসুবিধা হয় 

• সর্বাঙ্গ অবশ ভাব হয়ে আসে এবং জ্ঞান হারিয়ে ফেলে

• খিচুনি হতে পারে কিছুক্ষণ 

• নাও হতে পারে 

• রোগী তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে থাকে 

• ডাকলে সাড়া দেয় কিন্তু কোন কথা বলতে পারে না 

• হেমিপ্লেজিয়া অর্থাৎ শরীরের অদ্ধাংশের পক্ষাঘাত হতে দেখা যায় 

• এই পক্ষাঘাত মস্তিষ্কের যে দিকে থ্রম্বোসিস হয় ঠিক তার উল্টো দিকে হয় 

• পক্ষাঘাত প্রাপ্ত অঙ্গে অসাড়তার সৃষ্টি হয় 

• সেই দিকের হাত ও পা অসাড় ও শক্ত হয় 

• মুখ ফাঁক হয়ে থাকে 

• অঙ্গ চালানোর ক্ষমতা লোপ পায় 

• আক্রমণের কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন পর জ্ঞান ফিরতে পারে 

• জ্ঞান ফিরলেও পক্ষাঘাত থেকে যায় 

• মাতা যন্তনা ও মাথা ঘোরা চলতেই থাকে 

• আক্রমণের সময় নাক দিয়ে রক্তপাত হতে পারে 

• এটি ভালো লক্ষণ 

• সেরিব্রোস্পাইন্যাল ফ্লুইড বৃদ্ধি পায় 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• ন্যাসো গ্যাস্ট্রিক টিউবের মাধ্যমে খাদ্য খাওয়ানো দরকার। এই নলের মাধ্যমে ফলের রস, গ্লুকোজের জল, দুধ, হরলিক্স, প্রভৃতি দেওয়া যায়।

• পায়খানা স্বাভাবিকভাবে হও জন্য এনিমা ব্যবহার করা চলবে।

• প্রস্রাব ঠিক ভাবে না হলে ক্যাথিটার ব্যবহার করে প্রস্রাব করিয়ে দিতে হবে।

• রোগী একভাবে পড়ে থাকলে তার যাতে বেডসোর Bedsore অর্থাৎ শয্যাক্ষত না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে 

• শরীরে সমস্ত ঘর্ষণ প্রাপ্ত অংশগলি প্রত্যহ স্পিরিট দিয়ে মুছে যে কোন ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করা ভালো 

•শয্যাক্ষত হতে শুরু করলে মাইকোর্ডাম পাওডার ব্যবহার করা ভালো 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।


How to use Tinea Unguim Symptoms of disease: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Tinea Unguim Symptoms of disease

নখের দাদ বিবরণ 

নখে ছত্রাক আক্রমণ জনিত কারণে যে ভঙ্গুরতা সৃষ্টি হয় তাকে Onychomycosis বা নখের দাদ বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র ত্বক ও বহিঃক্ষরা গ্ৰন্থি এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। 

আক্রমণের বয়স আঠারো বছরের পর থেকে এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা ও পুরুষ এই রোগে সমানভাবে আক্রান্ত হয়। 



Causes of the disease কারণ 

• ট্রাইকোফাইটন রুব্রাম 

• ট্রাইকোফাইটন মেটাগ্ৰোফাইটস্ 

• ক্যানডিডা অ্যালবিক্যানস 

• এপিডারমো ফাইটন ফ্লোকোসাম 

• ক্যানডিডা ক্রুশেয়ি 

• অলটারনারিয়া টেনুইস

প্রভৃতি বিভিন্ন প্রজাতির ছত্রাকের আক্রমণে এই রোগ হয় নখের ময়লা জমেই এই সকল ছত্রাক আক্রমণ হয় এবং রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেতে থাকে।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• প্রথমে হাতের যে কোন একটি নখে এই ছত্রাক আক্রমণ ঘটে 

• নখটির ডগায় রঙের বিকৃতি লক্ষ্য করা যায় 

• গোটা নখটির রং বিকৃত হয়ে যায় 

• নখটি কর্কশ ও ভঙ্গুর হয়ে যায় 

• নখটি অল্প আঘাতেই ভেঙ্গে যায় এবং খসে পরে 

• পরে অন্যান্য নখগুলি আক্রান্ত হয় 

• এই রোগ কোনো চুলকানি বা জ্বালা থাকে না 

• তবে নখের নিচের চামড়া আক্রান্ত হলে নখে ব্যথা হয় 



Adjunctive treatment 

• নিয়মিত নখ পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা নিতে হবে।

• নখে কোনো ক্ষার জাতীয় ব্যবহার নিষিদ্ধ।

• জল ও তরল বা যে কোন রাসায়নিক বস্তু আক্রান্ত নখে যাতে বেশি না লাগে সেদিন নজর রাখতে হবে।


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 

How to use Eczema: কারণ ও লক্ষণ, আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

How to use Eczema

Eczema বিবরন 

ইহা একটি জটিল প্রকৃতিক চর্মরোগ যাতে চামড়া বিকৃত এবং প্রদাহিত হয়ে থাকে। শিশুদের একজিমা হলে তাকে Infantile Eczema বা Atopic Dermatitis বলা হয়।

আক্রমণের বয়স এই রোগ যেকোনো বয়সেই হতে পারে। আক্রান্ত তন্ত্র ত্বক ও বহিঃক্ষরা তন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। 

আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা দের তুলনায় পুরুষদের এই রোগ একটু বেশি হতে দেখা যায়। 



কারণ 

এই রোগ সাধারণতঃ অ্যালার্জি ঘটিত কারণেই হয়। তবে রক্তের গোলযোগ বংশগত কারণ প্রভৃতি থেকে হতে পারে বলে ধারণা করা হয়। 



লক্ষণ Symptoms of the disease 

• শিশুদের ক্ষেত্রে মাথা এবং পায়ে এই রোগ হতে দেখা যায় 

• বয়স্কদের কান 

• গলা 

• হাতে

• পায়ের পাতা প্রভৃতি অংশে বেশি হতে দেখা যায় 

• তবে অন্যান্য অংশে হতে পারে

• ঐ সকল অংশে ছোট ছোট উদ্ভিদ বের হয় 

• উদ্ভিদ গুলি ছোট ছোট ফুসকুড়ি ন্যায় এবং প্রচন্ড চুলকানি যুক্ত

• আক্রান্ত অংশের চামড়ার রং কালো হয়ে যায় 

• এবং দেখতে বিশ্রী লাগে

• এতে জীবাণু দূষণ হতে মারাত্মকভাবে ক্ষতের সৃষ্টি হয় 

• কখনো কখনো ছত্রাক সংক্রমণ ঘটে 

• রোগ নিরাময় ব্যাঘাত ঘটায় বা পুনরাক্রমণ ঘটায় 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা Adjunctive treatment 

• নিয়মিত চিকিৎসা করলে খুব সহজেই রোগ সেরে যায়।

• চিকিৎসা চলাকালীন রোগের লক্ষণ অপসারিত হলেও নির্দিষ্ট কোর্স অনুযায়ী ওষুধ চালাতে হবে।

• নতুবা রোগের পুনরাক্রমণ ঘটতে পারে।

• আক্রান্ত অংশে সর্বদা পরিষ্কার রাখতে হবে।

• হেক্সাক্লোরোফেন উপকরণ বিশিষ্ট সাবান ব্যবহার করা ভালো। 

• নিয়মিত স্ন্যান লঘু সহজপাচ্য। 

• পুষ্টিকর খাবার খাওয়া ভালো। 

• যে সকল খাবারে এলার্জি হয় তা বর্জন করাই ভালো।

• অঙ্গুরীমাল জাতীয় খাবার যেমন কাঁকড়া, চিংড়ি, 

অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 




Stemetil Tablet Side Effects: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা অবলম্বনের

 

Stemetil Tablet Side Effects

Stemetil Tablet ভূমিকা 

এছাড়া এই ওষুধের সাহায্যে মস্তিষ্ক স্নায়ুতন্ত্রের বহুবিধ রোগকে দমন করানো হয়। ইহা ইন্ট্রামাস্কুলার পথে ব্যবহার করলে আরও দ্রুত শোষিত হয়।

এই ওষুধ পাকস্থলী থেকে দ্রুত শোষিত হয় এবং মস্তিষ্কের কোষ সমূহে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। 

এই ওষুধ মস্তিষ্কের বমন কেন্দ্রের উপর ক্রিয়া করে বমন নিবারণে সাহায্য করে। ইহা একটি উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন বমন নিবারণ কারী ওষুধ।



ব্যবহার Usage 

• মানসিক গোলযোগ 

• মাথা ঘোরা 

• দুশ্চিন্তা 

• বমি ভাব 

• মানসিক ভারসাম্যহীনতা 

• ভর হওয়া

• স্কিজোফ্রনিয়া 

• আধকপালে 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া side effects

১. মুখের শুষ্কতা 

২. অনিদ্রা 

৩. মুখ মন্ডলের পেশির আক্ষেপ 

৪. ঘুম ভাব 

৫. যকৃতের গোলযোগ 

গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

১. ঘুমের ওষুধ 

২. অ্যালার্জি ওষুধ 

৩. অ্যালকোহল 

৪. মৃগী ওষুধ 

৫. অবসাদের ওষুধ 

প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয়।


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।




How to use Reglan 10 Mg Tablet: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা অবলম্বনের

 

How to use Reglan 10 Mg Tablet

Reglan 10 Mg Tablet ভূমিকা 

ইহা নিম্নখাদ্যবহা নালীর সংকোচনকে বিস্তৃত করে এবং অন্নবহানালীর স্ফিংক্টারের চাপ বাড়ায় ফলে অন্নবহানালীর প্রদাহ রোধ হয়। ইহা খালি পেটে গ্ৰহণের মধ্যে রক্তরসের সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়।

ইহা পৌষ্টিক তন্ত্রের সাধারণ গতিপ্রকৃতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এই ওষুধ পাকস্থলী পিত্তরস অগ্ন্যাশয় রস প্রভৃতির স্বাভাবিক ক্ষরণে কোন ব্যাঘাত ঘটায় না।

ইহা গন্ধহীন সাদারঙের স্ফটিকাকার বস্তু। ইহা খুব দ্রুত এবং ব্যাপকভাবে পৌষ্টিকতন্ত্রের কলা কোষে ছড়িয়ে পড়ে। ইহা ইন্ট্রাভেনাস দিনে এক থেকে তিন মিনিটের মধ্যে ক্রিয়া শুরু করে।

এই ওষুধ পৌষ্টিক তন্ত্র থেকে দ্রুত এবং প্রায় শোষিত হয়। এই ওষুধ প্রায় পরিবর্তিত অবস্থায় এবং অপরিবর্তিত অবস্থায় মূত্রের পথে নির্গত হয়।

ইহা হাইপোথ্যালামাস দের ডোপামাইন ক্রিয়ায় বাধাদান করে ফলে প্রোল্যাকটিন রিলিজ ইনহিবিটিং হরমোন পিটুইটারী গ্ৰন্থি থেকে প্রোল্যাকটিন নিঃসরণ বৃদ্ধি করে। ইহা ইন্ট্রামাস্কুলার পথে ব্যবহার দশ থেকে কড়ি মিনিট মধ্যে ইহার ক্রিয়া শুরু করে।



ব্যবহার Usage 

• পেট ফাঁপা 

• পেটে ব্যথা বেদনা 

• বমি ভাব 

• হেঁচকি 

• ক্ষুধা মন্দা 

• পাকস্থলীর প্রদাহ 

• পেটের গোলমাল 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side effects 

• ক্লান্তি 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• ঘুম ভাব 

• মাথা ধরা 

• অঙ্গ চালনায় শিথিলতা 

• অস্থিরতা 

• স্তনের বিবৃদ্ধি

গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• অ্যালকোহল 

• ডাইগক্সিন 

• অ্যাসপিরিন 

• এথানল 

• ডায়াজিপাম 

• লেভাডোপা 

• প্যারাসিটামল 

প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে শরীরের মধ্যে ও বাইরে বিভিন্ন রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।



সাবধানতা অবলম্বনের Precautions 

• মৃগী রোগীদের এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• গর্ভবতী মহিলা এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

শিশুদের এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• স্তনের ক্যান্সার থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার করা চলবে না।

• আন্ত্রিক রক্তক্ষরণে এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।




How to use Amicin injection: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা অবলম্বনের

 

How to use Amicin injection

Amicin injection ভূমিকা 

অ্যামিকাসিন সাইকো ব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিসের উপর দারুন ভাবে সক্রিয়। ইহা শরীরের সকল প্রকার কলা কোষে এবং তরল অংশে যথা সেরিব্রোস্পাইন্যাল ফ্লুইড 

অ্যামনাইওটিক ফ্লুইড পেরিটোনিয়্যাল ফ্লুইড প্রভৃতি অংশে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। ইহা ক্যানামাইসিন এ হইতে সংযোগধনে প্রস্তুত করা হয়।

স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস সহ কিছু গ্ৰাম পজিটিভ বীজাণু যা পেনিসিলিয়ামে ধ্বংস হয় না। ইহা গ্ৰহণের চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে অপরিবর্তিত ভাবে মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়।

ইহা অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইড গ্ৰুপের একটি বীজাণু নাশক ঔষধ। অ্যামিকাসিন ইন্ট্রামাস্কুলার পথে ব্যবহার করার এক ঘণ্টার মধ্যে রক্ত রসের সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়।



ব্যবহার Uses 

• পেরিটোনাইটিস 

• রক্তদুষ্টি 

• চর্মের বীজাণু ঘটিত পীড়া 

• মেনিনজাইটিস 

• রক্তে ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি 

• পোড়া বা পোড়া জনিত ক্ষত

• অস্থি ও সন্ধির সংক্রমণ 

• পৌষ্টিক তন্ত্রের পীড়া 

• অ্যাকিউট ও ক্রনিক পীড়া 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side effects 

• হালকা জ্বর 

• বধিরতা 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• মাথা ধরা 

• হাত পা কাঁপা 

• প্রস্রাবে সেল 

• বমি ভাব 

• বমি 

• কান ভো ভো করা 

গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• এরিথ্রোমাইসিন 

• ফিনাইটোইন 

• অ্যামফোটারিসিন

• কার্বেনিসিলিন 

• ক্লোরোথায়াজাইড

• হেপারিন 

প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ঘটে ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।



সাবধানতা অবলম্বনের Precautions 

• স্তন্যদানকারী মাতারদের ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• এই ওষুধ অন্য কোন ঔষধ সাথে একত্রে মিশিয়ে পুশ করা চলবে না।

• অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইডে অ্যালার্জি থাকলে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• গর্ভবতী মহিলা এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• মূত্রাবরোধে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• শিশুদের ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• দশ থেকে বারো বছর শিশুদের এই ওষুধ ডাক্তারবাবুর পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়। 

অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 



How to use Garamycin Drops: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা অবলম্বনের

 

How to use Garamycin Drops

Garamycin Drops ভূমিকা 

তাছাড়া চোখের ও কানের ড্রপ ওষুধ যা বাহ্যিক ব্যবহার করা যায় এবং মলম যা চর্মে বাহ্যিক প্রয়োগ করা যায়। ইহা গ্ৰাম পজেটিভ ও গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণু দের উপর সক্রিয়।

এই ওষুধের বেশির ভাগ মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়। ইহা একটি বহুব্যাপক Borad Spectrum ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস কারী ওষুধ। তবে ইহা নেগেটিভ বীজাণুদের উপর অধিক সক্রিয়।

প্রোটিয়াস 

• ক্লেবসিয়েল্লা 

• এন্টারোব্যাকটার 

বীজাণু দের খুব দ্রুত ধ্বংস করতে সক্ষম। এই ওষুধ মলের মাধ্যমে নির্গত হয়। এই ওষুধ ইঞ্জেকশন মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করানো হয়।



ব্যবহার Usage 

• কর্ণ প্রদাহ 

• নিউমোনিয়া 

• কলেরা সহ সকল প্রকার আন্ত্রিক রোগ 

• মেনিনজাইটিস 

• ব্রঙ্কাইটিস 

• চোখের ঘা 

• কানে পুঁজ 

• ফোঁড়া 

• কার্বাঙ্কল 

• উদরাময় 

• অঞ্জলী 

• চর্মের বীজাণু ঘটিত সংক্রমণ 

• অস্থি ও সন্ধির সংক্রমণ 

ও অন্যান্য ক্ষতে বাহ্যিক প্রয়োগ করতে ব্যবহার করা চলে 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side effects 

• ঝিমুনি ভাব 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• অবসাদ 

• বমি ভাব 

• মাথা ঘোরা 

• মাথা ধরা 

• মূত্রে কাস্ট 

• চুল ওঠা 

• ক্ষুধা মন্দা 

• সন্ধির প্রদাহ 

• কান ভো ভো করা 

গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• হেপারিন 

• এথাক্রাইনিক অ্যাসিডের 

• এরিথ্রোমাইসিন 

সোডিয়াম বাই কার্বনেট 

• ফ্রুসেমাইড 

• পেনিসিলিন 

• ইন্ডোমেথাসিন 

• লিগলোকেন 

• হাইড্রোকর্টিসোন 

প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ঘটে ফলে বিভিন্ন রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।



সাবধানতা অবলম্বনের Precautions 

• পারকিন সোনিজম রোগীদের এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• শিশুদের এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

• স্নায়ুতন্ত্রের রোগ থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।

• গর্ভবতী মহিলা এই ওষুধ ব্যবহার করা চলবে না 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।





Cynomycin 100 Mg Capsule benefits: পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, ব্যবহার ও সাবধানতা অবলম্বনের

 

Cynomycin 100 Mg Capsule benefits

Cynomycin 100 Mg Capsule ভূমিকা 

এই ওষুধ পৌষ্টিক তন্ত্র থেকে দ্রুত এবং প্রায় সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়। ইহা অধিকাংশ গ্ৰাম পজটিভ এবং নেগেটিভ বীজাণুদের উপর সক্রিয়।

ইহা শরীরের সকল প্রকার তরল অংশে ও কলাকোষে বিস্তার লাভ করে। ইহা টেট্রাসাইক্লিন গ্ৰুপের একটি বীজাণু নাশক ঔষধ।

ট্রেপোলিমা প্যালিডাম 

• সিগেল্লা

• ডি নিউমোনিয়ী 

• মাইকোপ্লাজমা 

• এন্টারোব্যাকটার স্পেসিজ 

ইত্যাদি প্রভৃতিদের উপর সাইনোসাইক্লিন অধিক সক্রিয়।



ব্যবহার Uses 

• নিউমোনিয়া 

• চর্মের সংক্রমণ 

• ফুসফুসের ক্ষত 

• মূত্রনালীর প্রদাহ 

• মূত্রযন্ত্রের পীড়া 

• ব্রণ 

• কান

• চক্ষুর সংক্রমণ 

• ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস 

• নাক 

• গলার 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side Effects 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• মাথা ধরা 

• পেটের গন্ডগোল 

• দাঁতের রঙ 

• বমিভাব 

• ঘুম ভাব 

• বমি 

• মাথা ঘোরা 

• রক্ত কমে যাওয়া 

• আমবাত 

গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• হেপারিন 

• আয়রন 

• অ্যান্টাসিড 

• ইউরোকাইনেজ 

• ফেলাইটোইন 

• পেনিসিলিয়াম 

• ওয়ারফারিন 

• সোডিয়াম বাই কার্বনেট 

প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায় এবং কর্মক্ষমতা কমে যায়।



সাবধানতা অবলম্বনের 

• এই ওষুধ দ্বারা দীর্ঘদিন চিকিৎসা চালালে রক্তের স্বাভাবিক চিত্র 

গর্ভবতী মহিলা এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

• আট থেকে দশ বছরের নিচের শিশুদের ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

• টেট্রাসাইক্লিনে অ্যালার্জি থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

• মারাত্মক যকৃত পীড়ায় এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

• স্তন্যদানকারী মাতার এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।







How to use Lynx 500 Mg Capsule: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা অবলম্বন

 

How to use Lynx 500 Mg Capsule

Lynx 500 Mg Capsule ভূমিকা 

এছাড়া পিত্তরসের সাথে কিছু পরিমাণে নির্গত হয়ে থাকে। লিনকোমাইসিন খাবার ওষুধ পাকস্থলী থেকে দ্রুত এবং অধিক পরিমাণে শোষিত হয়।

এই ওষুধের মূত্রের সাথে দেহের বাইরে নির্গত হয়। ইহা ম্যাক্রলয়েডস গ্ৰুপের ব্যাকটেরিয়া নাশক ঔষধ। দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে ইহা রক্তরসে সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয় এবং মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়।

এই ওষুধ গ্ৰহণ করলে তা ত্রিরিশ মিনিট রক্তরসের সর্বোচ্চ মাত্রায় পরিলক্ষিত হয় এবং তা প্রায় চব্বিশ ঘণ্টা পর্যন্ত হয়।

শরীরের অধিকাংশ কলাকোষে এই ওষুধ বিস্তার লাভ করে। ইহা করিনি ব্যাকটেরিয়াম অ্যাকনিস প্রভৃতি বীজাণু দের উপর অধিক সক্রিয়।



ব্যবহার Usage 

• কুনখে 

• সাইনুসাইটিস 

• দূষিত ক্ষত 

• টনসিলাইটিস 

• ব্রঙ্কোনিউমোনিয়া 

• চর্মরোগ 

• রক্তদুষ্টি 

• ব্রণ 

• কানের সংক্রমণ 

• ডিপথেরিয়া 

• ব্রঙ্কাইটিস 

• হৃদঝিল্লীর প্রদাহ 

• নিউমোনিয়া 

• শ্বাসযন্ত্রের পীড়া 

• ফোঁড়া 

• জীবাণু সংক্রমণ 

প্রভৃতি আরো অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় ইত্যাদি।



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side Effects 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• বমি

• বমি ভাব 

• আমবাত 

• জিহ্বা ক্ষত 

• উদরাময় 

• মাথা ঘোরা 

• মাথা ধরা 

• প্রুরিটাস 

• মুখমন্ডলের ক্ষত 

• রক্তে নিউট্রোফিল কমে যায় 

গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• এরিথ্রোমাইসিন 

• ক্যালামাইসিন 

• কেওলিন

• নোভোমাইসিন 

• ক্লিন্ডামাইসিন

প্রভৃতির সাথে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।



 সাবধানতা অবলম্বনের Precautions 

• খুব বৃদ্ধদের এবং মূত্রবরোধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

• অ্যাজমা থাকলে ব্যবহার নিষিদ্ধ।

সদ্যোজাত শিশুদের এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

• জন্ডিসের রোগীদের ব্যবহার না করা ভালো 

গর্ভবতী মহিলা এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

• স্তন্যদানকারী মাতারদের এই ওষুধ ব্যবহার চলবে না 

• দশ থেকে পনেরো বছরের নিচের শিশুদের ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।