how to use Tongue Beneficial Uses in Bangali জিহ্বা উপকারী ও ব্যবহার কী

 


জিহ্বা পরীক্ষার মাধ্যমে বহু রোগ সম্বন্ধ ধারণা করা যায়। পরিষ্কার ও কোমল জিহ্বা সুস্থ দেহের পরিচালক। যেমন জ্বর পাকস্থলীর রোগ প্রভৃতি জিভ লাল হয়।

যকৃতের রোগ যেমন যেমন সিরোসিস বা জন্ডিস প্রকৃতির জিহ্বা হলুদ ভাব দেখায়। শরীরের রক্ত চলাচল ব্যাঘাত ঘটালে জিভ নীলচে হবে। জিভ সাদা আস্তরণ পড়লে বুঝতে হবে পরে পেটের গন্ডগোল গরহজম অপুষ্টি প্রভৃতি ঘটেছে। জিভ কালচে ভাব হওয়া মানে কোন বীজাণু সংক্রামণ জনিত রোগ হয়েছে বুঝতে হবে। লিভারের রোগ খুব বেড়ে গেলে জিভ কালচে ভাব হয়।

জিভে যদি পাতলা আবরণ পড়ে এবং কিনারা বরাবর লালভ ও খসখসে ভাব থাকে। তাহলে টাইফয়েড জ্বর বলে অনুমান করা হয়।

জিভের উপর ধূসর বর্ণের ময়লা ভাব জমে থাকলে পেটের রোগ কোষ্ঠকাঠিন্য সহ বিভিন্ন রোগের নির্দেশ পাওয়া যায়।

 জিভ একেবারে শুষ্ক ভাব হয়ে গেলে স্নায়ু গটিত পীড়া হয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়। ফ্যাকাসে রংয়ের জিভ রক্তশূন্যতার লক্ষণ প্রকাশ করে। ডিহাইড্রেশন হলে জিভ শুকনো এবং ফ্যাকাসে ভাব দেখায়।

জিভে ঘা বা উদ্ভিদ দেখা দিলে অপুষ্টি জনিত রোগব্যাধি আছে বলে সন্দেহ করা হয়। জিভের কিনারা বরাবর মসৃণ এবং এবং স‍্যাঁতস‍্যাতেঁ ভাব রোগের প্রকোপ কমে আসে বললে ধরা হয়।


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত।

How to use Roxithromycin Tablets in Bangali রক্সিথ্রোমাইসিন ট্যাবলেট ব্যবহার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সাবধানতা ঔষধের ব্র্যান্ডনেম

 

ইহা একটি বহুব্যাপক বীজাণু নাশক ঔষধ। ইহা সকল প্রকার গ্রাম পজিটিভ ও গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া দের উপর সক্রিয়। ইহা পৌষ্টিক তন্ত্র হইতে প্রায় সম্পূর্ণ রূপে শোষিত হয়। ইহা ১ ঘন্টার মধ্যে রক্তরসের সর্বোচ্চ মাত্রা পরিলক্ষিত হয়। এই রাসায়নিকের শ্বাসতন্ত্রের সকল অংশের চর্মে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। এছাড়া অন্যান্য কলা কোষের বিস্তার লাভ করে বিভিন্ন বীজাণু মনে সমর্থ হয়। ইহার অধিকাংশ টাই পরিবর্তিত এবং অপরিবর্তিত অবস্থায় মল এবং মূত্রের মাধ্যমে দেহের বাহিরে নির্গত হয়।

ব্যবহার 

নিউমোনিয়া অ্যাকিউট ও ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস ফুসফুসের ক্ষতসহ সকল প্রকার শ্বাসযন্ত্রের পীড়া মূত্রযন্ত্রের পীড়া রতিজ ব্যধিসমূহ নাক কান ও গলার সকল প্রকার রোগ চর্মের জীবাণু সংক্রমণ জনিত পীড়া প্রভৃতির ব্যবহার করা হয়।মেনিনগোকক্কাস ঘটিত মেনিনজাইটিসেও এই ঔষধ ব্যবহার করা হয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

বমিভাব বমি পেটে ব্যাথা উদরাময় চর্মে উদ্ভেদ প্রভৃতি হতে দেখা যায়। এছাড়া দুর্বলতা গা হাত পা ম্যাজ ম্যাজ করা ক্ষুধামন্দা পেটফাঁপা কোষ্ঠকাঠিন্য মুখে ঘা মাথাধরা কান ভো ভো করা মাথা ঘোরা প্রভৃতির হতে পারে।

লিভারের গন্ডগোল হতে পারে।

আন্তঃবিক্রিয়া

ডাইডাক্সিন টারফেনাডিন এরাটামিন ডাইসোপাইরামাইড প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে বিভিন্ন রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।

সাবধানতা

গর্ভবতী মহিলা স্তন্যদানকারী মাতা এবং সদ্যেজাত শিশুদের ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। খাদ্য গ্ৰহণের ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পূর্বে ঔষধ সেবন করা ভালো নতুবা ব্যাঘাত ঘটে। যকৃতের রোগের এই ঔষধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।

ঔষধের ব্র্যান্ডনেম

Roximol Roxyrol Roxithromycin ইত্যাদি

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

Lansoprazole Capsules 30 Mg Use In Bangali ল্যানসোপ্রাজল 30 মিলিগ্রাম

 

ইহা একটি পৌষ্টিক তন্ত্রের ক্ষত নিরাময়কারী। ইহা পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড ও অন্যান্য রসের ক্ষরণে বাধা দেয় এবং তাদের ক্ষরণ স্বাভাবিক করে। এই ঔষধ দ্ধারা পৌষ্টিক তন্ত্রের ক্ষতের নিরাময় ৭৫ থেকে ১০০ শতাংশ সম্ভব। এই ঔষধ ওমেপ্রাজোলের চেয়ে আরও কম সময়ে ক্ষত নিরাময় করে। ওমেপ্রাজোল গ্যাস্ট্রিক পেন ১১ দিনের মুক্ত করে সেখানে ল্যানসোপ্রাজোল ৬ দিনের রোগীকে বেদনা মুক্ত করে। যে সকল রোগীর পাকস্থলী  ক্ষত বা ডিওডেনামের ক্ষতে অন্নানালীর প্রদাহ এবং জোলিনজার এলিশন সিনড্রোম র‍্যা্যানিটিডিন বা ফ্যামোটিডিনে  নিরাময় হয়নি বা পুনরাক্রমণে ঘটছে তাঁদের ল্যানসোপ্রাজোন খুব ভালো কাজ দেয়। এই ঔষধ পাকস্থলী থেকে দ্রুত এবং প্রায় সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়। গ্ৰহনের ১½থেকে ২ ঘন্টার মধ্যে ইহা রক্তরসের সর্বোচ্চ মাত্রা উপস্থিত হয়।পাচিত অংশে মূত্রপথের এবং মলের সাথে নির্গত হয়।

ব্যবহার

ডিওডেনামের ক্ষতে পাকস্থলীর ক্ষতে অন্নবহানালীর ক্ষত জোলিনজার এলিশন সিনড্রোম পুরোনো ক্ষতরোগ অন্যান্য অ্যান্টিআলসার দ্ধারা চিকিৎসিত ও পুনরাক্রান্ত ক্ষত ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয়।

মাত্রা

ডিওডেনামের ক্ষতে ৩০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার সকালে খালি পেটে ১ মাস দিতে হবে। পাকস্থলী ক্ষতে ৩০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার সকালে খালি পেটে ২ মাস খেতে হবে। অন্নানালির প্রদাহ ৩০ মিগ্রা দিনে ১ বার খালি পেটে ২ থেকে ৩ মাস। অন্যান্য ঔষধের দ্বারা চিকিৎসিত এবং পুনরাক্রান্ত ক্ষতে ৩০ মিগ্রা ২ টি ক্যাপসুল একত্রে সকালে খালি পেটে ২ থেকে ৩ মাস খেতে হবে। জোলিনজার এলিশন সিনড্রোম ২থেকে৩ টি ক্যাপসুল একত্রে দিনে ২ বার অর্থাৎ ৪ থেকে ৬ টি ক্যাপসুল ১২০ থেকে ১৮০ মিগ্ৰা দেওয়া যাবে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

উদরাময় বমি ভাব পেটে ব্যথা কোষ্ঠ বদ্ধতা মাথা ধরা ঝিমুনি ভাব ক্লান্তি ঘুম ভাব নাক থেকে তরল সর্দির স্রাব কাশি গলায় ব্যাথা চর্মে উদ্ভিদের দুশ্চিন্তা পেশীর ব্যাথা পুরুষদের রতিশাক্তির হ্রাসপ্রাপ্তি প্রভৃতি হতে পারে।

আন্তঃবিক্রিয়া

প্রোপ্রানোলল ওয়ারফ্যারিন প্রেডনিসলোন ফিনাইটোইন থিওফাইলিন এথিনিল এস্ট্রাডিওল লেভোনরজেন্ট্রল প্রভৃতির সঙ্গে আন্তরিকরা ফলে কার্যক্ষমতা হ্রাস প্রাপ্তি ঘটে এবং বিভিন্ন প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।

সাধারণত

গর্ভাবস্থায় এই ঔষধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।স্তন্যদানকারী মাতা এবং সকল বয়সের শিশুদের এই ঔষধ ব্যবহার নিষিদ্ধ। পাকস্থলীর বা অন্ত্রের যে কোন অংশের ক্যানসার রোগ থাকলে এই ঔষধ ব্যবহার করা চলবে না।

ঔষধের ব্র্যান্ডনেম

Lan এবং Lanzol ইত্যাদি 

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

Stool And Urine uses in Bangali মল এবং মূত্র কী

 


মলের স্বাভাবিক রঙ হলুদ রঙের হয়। স্বাভাবিক মলত্যাগ বয়স্কদের দিনে ১ বার এবং শিশুদের ২ থেকে ৩ বার হতে থাকে। বৃদ্ধদের ২ থেকে ৩ দিন অন্তর ১ দিন মলত্যাগ ঘটে।

স্বাভাবিক রঙের সমস্যা পরিবর্তন কোন অশুভ লক্ষণ নয়। অন্যান্য রঙের মল কি কি রোগ নির্দেশ করে তারপরে আলোচনা করা হবে। স্বাভাবিক রঙ দেখলে মল পরীক্ষা করতে হবে।

 মূল খুব শুকনো বা শক্ত হলে কোষ্ঠকাঠিন্য নির্দেশ করে এবং তার লিভারের ও অন্যান্য পৌষ্টিকতন্ত্রের যন্ত্রাংশের গোলযোগ বলে ধরা হয়।

চালধোয়া জল বা ভাতের ফেনের মত পায়খানা কলেরা নির্দেশ করে।এতে আঁশটে গন্ধ থাকে। এবং মলত্যাগ অসাড়ে ঘটে। পাতলা মলত্যাগ উদরাময় নির্দেশ করে।

মূত্র

প্রস্রাবের স্বাভাবিক রং হালকা হলুদ হয়। মূত্রত্যাগ কালে কোন অসুবিধা না বুঝলে মূত্র যন্ত্রের কোন পীড়া নেই বলে ধরা হয়। স্বাভাবিক প্রস্রাবের কোন গন্ধ থাকে না। যদি কোন মানুষের ২৪ ঘন্টায় ৫ থেকে ৬ বার প্রস্রাব হয় এবং তার মোট পরিমাণ ১ থেকে ২ লিটারের মধ্যে হয় তাকে স্বাভাবিক প্রস্রাব ত্যাগ বলা যাবে। এর কম হলে রোগ লক্ষণ প্রকাশ করে আবার ৩ থেকে ৪ লিটার প্রস্রাব হলে তাও রোগ লক্ষণ প্রকাশ করে।
প্রস্রাব ঘন হলে বা অন্য রঙের হলে তা পরীক্ষা করতে হবে অন্য রঙের প্রেস্রাব বিভিন্ন রোগের নির্দেশ দেয়া তা পরিবর্তন অংশে আলোচনা করা যাবে।

Cervical Spondylosis Disease Description Disease Symptoms Adjunctive Treatment ঘাড়ের বাত রোগের বিবরণ রোগের কারণ লক্ষণ চিকিৎসা আনুষঙ্গিক চিকিৎসা


রোগের বিবরণ

Cervical vertebra  অর্থাৎ গ্ৰীবাদেশীয় কশেরুকার অপকর্ষ জনিত পরিবর্তন এবং ঐ অংশের চাকরিতে কন্টকযুক্ত বস্তুর গঠন যা পরিবর্তনকালে সংকীর্ণ গ্ৰীবাদেশীয় নালীসমূহের স্নায়ু উপাদানের আঘাত করে ফলে সমস্ত গ্ৰীবাদেশে আড়ষ্টভাব বা প্রদাহের সৃষ্টি হয় একেই Cervical Spondylosis বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র পেশী কলঙ্ক তন্ত্র এবং স্নায়ু তন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
 আক্রমণের বয়স ৪০ বছরের ঊর্ধ্বেই এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়। তবে তার নিচেও হতে পারে।
আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের চেয়ে পুরুষেরাই এই রোগ অধিক আক্রান্ত হন।

রোগের লক্ষণ

১ গলার সামনে ঝোকানো সম্ভব হয় না।
২ স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হলে মাথা ঘোরা হয়।
৩ মাথা ঝিমঝিম করে কান ভোঁ ভোঁ করে প্রভৃতি হতে পারে।
৪ দৃষ্টি শক্তির ক্ষীণতর প্রভৃতি হতে পারে।
৫ ঘাড়ের পিছনে দিকে ব্যাথা যন্ত্রনা হতে পারে।
৬ ক্রমশ এই যন্ত্রণা স্ক্যাপুলা ও বাহুতে বিস্তার লাভ করে।
৭ ঘাড়ের ব্যাথা নাও থাকতে পারে।
৮ ঘাড় নড়াতে বা ঘোরাতে প্রচন্ড কষ্ট হয়।
৯ সর্বাঙ্গে আড়ষ্ট ব্যাথা হতে পারে।

রোগের কারণ

চাকতি মধ্যের ফাঁকা স্থানের দূরত্ব কমে যাওয়া।ঠান্ডা লাগা উঁচু বালিশে শয়ন মাথায় অধিকক্ষণ হেলমেট ব্যবহার সুষুম্না রজ্জুতে রক্ত সরবরাহের ব্যাঘাত ঘটে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স অভাবে অধিক সময় যান বাহন চালানো প্রভৃতি থেকে এই রোগ হতে পারে।

চিকিৎসা

1 যেকোনো একটি যন্ত্রণা নাশোক ঔষধ দিতে হবে।
Tablet Voveran sr (ট্যাবলেট ভোভেরান এস আর)
১ টি করে দিনে ১ থেকে ২ বার খাবার পর খেতে হবে ৫ থেকে ৭ দিন
অথবা Tablets Nise 100 mg (ট্যাবলেট নাইস ১০০ মিগ্ৰা)
১ টি করে দিনে ১ থেকে ২ বার খাবার পর খেতে হবে ৫ থেকে ৭ দিন

2 ঘাড়ে মালিশ করার জন্য যেকোনো একটি ঔষধ ব্যবহার করতে হবে।
Naprosyc gel (ন্যাপ্রোসিন জেল)
প্রতিদিন ২ থেকে ৩ বার আক্রান্ত অংশে লাগাতে হবে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ ব্যায়ামাই হলো এই রোগের সর্বোচ্চ ভালো চিকিৎসা।
২ হালকা সহজপাচ্য খাদ্য খাওয়া একান্ত জরুরী।
৩ প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ অনুযায়ী কলার বা ট্রাকশন ব্যবহার করা দরকার।
৪ শক্ত চেয়ারে সোজা হয়ে বসতে হবে।
৫ পড়াশোনা সোজা ভাবে বসেই করতে হবে।
৬ ঠান্ডা লাগানো নিষিদ্ধ।
৭ গরম জলে স্নান করা খুবই উপকারী।
৮ পাতলা বালিশের বা বালিশ বিহীন বিছানায় শ্রেয়।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

How To Use Vitamin K Uses In Bangali এর ব্যবহার কাজ কী

 


ভিটামিন কে তিন প্রকার যথা ভিটামিন কে ১ বা ফাইটোমেনাডিওন। ভিটামিন কে ২ বা মেনাকুইনোন এবং ভিটামিন কে ৩ বা মেনাডিওন একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন খাদ্য কমপক্ষে ৫ মিগ্রা ভিটামিন কে থাকার প্রয়োজন।

উৎস পালং শাক লেটুস বাঁধাকপি টমেটো সয়াবিন ডিমের কুসুম প্রভৃতির ভিটামিন কে থাকে এছাড়া অন্যান্য সবুজ শাকসবজিতে ভিটামিন কে থাকে।

কাজ রক্তের প্রোপ্রম্বিন ও ফ্যাক্টর vii এর স্বাভাবিক মাত্রা বজায় রাখে যা স্বাভাবিক রক্ততঞ্চনে সাহায্য করে।

অভাবজনিত লক্ষণ ক্ষতস্থান বা কাঁটা অঙ্গ থেকে রক্তপাত শুরু হলে তা সহজে বন্ধ হতে চায় না। যকৃতের রোগ থাকলে রক্তক্ষরণ হয় যা সহজে কমতে চায় না। রক্ত চলাচলে ব্যথা ঘটে থাকে স্ত্রীলোকেদের অতিরজ হয়ে থাকে।


How To Use Vitamin E Capsule Use in Bangali ভিটামিন ই ক্যাপসুল খেলে কি হয়

 


ভিটামিন ঈ বা টোকো ফেরল তিন প্রকার যথা আলফা টোকোফেরল এবং বিটা টোকোফেরল এবং গামা টোকো ফেরল। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন খাদ্য কমপক্ষে ১২ থেকে ১৬ মিগ্ৰা ভিটামিন ঈ থাকার প্রয়োজন।

উৎস শস্যদানা থেকে উৎপন্ন বিভিন্ন প্রকার তেল সোয়াবিন তেল মাংস ডিম দুধ সকল প্রকার সবুজ শাকসবজি নারকেল কলা ঢেঁকি ছাঁটা চাল গম প্রভৃতির ভিটামিন ঈ প্রচুর পরিমাণে থাকে।

কাজ স্বাভাবিক প্রজনন ক্রিয়ায় সহায়তা করা মাংস পেশীর গঠনে এবং স্বাভাবিক সক্রিয়তা বজায় রাখতে সাহায্য করা গর্ভ বস্থায় ভ্রমণের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করা বন্ধ্যাত্ব মোচন করা প্রভৃতি এই ভিটামিনের কাজ।

অভাব জনিত লক্ষণ গর্ভধারণ না করায় বারংবর গর্ভপাত হওয়া বেশি দুর্বল হওয়া এবং তা থেকে হাতে ও পায়ে খিল ধরা স্তনে অর্বুদ হওয়া হৃদপিণ্ড ধমনী কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায়।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর পরামর্শ নেয়া উচিত