how to uses Fistula Symptoms uses in Bangali ভগন্দর রোগের কারণ

 

রোগের বিবরণ

মলদ্বারের এক মুখ বিশিষ্ট নালী ঘা অথবা মলদ্বারের চার ধারে ক্ষত সৃষ্টি হওয়াকে ভগন্দর বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র

প্রৌষ্টিকতন্ত্র ত্বক প্রভৃতি এই রোগের ফলে আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স সকল বয়সের এই রোগ হতে পারে।
আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের সমানভাবে এই রোগ হতে দেখা যায়।

রোগের কারণ

অর্শ রোগে দীর্ঘদিন ভোগা মলদ্বারে ফোঁড়া ও বিভিন্ন কারণে মলদ্বার ফেটে ক্ষত সৃষ্টি এবং তাতে বীজাণু ও সংক্রমণ প্রভৃতি থেকে এই রোগের সৃষ্টি হয়।

রোগের লক্ষণ

১ মলের সঙ্গে ও রক্ত মিশ্রিত পূঁজ  নির্গত হয়। 
২ মলদ্বারের স্ফিংক্টার পেশীর আক্ষেপ হতে দেখা যায়।
৩ জ্বর হতে পারে।
৪ মাথা ব্যাথা গায়ে হাত-পা ব্যথা প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায়।
৫ মলদ্বারে অথবা তার চারপাশে ক্ষত হয় যা সহজে সারতে চায় না।
৬ মলদ্বারের শেষকালে এই ঘা নালি ঘা বা শোথ হতে পারে।
৭ মলত্যাগ কালে মলদ্বারে ব্যাথা হয়।
৮ জ্বালা ও যন্ত্রণা অনুভূত হয়।
৯ একটানা অথবা থেকে থেকে পূঁজ ও রক্ত নিঃসরণ হতে থাকে।
১০ সেপটিক হয়ে গেলে ক্ষত নিরাময় দুঃসাধ্য হয়ে ওঠে।

চিকিৎসা

1 আক্রান্ত অংশের ২% মারকিউরোক্রোম লোশন লেগিয়ে শুকিয়ে নিতে হবে তারপরে নিচে যে কোন একটি মলম বাহ্যিক প্রয়োগ করতে হবে কিছুদিন।
Ointment- Pilex (অয়েন্টমেন্ট পাইলেক্স)
প্রতিদিন ২-৩ বার মলদ্বারের ভেতরে ও বাইরের লাগাতে হবে ২-৩ সপ্তাহে।
2 বীজাণু সংক্রমণ ঘটলে য়ে কোন একটি বীজাণুনাশক ঔষধ দিতে হবে।
Tab Erythrocin- 500 mg (ট্যাবলেট এরিথ্রোসিন)
১ টি করে দিনে ৩-৪ বার ৫-৭ দিন খেতে হবে।
3 মলত্যাগ যাতে স্বাভাবিক ও সহজসাধ্য হয় তার জন্য দিতে হবে।
Evacuol Granules ( ঈভাকিউল গ্ৰ্যানিউলেস)
২ চামচ করে গরম জলে মিশিয়ে সকাল ও সন্ধ্যায় খেতে হবে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

হালকা ও সহজপাচ্য খাদ্য খেতে হবে। সুসিদ্ধ ভাত বিভিন্ন প্রকার ডাল উচ্ছে করলা পটল মূলা ফলের রস কলা বেল সবুজ শাকসবজি প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে। মাংস না খাওয়াই ভালো। তেল ঝাল মসলাদার খাবার খাওয়া নিষিদ্ধ। অধিক পরিশ্রম সাইকেল মোটর সাইকেল এবং ঘোড়ার চাপা নিষিদ্ধ।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

Hernia Health And Medicine Trips Bangla (অন্ত্রবৃদ্ধি রোগের বিবরণ আক্রান্ত তন্ত্র রোগের কারণ রোগের লক্ষণ চিকিৎসা আনুষঙ্গিক চিকিৎসা)

 

রোগের বিবরণ

পেটের নারী অর্থাৎ তন্ত্র অন্ত্রবরক ঝিল্লিসহ বা ঝিল্লি ভেদ করে যদি কুঁচকির ছিদ্র পথে বা অগুকোষে নেমে যায় তাহলে ঐ অংশে প্রদাহ হতে থাকে এবং এই আবদ্ধ অবস্থায় বেশি দিন থাকলে পচন সুরু হতে পারে। ফলে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। একেই হার্নিয়া(Hernia) বা অন্ত্র বৃদ্ধি বলে। অনেক সময় অন্ত্র আপনা আপনি স্বস্থানে ফিরে আসে ফলে ব্যাথা যন্ত্রণা হতে হতে হঠাৎ ভালো হয়ে যায় একে ( Re Ducible Hernia) বলা হয়। আর যদি আপনাআপনি না ফিরে এসে আবদ্ধ হয়ে থাকে ফলে ব্যাথা যন্ত্রণা চলতেই থাকে একে বলে (Obstructed Hernia) বলে এতে চাপ বৃদ্ধি পেতে রক্ত চলাচলের ব্যাঘাতের ফলে অন্ত্রে পচন সৃষ্টি হয়। একে (Strangulated Hernia) বলে।

আক্রান্ত তন্ত্র

পৌষ্টিকতন্ত্র ত্বক প্রভৃতি এই রোগের ফলে আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স বয়স্কদেরই এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়।
আক্রান্ত লিঙ্গ পুরুষেরাই এই রোগে বেশি আক্রান্ত হন। মহিলারা খুবই কমই আক্রান্ত হয়।

রোগের কারণ

পেটে আঘাত লাগা ভারোত্তলন কোষ্ঠকাঠিন্য হেতু মলত্যাগ কালে অধিক কোঁথ  দেওয়া অতিরিক্ত পরিশ্রম করা অতিরিক্ত হাঁচি  বা কাশি হওয়া জোরে  চিৎকার  করা প্রভৃতি এই রোগের  সৃষ্টি হয়।

রোগের লক্ষণ

১ জ্বর হতে পারে।
২ অন্ত্র যে অংশে নেমে আসে সেই অংশ ফুলে ওঠে।
৩ এবং হাত দিয়ে চাপলে তা অনুভব করা যায়।
৪ পেট ফোলা পেটে ব্যাথা  হতে পারে।
৫ নাভির চারিপাশে সেঁটে ধরার ন্যায় যন্ত্রণা হতে থাকে।
৬ পেটে প্রচন্ড যন্ত্রণা এবং গা বমি বা বমি হয়।
৭ অত্যধিক যন্ত্রণা হলে রোগীর জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
৮ হেঁচকি হতে পারে।

চিকিৎসা

আক্রমণের প্রথম অবস্থায় রোগীকে মাতা নিচের দিকে রেখে চিৎ করে শোয়াতে  হবে। পা উঁচু করে তুলে ধরতে অন্ত্র নেমে স্বস্থানে ফিরে আসতে পারে। যদি অন্ত্র স্বস্থানে  ফিরে আসে তাহলে ঐ অবস্থায় পেটে চেপে বেঁধে দিতে হবে। তাহলে পুনরায় অন্ত্র বৃদ্ধি ঘটে না। কিন্তু Obstructed বা Strangulated হার্নিয়া হলে শীঘ্র অস্ত্রোপাচার করাই ভালো।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

আক্রমণ অবস্থায় ব্যথা জায়গায় গরম জল অথবা বরফ দ্বারা মালিশ করা ভালো। হালকা ও পুষ্টিকর খাদ্য খেতে হবে। কোষ্ঠ পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। কোমরের বেল্ট বাঁধলে অনেকটা সুফল পাওয়া যায়।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 


Lumbago Health And Medicine Trips Bangla (কটি বাত রোগের বিবরণ আক্রান্ত তন্ত্র রোগের কারণ রোগের লক্ষণ চিকিৎসা আনুষঙ্গিক চিকিৎসা)

 

রোগের বিবরণ

কোমরের পিছনদিকে কশেরুকার পার্শ্ববর্তী অংশের প্রদাহকে প্রতিবাদ বা লাম্বাগো বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র

কঙ্কলতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স ২৫ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়
আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা এবং পুরুষ সমান হারে এই রোগ আক্রান্ত হন।

রোগের কারণ

ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অভাব ঠান্ডা লাগা আঘাত লাগা পৌষ্টিকতন্ত্রের রোগ প্রভৃতি থেকে এই রোগ সৃষ্টি হয়।

রোগের লক্ষণ

১ নড়া চড়া ওঠা বসা উঁচুতে ওঠা উপুড় হওয়া প্রভৃতিতে যন্ত্রণা বৃদ্ধি ঘটে।
২ মাথা যন্ত্রণা হতে পারে।
৩ ঠান্ডা লাগালে রোগের বৃদ্ধি পায়।
৪ পায়ের অসাড়তা সৃষ্টি হতে পারে।
৫ পেটের নিচে দিক থেকে কোমর পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা হতে থাকে।
৬ আড়ষ্ট ব্যাথা হয় কোমরের ওদিকে এদিকে ঘোরানো কষ্টকর হয়।
৭ বিশ্রামে এবং মলত্যাগের পর যন্ত্রণার সামান্য উপশম ঘটে।
৮ ক্রমশঃ যন্ত্রণা পাছা ঊরু হাঁটু এবং পা পর্যন্ত বিস্তর লাভ করে।

 চিকিৎসা

1 যেকোনো একটি ব্যথার যন্ত্রণা নাশক ঔষধ দিতে হবে।
Tab Meftal forte (ট্যাবলেট মেফটাল ফোর্ট)
১ টি করে দিনে ২ বার খাবার পর খেতে হবে ৫ দিন।
অথবা Tab Ibugesic -  MR (ট্যাবলেট আইবুজেসিক- এম-আর)
১ টি করে দিনে ৩ বার খাবার পর খেতে হবে ৫-৭ দিন।
2 যেকোনো একটি মালিশ ব্যবহার করা ভালো।
Dicloran- gel (ডাইক্লোর‍্যান জেল)
প্রতিদিন ২-৩ বার কোমরের মালিশ করে গরম সেঁক দিতে হবে।
অথবা Myolaxin-D Ointment (মাইওল্যাক্সিন - ডি অয়েন্টমেন্ট)
প্রতিদিন ২-৩ বার কোমরের মালিশ করতে হবে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ ঠান্ডা লাগানো নিষিদ্ধ।
২ অধিক পরিশ্রম ভারী জিনিস তোলা বা বহন করা নিষিদ্ধ।
৩ হালকা ব্যায়াম ও ফিজিওথেরাপি খুবই উপকারী।
৪ রোগীর পায়খানা পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।
 পেটের গোলযোগ থাকলে তার চিকিৎসা করতে হবে।
৫ পুষ্টিকর এবং হালকা সহজপাচ্য খাদ্য খেতে হবে।
৬ মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য নেশার বস্তু ত্যাগ করতে হবে।
৭ কিছুদিন রোগীকে শক্ত বিছানায় শোয়ানো দরকার।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

Gout Health And Medicine Trips Bangla ( গেঁটে বাত রোগের বিবরণ আক্রান্ত তন্ত্র রোগের কারণ রোগের লক্ষণ চিকিৎসা আনুষঙ্গিক চিকিৎসা)

 

রোগের বিবরণ

সন্ধি অস্থি ও চামড়ার নিচে ইউরেট দানা জমার দরুন প্রদাহের সৃষ্টি এবং ক্রমশঃ তা সন্ধি বাতে পরিণত হয় বা পুরঃ পুরঃ অ্যাকিউট আক্রমণ ঘটায়।

আক্রান্ত তন্ত্র 

কঙ্কালতন্ত্র অন্তঃক্ষরা তন্ত্র বিপাকতন্ত্র মূত্রযনন্ত্র প্রভৃতি এই রোগের ফলে আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স ৩০ থেকে ৬০ বছর মধ্যে এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়।
আক্রমণের লিঙ্গ মহিলাদের তুলনা পুরুষেরা এই রোগ ২০ গুণ বেশি আক্রান্ত হন।

রোগের কারণ

রক্তের ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ দারুনভাবে বেড়ে যাওয়ার লেড পয়জনিং জন্মগত বিপাক ক্রিয়ার ত্রুটি  পুষ্টিকতন্ত্রের রোগের দীর্ঘদিন ভোগা পরিশ্রম না করা প্রভৃতি থেকে সন্ধি গুলিতে ইউরেট অব সোডিয়াম সঞ্চিত হয় ফলে এই রোগ হয়।

রোগের লক্ষণ

১ হঠাৎ দেহের সমস্ত ছোট বড় সন্ধিগুলিতে যন্ত্রণা হতে থাকে।
২ পুনরায় আক্রমণ ঘটলে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়।
৩ চামড়ার উপর ছোট গুটিকা হতে দেখা যায়। এ থেকে ক্রিমের ন্যায় ক্ষরণ হয়।
৪ হাত ও পায়ের আঙ্গুলের গাঁট গুলি ফোলে এবং লালভ হয়।
৫ বড় সন্ধিগুলি ও ফোলে এবং নড়াচড়া করলে ব্যাথা যন্ত্রণা অনুভূত হয়।
৬ দুইদিন থেকে দু সপ্তাহ ব্যাথা যন্ত্রণা চলতে থাকে পরে তা কমে যায়। এবং কিছুদিন পর পুনরায় আক্রমণ ঘটে।
৭ জ্বর শীতভাব হাত-পা ঝিম ঝিম করা প্রভৃতি হতে থাকে।
৮ কিডনিতে পাথর হতে পারে।

চিকিৎসা

1 অ্যাকিউট অবস্থায় যেকোনো একটি ঔষধ ব্যবহার করতে হবে।
Tab Algesin (ট্যাবলেট অ্যালজেসিন)
১ টি করে দিনে ২ বার খাবার পর খেতে হবে ৫ দিন।
অথবা Ointment Dolomed (অয়েন্টমেন্ট ডলোমেড)
প্রতিদিন ২ থেকে ৩ বার আক্রান্ত অংশে মালিশ করতে হবে।
2ক্রনিক রোগের চিকিৎসা নিম্নরূপ হবে।
Tab Allgoric 100 mg (ট্যাবলেট অ্যালগোরিক ১০০ মিগ্ৰা)
১ টি করে দিনে ২-৩ বার যতদিন ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা স্বাভাবিক হয়।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ ঠান্ডা লাগানো নিষিদ্ধ। আক্রান্ত অংশগুলিতে গরম সেঁক দেওয়া ভালো।
২ সমুদ্র স্নান ভালো ফল দেয়।
৩ শস্যদানা ডিম মিষ্টি রুটি স্যালিসাইলেট  জাতীয় ঔষধ প্রভৃতি নিষিদ্ধ।
৪ ফ্যাট জাতীয় খাবার কম খেতে হবে। মাছ মাংস মাদকদ্রব্য প্রভৃতি কম খেতে হবে।
৫ মূত্রকারক ( Diuretics) ঔষধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।
৬ পাতলা দুধ ফলের রস মধু চারা মাছ খাওয়া ভালো।
৭ গরম উষ্ণ পানির কড়া চা ও গাঁদাল পাতায় রস একত্রে বীট গাজর প্রভৃতি খাওয়া চলবে।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

Dysmenorrhoea Health And Medicine Trips Bangla (বাধক রোগের বিবরণ আক্রান্ত তন্ত্র রোগের কারণ রোগের লক্ষণ চিকিৎসা আনুষঙ্গিক চিকিৎসা)


রোগের বিবরণ

স্ত্রী লোকের ঋতুকালীন সময়ের বস্তি প্রদেশে প্রদাহ হওয়াকে বাধক বা Dysmenorrhoea বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র

কেবলমাত্র জননতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স ১৩ থেকে ১৪ বছর থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়।
কেবলমাত্র মহিলারাই এই রোগ আক্রান্ত হন।

রোগের কারণ

হর্মোনের স্বল্পতা জন্ম থেকে জননতন্ত্রের গঠনগত ত্রুটি থাকার জরায়ু সহ সমগ্র জননতন্ত্রের অপূর্ণতা রক্তাল্পতা অত্যধিক পরিশ্রম প্রভৃতি কারণে এই রোগের সৃষ্টি হয়।

 রোগের লক্ষণ

১ ঋতুর সময়ে মেয়েদের তলপেট কোমর পিঠের নিচের অংশ মেরুদন্ড প্রভৃতি অংশের দারুণভাবে যন্ত্রণা হতে থাকে।
২ ঋতুস্রাব খুব কম হয়।
৩ এক সময় যন্ত্রণার তীব্রতার হয়ে ওঠে ফলে রোগীনী  যন্ত্রণার ছটফট করতে থাকে। প্রথম দিন যন্ত্রণা কম হয় তবে দ্বিতীয় দিন ও তৃতীয় দিন যন্ত্রণা বেশি হয়। চতুর্থ দিন থেকে যন্ত্রণা কমতে শুরু করে।
৪ যন্ত্রণা নাশক ঔষধ খেলে সে বারের মতো কমে যায় কিন্তু পরে ঋতুচকের পুনরাবৃত্তি ঘটে।
৫ ঋতু শুরুর ২ দিন আগে থেকে পা দুটিতে এবং ঊরুতে ব্যাথা যন্ত্রণা শুরু হতে থাকে।
৬ ঋতু চলাকালীন অলস্যভাব গা হাত পা ম্যাজ ম্যাজ করা মাথা ধরা বুক ধড়ফড় করা মাথা ঘোরা গা বমি ভাব অক্ষুধা প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায়।

চিকিৎসা

1 ঋতু চলাকালীন ব্যাথা যন্ত্রণা নাশক নিচের যেকোনো একটি ঔষধ খেতে দিতে হবে।
Tab Meftal Spas ট্যাবলেট মেফটাল স্প্যাস)
১ টি করে দিনে ২-৩ বার প্রয়োজন অনুযায়ী ৩-৪ দিন খেতে হবে।
2 হর্মোনের গোলযোগ বা জননতন্ত্রের অপরিণতি থেকে এই সমস্যার সৃষ্টি হলে নিচে যে কোন টি ঔষধ ভালো ফল পাওয়া যায়
Tab Ovral- L (ট্যাবলেট ওভরাল এল )
ঋতুচকের পঞ্চম দিন থেকে শুরু করে প্রত্যহ ১ টি করে খেতে হবে ২১ দিন এগুলি পরস্পর ৩ থেকে ৪ টি ঋতু চক্র চালাতে হবে।
অথবা Tab Ovral-G (ট্যাবলেট ওভরাল জি )
ঋতুচক্রের পঞ্চম দিন থেকে শুরু করে প্রত্যহ ১ টি করে খেতে হবে ২০ দিন
 3 অপুষ্টি রক্তল্পতা জরায়ুর অপূর্ণতা প্রভৃতি দূর করতে নিচের ঔষধ দিতে হবে।
Syrup Cheri (সিরাপ চেরি)
৩ চামচ করে দিনে ১-২ বার খাবার পর খেতে হবে ১-২ মাস
অথবা Syrup Hemact (সিরাপ হিম্যাক্ট)

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ ঠান্ডা খাদ্য খাওয়া নিষিদ্ধ। গরম পানির খাওয়া এবং তলপেটে গরম সেঁক দেওয়া ভালো।
২ বিবাহিত মহিলাদের গর্ভধারণের উপদেশ দেওয়া ভালো। কারণ একটি সন্তান প্রসবের পর এই রোগ সচরাচর থাকে না।
৩ হালকা ব্যায়াম ও মুক্ত বাতাসের ভ্রমণ এই রোগে পক্ষে উপকারী।
৪ হালকা সহজপাচ্য অথচ পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়া দরকার।


এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 


Metronidazole Health And Medicine Trips Bangla ( মেট্রোনাইডাজোল ব্যবহার মাত্রা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আন্তঃবিক্রিয়া সাবধানতা ঔষধের ব্র্যান্ডনেম)


ইহা একটি প্রটোজোয়া এবং ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী ঔষধ।ইহা এন্টামিবা হিস্টোলাইটিকা ( Entamoeba Histolytica) জিয়ার্ডিয়া ল্যাম্বলিয়া (Giardia Lamblia) ট্রাইকোমনাস স্পেসিজ (Trichomonas spp) প্রভৃতি প্রোটোজোয়া এবং অ্যানায়রোবিক কক্কি ফিউসোব্যাকটেরিয়াম স্পেসিজ ক্লসট্রিডিয়াম স্পেসিজ ও গার্ডেনেরেল্লা ভ্যাজাইনালিস প্রভৃতি ব্যাকটেরিয়াদের উপর সক্রিয়। ইহা পৌষ্টিকতন্ত্র থেকে সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয় এবং তা লিভারের পাচিত হয়। ইহার ৮০% এর উপর  মূত্রপথে নির্গত হয় এবং বাকি অংশ মালের সাথে নির্গত হয়।

ব্যবহার

অ্যামিবাঘটিত আমাশয় জিয়ার্ডিয়া টাইকোমনা বীজাণু সংক্রমণঘটিত যোনি প্রদাহ পেলভিক প্রদাহ মলাশয় ও পেলভিক অংশের অস্ত্রোপচারজনিত সংক্রমণ অ্যাপেনডেকটমি মস্তিষ্ক ও ফুসফুসের ক্ষত মুখগহ্বরের ক্ষত ও তদজনিত প্রদাহ দাঁতের গোড়ায় সংক্রমণ প্রভৃতি ব্যবহার করা হয়।

মাত্রা

অ্যামিবাঘটিত আমাশয় বয়স্কদের ৪০০ মিগ্ৰা ট্যাবলেট দিনে ৩ বার ৭ দিন। খাবার পর খেতে হবে। শিশুদের ২ বছরের নিচে ৫০-১০০ মিগ্ৰা দিনে ৩ বার ৭ দিন খাওয়ার পর দেওয়া যায়। ২ বছরের উপরে শিশুদের ২০০ মিগ্রা  করে দিনে ৩ বার ৭ দিন খাওয়ার পর দেওয়া যায়।
জিয়ার্ডিয়াসিসে বয়স্কদের ২০০ মিগ্ৰা দিনে ৩ বার ৫ দিন।
শিশুদের ১-৩ বছর ৫০ মিগ্ৰা ৩-১০ বছর ১০০ মিগ্ৰা দিনে ৩ বার ৫ দিন খাবার পর দিতে হবে।
ট্রাইকোমনা বীজাণু সংক্রমণ হলে ২০০ মিগ্ৰা দিনে ২-৩ বার ৭ দিন খেতে দিতে হবে।
লিভারের ক্ষতে ৪০০ মিগ্ৰা দিনে ৩ বার ৫  দিন দিতে হয়।
মুখগহ্বরের ক্ষত এবং দাঁতের সংক্রমনে (Infection,) ২০০ মিগ্ৰা দিনে ৩ বার ৩ দিন দিতে হবে। রোগ সারতে না চাইলে সকল ক্ষেত্রেই ২ সপ্তাহ বাদ দিয়ে পুনরায় একই মাত্রায় এই ঔষধ ব্যবহার করতে হবে।
অস্ত্রোপচারের পূর্বে ব্যবহার করতে হলে ৫ টি, ৪০০ মিগ্ৰা  ট্যাবলেট একত্রে ১ বার দিতে হয় পরে ২০০ মিগ্রা দিনে ৩ বার করে চালাতে হয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

মারাত্মক প্রতিক্রিয়া হয় না। মুখে অস্বস্তিকর তিক্ত আস্বাদ জিহ্বা লেপাবৃত হওয়া বমি বমিভাব পেটের গোলমাল আমবাত ঘুমভাব মাথা ঘোরা মাথা ধরা মাথা যন্ত্রণা চর্মে উদ্ভেদ ঘোলাটে প্রস্রাব প্রুরিটাস পেশীর শিথিলতা প্রভৃতি হতে পারে।

আন্তঃবিক্রিয়া

অ্যালকোহল সিমেটিডিন ফেনোবারবিটোন ডাইসালফিরাম প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া হয় ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।

সাধারণতা

থাইরয়েড গ্রন্থির রোগ স্নায়ুপীড়া প্রভৃতিতে মেট্রোনাইডাজোল ব্যবহার নিষিদ্ধ। গর্ভবতী মহিলা এবং স্তন্যদানকারী মহিলাদের জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ব্যবহার করতে নেই।

ঔষধের ব্র্যান্ডনেম

Flaghl Metroghl ইত্যাদি 

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

Otorrhoea Health And Medicine Trips Bangla (কানে পূঁজ রোগের বিবরণ রোগের কারণ আক্রান্ত তন্ত্র রোগের লক্ষণ চিকিৎসা

রোগের বিবরণ

মধ‍্যকর্ণ ও অন্তঃকর্ণে জীবাণু দূষণ হয়ে কান দিয়ে শ্লেষ্মাবৎ স্রাব নির্গত হওয়াকে পূঁজ বা Otorrhoea বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র

শ্রবণ যন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স যেকোনো বয়সেই এই রোগ হতে পারে।
আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের এই রোগ একটু বেশি আক্রান্ত হতে দেখা যায়।

রোগের কারণ

কানের বাইরের রোগের সুচিকিৎসা না হলে বীজাণু বা ছত্রাক অন্তঃকর্ণকে আক্রমণ করে এই রোগ ঘটায়। কানে  জল ঢোকা মারাত্মক সর্দিতে ভোগা। ইউস্টেকিয়ান নালীর
গোলযোগ প্রভৃতি এই রোগ সৃষ্টির সহায়ক।

রোগের লক্ষণ

১ সর্বদা কান থেকে দুর্গন্ধযুক্ত পাতলা গাঢ় পুঁজ নির্গত হতে থাকে।
২ কানে প্রচণ্ড ব্যাথা থাকে। মাথা যন্ত্রণা হয়।
৩ কানে কম শোনা বা একেবারে না শোনার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়ে যায়।
৪ জ্বর হতে পারে। নাক দিয়ে সর্দি ঝরতে পারে।
৫ ওজন হ্রাস পাওয়া বা স্বস্থ্য ভেঙে যাওয়ার  লক্ষণ প্রকাশ পায়।
৬ মাথা ঘোরা এবং আক্রান্ত অংশের দিকে মাথা ভারী হওয়ার লক্ষ্য করা যায়।

চিকিৎসা

1 যে কোনো একটি জীবাণু নাশক ঔষধ মুখে খেতে দিতে হবে।
Tab Augmentin 625 mg (ট্যাবলেট অগমেনটিন ৬২৫ মিগ্ৰা)
১ টি করে দিনে ২-৩ বার খাবার পর দিতে হবে ৫-৭ দিন।
অথবা Tab Clavam 625 mg (ট্যাবলেট ক্লাভাম ৬২৫ মিগ্ৰা)
১ টি করে দিনে ২-৩ বার খাবার পর খেতে হবে ৫-৭ দিন

2 যেকোনো একটি বাহ্যিক প্রয়োগের ড্রপ ঔষধ ব্যবহার করতে হবে।
Drops Neosporin H- Ear (নিওসপোরিন এইচ সি ইয়ার ড্রপস্) 
২-৩ ফোঁটা করে দিনে ৩-৪ বার করে আক্রান্ত কানে লাগাতে হবে।
অথবা Otek-AC Ear Drops (ওটেক এসি ইয়ার ড্রপস্)
২-৩ ফোঁটা করে দিনে ৩-৪ বার করে আক্রান্ত কানে লাগাতে হবে।
3 যে কোনো একটি অ্যানালজেসিক ডেকনজেসট্যান্ট ঔষধ দিতে হবে
Tab Actifed Plus (ট্যাবলেট অ্যাক্টিফেড প্লাস)
১ টি করে দিনে ২-৩ বার ৫-৭ দিন খাবার পর খেতে হবে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 কানের গোড়ায় গরম সেঁক দেওয়া ভালো। নদীতে পুকুরে ডুব দেওয়া একেবারেই নিষিদ্ধ। মাঝে মাঝে কান পরিষ্কার করতে হবে। জটিল পরিস্থিতিতে সৃষ্টি হলে EN T স্পেশালিস্ট এর পরামর্শ নিয়ে Mastoid Surgery করতে হবে।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত।