Haw to use Dexamethasone Tablet uses in Bangali ডেক্সামেথাসোন এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস


সংক্ষিপ্ত বর্ণনা 

 ইহা একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন গ্লকোকর্টিকয়েড ঔষধ। ইহা তিক্ত আস্বাদ বিশিষ্ট গন্ধহীন। ইহা পৌষ্টিক তন্ত্র থেকে ক্যালসিয়ামের শোষণকে নিয়ন্ত্রণ করে।গ্ৰোথ হরমোন নিঃসরণকে নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়া প্লাজমা অর্থাৎ রক্তরসে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করে।এই ঔষধ রং রক্তের লোহিত কণিকার সংখ্যা বাড়ায় নিউট্রোফিল বাড়ায় লিম্ফোসাইট ও ইওসিনোফিলের মাত্রা কমায়। এই ঔষধ পৌষ্টিক তন্ত্র থেকে দ্রুত শোষিত হয়।গ্ৰহনের ১ থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যে রক্তরসের সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয় এবং ক্রিয়া শুরু করে।এর ক্রিয়া ৩ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়। ফলে য়ে কোন মারাত্মক পরিস্থিতিতে পুশ করার কিছু ক্ষণের মধ্যেই তার ক্রিয়া শুরু হয় এবং পরিস্থিতিতে দ্রুত রোগীর পক্ষে ফিরিয়ে দেয়। এই ঔষধ সচরাচর যকৃতের এবং কিডনিতে কিছু পাচিত হয়। এই ঔষধের অধিকাংশ টাই মূত্রের পথে নির্গত হয়।

ব্যবহার

হাঁপানি অনুভূতি শক্তির আধিক্যজনিত বিক্রিয়ায় শিরার মাধ্যমে যে কোন তরল অথবা রক্ত প্রদান কালে প্রতিক্রিয়া প্রবল জ্বর টাইফয়েড মেনিনজাইটিস ডিপথেরিয়া হৃৎপিণ্ডের বিকলতায় আর্থাইটিস অস্থির প্রদাহ সংযোজক কলার প্রদাহ পেশীর প্রদাহ কীট পতঙ্গের কামড়ানি থেকে বিষক্রিয়া সাপের দংশন রক্তের রোগ চক্ষুঃস্নায়ুর প্রদাহ সকল প্রকার চর্মপীড়া লিউকেমিয়া প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

রক্তের শর্করা বৃদ্ধি পাকস্থলীর ক্ষত থেকে রক্তপাত হাড় ফোঁপরা হওয়া ক্ষুধা বৃদ্ধি ক্ষত নিরাময়ে ব্যাঘাত ঘটা দুর্বলতা চক্ষুর ছানি মুখে তিক্ত আস্বাদ স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া ব্রণ মেয়েদের ঋতুর গোলযোগ গায়ে লোম গজানো গায়ে কালশিরা পড়া প্রভৃতি হতে পারে।

আন্তঃবিক্রিয়া

ফেনাইটোইন ফেনোবারবিটোন এফিড্রিন রিফামপিসিন ম্যাগনেশিয়াম ট্রাইসিলিকেট স্যালিসাইলেট প্রভৃতির সাথে আন্তঃবিক্রিয়ার ফলে কর্ম ক্ষমতা কমে যায় এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।

সাবধানতা

মৃগীরোগ উচ্চ রক্তচাপ ঝাপসা দৃষ্টিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ। যকৃতের রোগ এবং অতিবৃদ্ধদের ব্যবহার নিষিদ্ধ।মূত্রাবরোধ ডায়াবিটিস মেলিটাস হাড়ের রোগ যক্ষ্মারোগে ব্যবহার চলবে না। গর্ভাবস্থায় মহিলা স্তন্যদানকারী মাতা ব্যবহার নিষিদ্ধ।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমে সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

Prednisolone Tablets Uses In Bangali প্রেডনিসোলন এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস

 

সংক্ষিপ্ত 

ইহা একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন গ্লকোকর্টিকয়েড। ইহা কর্ম ক্ষমতা দীর্ঘসময় থাকে না এবং পিটুইটারীর নিঃসরণের উপর কোন প্রভাব ফেলে না।ইহা প্রদাহ নিবারণী ক্ষমতা যথেষ্ট। ইহা পৌষ্টিকতন্ত্র থেকে দ্রুত এবং সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়। এই ঔষধ গ্রহণের ২ দিন পর্যন্ত ক্রিয়াশীল থাকে। ইহা অধিকাংশ টাই মূত্রের পথে নির্গত হয়।

ব্যবহার

সকল প্রকার বাত ব্যাধি রিউম্যাটিক হৃৎপিণ্ডের সমস্যা পোলিও সোরিয়াসিস একজিমা সহ সকল প্রকার ক্রনিক চর্মরোগ ব্রঙ্কিয়াল অ্যজমা ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া জনিত চর্মের উদ্ভেদ নির্গম সিরাম ব্যবহার জনিত প্রতিক্রিয়া বিষক্রিয়া কীট পতঙ্গের দংশন চক্ষুর বিভিন্ন সমস্যা ফুসফুসের প্রদাহ অ্যানিমিয়া সহ রক্তের অন্যান্য রোগ লিউকোমিয়া ক্ষতিকর ও বৃহদান্ত্র প্রদাহ হৃদপিন্ডের জরুরী সমস্যা প্রভৃতির ব্যবহার করা হয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

মুখের ফোলা ভাব রোগ ভাব হওয়া ক্ষত নিরাময়ে ব্যাঘাত ঘটা। রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া বেশি দুর্বলতা হাড় ফোঁপরা হওয়া পাকস্থলীর ক্ষত থেকে রক্তপাত অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ গায়ের লোম গজানো ঘাম বেশি হওয়া। মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা। মেয়েদের ঋতুর গোলযোগ শিশুদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া রক্তের শর্করা বৃদ্ধি পাওয়া ঝাপসা দৃষ্টি চক্ষুতে ছানি প্রভৃতি হতে পারে।

আন্তঃবিক্রিয়া

ফিনাইটোইন রিফামপিসিন মৌখিক গর্ভনিরোধক ট্যাবলেট অ্যান্টাসিড স্যালিসাইলেট ইনসুলিন প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া হয় ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।

সাবধানতা

পেপটিক আলসার ঝাপসা দৃষ্টি মানসিক রোগগ্ৰস্ত ফোঁপরা হাড় উচ্চ রক্তচাপ কার্ডিয়াক ফেলিওর মূত্রস্বল্পতা গর্ভবতী মহিলা স্তন্যদানকারী মাতাকে শিশুদের কিশোর ভাইরাস ঘটিত রোগের প্রতিষেধক গ্ৰহণের পর সদ্য সংক্রামিত রোগে ব্যবহার নিষিদ্ধ।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমে সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

Betamethasone Tablets Uses In Bangali বেটামেথাসোন ট্যাবলেট ব্যবহার

 

সংক্ষিপ্ত

ইহা প্রেডনিসলোন থেকে উদ্ভুত ঔষধ। ইহা প্রেডনিসলোনের চেয়ে ১০ গুন অধিক ক্ষমতা সম্পন্ন। ইহা প্রদাহ নিবারণী ক্ষমতা বিদ্যমান। ইহা পৌষ্টির তন্ত্র থেকে দ্রুত এবং প্রায় সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়ে যায়। গ্ৰহনে ১ থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যে সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। ইন্ট্রামাস্কুলার বা ইন্ট্রাভেনাস পথে ব্যবহার করলে আরও দ্রুত ক্রিয়াশীল হয়। ইহা কর্ম ক্ষমতা ৩ দিনের অধিক স্থায়ী হয়। ইহা যকৃতে পাচিত হয় এবং অধিকাংশ টাই মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়।

ব্যবহার

সকল প্রকার বাতব্যাধি অ্যাজমা ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড বা রক্তদানজনিত কারণে প্রতিক্রিয়া ঔষধ বা সিরাপ থেকে প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন প্রকার বিষক্রিয়া একজিমা আম্বাত ড্রাগ ঈরাপশন সংস্পর্শ জনিত চর্মরোগ চক্ষুর বিভিন্ন রোগ সকল প্রকার রোগের জটিল অবস্থায় জীবন সংশয় দেখা দিলে যে সমস্ত রোগের স্টেরয়েড ব্যবহার চলে না সেখানে বেটামেথাসোন দেওয়া যায়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

পেশির দুর্বলতা পেপটির আলসার থেকে রক্তপাত পেটের অস্বস্তি ভাব গায়ে কালশিরা পড়া মাথা ধরা গায়ের লোম গজানো স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া ব্রণ মেয়েদের ঋতু গোলযোগ বেশিদিন ব্যবহার চক্ষুতে ছানি পড়া ক্ষত নিরাময়ে ব্যাঘাত ঘটা রক্তে শর্করা বৃদ্ধি পাওয়া প্রভৃতি হতে পারে।

আন্তঃবিক্রিয়া

ফেনাইটোইন ফেনোবারবিটোন এফিড্রিন রিফামপিসিন ম্যাগনেশিয়াম ট্রাইসিলিকেট স্যালিসাইলেট প্রভৃতির সাথে আন্তঃবিক্রিয়ার ফলে কর্ম ক্ষমতা কমে যায় এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।

সাবধানতা

মৃগীরোগে উচ্চ রক্তচাপ ঝাপসা দৃষ্টিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ।
যকৃতের রোগ এবং অতিবৃদ্ধদের ব্যবহার নিষিদ্ধ।
ছত্রাক সংক্রমণ ডায়াবিটেস মেলিটাস ফোঁপড়া হাড় পৌষ্টিক তন্ত্রের ক্ষত হার্ট ফেলিওর প্রভৃতির ব্যবহার নিষিদ্ধ।অতিবৃদ্ধ গর্ভবতী মহিলা ও স্তন্যদানকারী মাতাকে এই ঔষধ না দেওয়াই ভাল।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করে।

Ulcerative Colitis Symptoms And Causes Use in bangali আলসারেটিভ কোলাইটিস রোগের লক্ষণ



 বিবরণ

বিভিন্ন কারণে কোলন অর্থাৎ সিকাম ও রেকটামের মধ্যবর্তী বৃহদান্ত্রের অংশের ক্ষতের সৃষ্টি হয়ে তা প্রদাহিত হতে থাকে এবং বিভিন্ন উপসর্গের সৃষ্টি করে একেই আলসারেটিভ কোলাইটিস বলা হয়।
পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স ২০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়।
আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা এবং পুরুষ উভয়ের সমান হারে এই রোগ হতে দেখা যায়।
শতকরা ১০ থেকে ১২ জন রোগীর মধ্যে বংশগত কারণ থাকে।

রোগের কারণ

সঠিক কারণ অজানা। তবে এটি কোন বীজাণু সংক্রমণ জনিত রোগ নয়। মল পরীক্ষা বা আক্রান্ত অংশের পরীক্ষার কোন বীজাণুর সন্ধান পাওয়া যায় না। বংশগত কারণ ও মানসিক কারণ অত্যধিক ঔষধ যেসব প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বলতা হওয়ার প্রভৃতি থেকে এই রোগ হতে পারে বলে অনুমান করা হয়।

লক্ষণ

১ পাতলা পায়খানা দারুন ভাবে বাড়তে থাকে।
২ এমনকি ডিহাইড্রেশন পর্যন্ত হতে পারে।
৩ জ্বর হতে পারে।
৪ সন্ধির বেদনা হতে থাকে।
৫ মুখ মন্ডলের ক্ষত হতে পারে।
৬ লিভার অর্থাৎ যকৃতের গোলমাল থাকতে পারে।
৭ ট্রাভেলার্স ডায়েরিয়া হতে পারে।
৮ সারা পেট ব্যাথা যন্ত্রণা হতে পারে।
৯ বিশেষ করে মলত্যাগ কালে তলপেটে অস্বস্তিভাব ও যন্ত্রণা হতে থাকে।
১০ মলদ্বারে মলাশয় প্রভৃতি অংশে প্রদাহ মলত্যাগ কালের জ্বালা-যন্ত্রণা প্রভৃতি হতে থাকে।

আনুষঙ্গিক উপকারী

১ রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে।
২ নিরামিষ খাদ্য খাওয়াই ভালো।
৩ সুসিদ্ধ শাকসব্জি আলু কলা অন্যান্য ফলমূল প্রভৃতি খাওয়া চলবে।
৪ ডিম খাওয়া চলবে।
৫ দুধ কিছুদিন বন্ধ করে রাখতে হবে।
৬ তেল ঝাল মসলা প্রভৃতি সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
৭ ব্যাথা যন্ত্রণার ঔষধ উচ্চ মাত্রায় বীজাণু নাশক ঔষধ খাওয়া নিষিদ্ধ।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

Appendicitis Pain Use In Bangali এপেন্ডিসাইটিস এর লক্ষণ

 

রোগের বিবরণ

ভার্মিফর্ম অ্যাপেন্ডিক্স অর্থাৎ উপ অঙ্গ প্রদাহিত হওয়াকে অ্যাপেন্ডিসাইটিস বলা হয়।
আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স ১৮ বছর উদ্ধের যে কোন মানুষের এই রোগ হতে পারে।
আক্রান্ত লিঙ্গ ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে পুরুষেরা মহিলাদের চেয়ে দেড়গুণ অধিক আক্রান্ত হন। ৩০ বছরের উদ্ধের পুরুষ ও মহিলাদের সমান হারে এই রোগ হয়।

রোগের কারণ

উপাঙ্গের খোলা মুখ দিয়ে পাচিত খাদ্যবস্তুর কণা মল মাছের কাঁটা খাদ্যবস্তুর সাথে যাওয়া ধুলো বা বালির কণা প্রভৃতি প্রবেশ করলে তা আর সহজে বের হয় না। ফলে সেখানে পচে গিয়ে বীজাণুর সংক্রমণ ঘটে থাকে। ফলে প্রদাহের সৃষ্টি হয়। অজীর্ণ আমাশয় কোষ্ঠকাঠিন্য ভূগলে অন্ত্রের কৃমি থাকলে এই রোগ হতে পারে।

লক্ষণ

১ ক্ষুধা মন্দা হতে দেখা যায়।
২ রোগাক্রমণের পর ১থেকে২ মাস অন্তর অন্তর যন্ত্রণা হওয়া বা অন্যান্য জটিলতা হতে দেখা যায়।
৩ নাড়ীর গতি বৃদ্ধি পায়। মিনিটে ১০৮ থেকে ১২০ বার পর্যন্ত হতে দেখা যায়।
৪ জ্বর হয় ১০৩⁰ পর্যন্ত।
৫ গা বমি ভাব বমি হতে পারে।
৬ বমি হওয়ার পর যন্ত্রণা হ্রাস ঘটে পরে আবার বৃদ্ধি পায়।
৭ ২ থেকে ৩ দিন দারুণভাবে যন্ত্রণা হয়। তারপর যন্ত্রণা কমে গিয়ে কেবলমাত্র ব্যাথা থাকে।
৮ প্রচন্ড যন্ত্রণার কারণে এই সময় রোগী কুঁজো হয়ে হাঁটতে চায়।
৯ প্রস্রাবর জ্বালা যন্ত্রণা থাকতে পারে।
১০ রোগের প্রথম অবস্থায় অবশ্যই সঠিকভাবে যন্ত্রণার স্থান নির্ণয় করা যায় না।
১১ পরে যখন রোগ লক্ষণ প্রকট হয় তখন যন্ত্রণার স্থান নির্বাচন ও রোগ নির্ণয় সহজ হয়।
১২ ডান দিকের পেটের একেবারে নিচের অংশের তীব্র যন্ত্রণা হতে থাকে।
১৩ সারা পেট যন্ত্রণা হতে থাকে ক্রমশঃ তা একটি নির্দিষ্ট অংশ স্থির হয়।

চিকিৎসা

Tablets Drotin ট্যাবলেট ড্রোটিন
১ টি করে দিনে ২ থেকে ৩ বার প্রয়োজন অনুযায়ী দিতে হবে।
অথবা Tablets Cyclopam ট্যাবলেট সাইক্লোপ্যাম
১ টি করে দিনে ২ থেকে ৩ বার প্রয়োজন অনুযায়ী দিতে হবে।
একটি বীজাণু নাশক ঔষধ দিতে হবে
Tablets Cifran 500 Mg ট্যাবলেট সিফরান ৫০০মিগ্ৰা
১ টি করে দিনে ২ বার ৫ দিন দিতে হবে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে।
২ পেটের গরম সেঁক দিলে যন্ত্রণা উপশম হয়।
৩ সাগু বালির হরলিক্স কমপ্লান সুসিদ্ধ ভাত মশলাবিহীন ঝোল প্রভৃতি খেতে দিতে হবে।
৪ অস্ত্রোপ্রচারের পর ৬ মাস বিশ্রামে নিতে হবে।
৫ এই সময় হালকা সহজপাচ্য অথচ পুষ্টিকর খাদ্য খেতে হবে।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমে সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।


How To Use Malabsorbtion Use Bangali শোষণে অক্ষমতা বলতে কি বুঝায়

 

রোগের বিবরণ

ক্ষুদ্রান্ত্রের ভিতরের গাত্রের মিউকাস মেমব্রেন ক্ষতিগ্রস্ত হলে ভিলাই ও তার মধ্যেকার সরু জালিকা সমূহ ও ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফলে তাদের খাদ্যবস্তু থেকে প্রয়োজনীয় অংশ শোষত করার ক্ষমতা লোপ পায়।
আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। তবে সংবহন তন্ত্রের এর দ্বারা প্রবাহিত হয়।
আক্রমণের লিঙ্গ স্ত্রী এবং পুরুষ উভয়ের এই রোগ সমানভাবে হয়।
আক্রমণের বয়স এই রোগ সচরাচর বয়স্কদের হতে দেখা যায়।

রোগের কারণ

পাচক রসসমূহ অর্থাৎ হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড পিত্তরস অগ্ন্যাশয় রস প্রভৃতি স্বাভাবিক পরিমাণে নিঃসৃত না হলে খাদ্যবস্তু ভালোভাবে তৈরি হয় না ফলে শোষণের ব্যাঘাত ঘটতে পারে। এছাড়া আমাশয় আন্ত্রিক আলসার কোলাইটিস প্রভৃতি রোগে ভোগে মিউকাস মেমব্রেন তথা ভিলাইগুলি ও তার মধ্যবর্তী সমূহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে শোষত ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। অস্ত্রোপ্রচার করে ক্ষুদ্রান্ত্রের কিছু অংশ কেটে বাদ দিলে মোট শোষিত অংশ কমে যায়। ফলের শোষণ ও কমে হয়। আবার রক্তল্পতা রোগের ভুগলে ক্ষুদ্রান্ত্রের গাত্রে যে পরিমাণ বা লসিকা বহ দরকার তা থাকে না। ফলে শোষণ কম হয়। অত্যধিক জীবাণু নাশক ঔষধ খেলে অন্ত্রে বসাবাস কারী উপকারী ব্যাকটেরিয়া মারা যায় শোষণ কমে যেতে পারে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাদ্য প্রত্যহ ঠিক ঠিক সময়ে খেতে হবে। বিভিন্ন প্রকারের ডাল মুড়ি চিড়া খই কর্ণফ্লেকস মাখন পনির মিছরি চকোলেট গরম মিষ্টিদ্রব্য সুজি বিভিন্ন ফল ও ফলের রস জ্যাম জেলি আইসক্রিম ডিম মাছ মাংস প্রভৃতি প্রতিদিন প্রত্যেকটি নির্দিষ্ট সময় খেতে হবে।
খোসা ছাড়ানো শস্য দানা রুটি বিস্কুট কেক পরোটা টোস্ট চানাচুর দুধ ভাজা গম বা গমের খই পেস্তা পুডিং গম প্যাগেটি বরফের মাছ বা মাংস প্রবৃদ্ধি খাওয়া ভালো নয় খাবার সোডা বা সোডা ওয়াটার প্রভৃতি খাওয়া নিষিদ্ধ।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

Giardiasis symptoms use in bangali জিয়র্ডিয়াসিস হলে কি করবেন


রোগের বিবরণ

এক ধরনের প্যারাসাইট মানুষের অন্ত্রে প্রবেশ করে বংশবিস্তার করে এবং বিভিন্ন রকম সমস্যার সৃষ্টি করে।
আক্রান্ত তন্ত্র কেবলমাত্র পৌষ্টিকতন্ত্র থেকে এই রোগ দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স সব বয়সেই এই রোগ হতে পারে। তবে বয়স্ক শিশুদের এবং কিশোরদের এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়।
আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী এবং পুরুষ উভয়েরই এই রোগ হতে পারে। তবে পুরুষদেরই একটু বেশি হতে দেখা যায়।

রোগের কারণ

দূষিত খাদ্য ও পানির মাধ্যমেই এই রোগ সংক্রামিত হয়। বাসি পচা খাবার না ধোয়া কাঁচা ফল শাকসবজি প্রভৃতির মাধ্যমে এই রোগের প্যারাসাইট মুখ দিয়ে মানুষের অন্ত্রে চলে যায়।

রোগের লক্ষণ

১ হঠাৎ হঠাৎ উদারাময়ে আক্রান্ত হওয়া এবং ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে তার সেরে যাওয়া এই রোগের লক্ষণ।
২ মলে সোঁদা সোঁদা গন্ধ থাকে।
৩ কখনো কখনো কোষ্ঠকাঠিন্য সহ কালো মল হতে দেখা যায়।
৪ পাতলা আঠাল আমযুক্ত মল নিঃসরণ হয়।
৫ পেট ফাঁপা ও পেটের বায়ু সঞ্চয় প্রভৃতি হতে থাকে।
৬ গা বমি ক্ষুধা মন্দা পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে দেখা যায়।
৭ মাথা ধরা জ্বর ভাব বুক ধড়ফড় করা প্রভৃতি হতে পারে।
৮ শরীরে ক্রমশঃ শীর্ণ হওয়া রক্ত শূন্যতা ওজন হ্রাস পাওয়া প্রভৃতি হতে থাকে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

সুসিদ্ধ ভাত কাঁচা কলা ডুমুর পেঁপে চারা পোনা মাছ প্রভৃতির ঝোল পটল করলা, প্রভৃতি খাওয়া ভালো। বাজারের ফল মূল শাকসবজি খুব ভালোভাবে ধুয়ে তবেই খাওয়া চলবে। জল ফুটিয়ে ঠান্ডা করে খেতে হবে। রোগীর একটু ভালো হলে প্রোটিনেক্স প্রোটিনিউলস হরলিক্স প্রভৃতি পুষ্টিকর খাবার খেতে দিতে হবে।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমে সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।