how to use diclofenac tablet uses in bengali ডাইক্লোফেনাক ব্যবহার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আন্তঃবিক্রিয়া সাবধানতা

 

ইয়া একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যাথা যন্তনা না সব ঔষধ।
ইহার সামান্য তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ কারী ক্ষমতা বিদ্যমান। ইহাও স্টেরয়েড বিহীন প্রদাহ নাশক ঔষধ। পৌষ্টিকতন্ত্র থেকে দ্রুত এবং সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়। গ্রহণের ২ ঘণ্টার মধ্যে রক্ত রসের সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। ৪ থেকে ৬ ঘন্টার পর ইহা সাইনোভিয়াল ফ্লুইডে সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। ৬০ শতাংশ পরিবর্তত অবস্থায় এবং ১% অপরিবর্তিত অবস্থায় মূত্র পথে নির্গত হয়। বাকি অংশের পিত্তরসের সাথে মলের মাধ্যমে নির্গত হয়।
এই ঔষধ পুশ করার ২০ মিনিটের মধ্যে রক্তরসের সর্বোচ্চ মাথায় উপস্থিত হয়। এই ঔষধ সাইনোভিয়াল ফ্লুইডে ৪ থেকে ৬ ঘন্টার মধ্যে উপস্থিত হয় এবং ১২ ঘন্টা যাবৎ সেখানে থাকে। এই ঔষধ মৌখিক ডাইক্লোফেনাকের ন্যায় একই মূত্রপথে  মলের সাথে নির্গত হয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

পেটে ব্যাথা যন্ত্রণা বমি ভাব বা বমি উদরাময় পেট ফাঁপা অম্ল অজীর্ণ ক্ষুদা মন্দা রক্ত বমি রক্ত পায়খানা মুখে ক্ষত মাথার যন্ত্রণা মাথা ঘোরা মাথা ঝিম ঝিম করার ক্লান্তি স্মৃতিশক্তি হ্রাস দৃষ্টির বিকৃতি কান ভো ভো করা অনিদ্রা দুশ্চিন্তা অবসাদ চর্মে উদ্ভেদ আমবাত চুল ওঠা মূত্রাবরোধ প্রস্রাবে জ্বালা জন্ডিসসহ বিভিন্ন যকৃতের পীড়া রক্তের চিত্রের পরিবর্তন অ্যাজমা ও ব্রঙ্কাইটিস বৃদ্ধি বুকে ব্যাথা বুক ধড়ফড়ানি রক্তচাপ বৃদ্ধি রতিশক্তি হ্রাস পাওয়া প্রভৃতি ঘটতে পারে।

আন্তঃবইক্রইয়আ

লিথিয়াম ডাইগক্সিন মেথোট্রেক্সেট সাইক্লোস্পোরিন স্যালি সাইলেট ফ্রুসেমাইড প্রভৃতিতে সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়ার ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায় এবং কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়।

সাবধানতা

গর্ভবতী মহিলাদের চলবে না। ও শিশুদের ও চলবে না।
গর্ভবতী মহিলাদের এবং এই ঔষধ ব্যবহার করা চলবে না।
স্তন্যদানকারী মাতাদের অল্প মাত্রায় খাওয়া চলবে। পাকস্থলীর ও ডিওডেনামের ক্ষতে ব্যবহার নিষিদ্ধ। পেটের গন্ডগোল চলতে থাকলে খুব অল্প মাত্রার প্রয়োগ করতে হবে এবং ও সাথে অবশ্যই অ্যান্টাসিড দিতে হবে। বয়স্কদের খুব সাবধানতা অবলম্বন করে এই ঔষধ ব্যবহার করতে হবে। আঘাতপ্রাপ্ত অংশ কেটে গেলে মালিশ ঔষধ ব্যবহার করা চলবে না।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।


How To Use Impotency Meaning In Bengali ধ্বজভঙ্গ বা পুরুষ ত্বহীনতা টিপস



 বিবরণ

জননতন্ত্রের ক্রটিজনিত অসস্তুষ্টি কামেচ্ছা যৌনক্ষুধার প্রাবল্য প্রভৃতি না থাকা যৌন অনুভূতির লোপ প্রভৃতি কারণে সৃষ্ট রোগকেই ধ্বজভঙ্গ বা পুরুষ ত্বহীনতা বলে।
আক্রান্ত তন্ত্র জননতন্ত্র স্নায়ুতন্ত্র মূত্রযন্ত্রের সংবহনতন্ত্রর প্রভৃতি এই রোগের ফলে আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স ১৪ বছর থেকে ৬০ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়।
আক্রান্ত লিঙ্গ কেবলমাত্র পুরুষেরা এই রোগে আক্রান্ত হন।

কারণ

জননতন্ত্রের গঠনগত কাঠামোগত ত্রুটি মানসিক দুর্বলতা ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অর্থাৎ অত্যধিক ঔষধ সেবন স্নায়ুর দুর্বলতা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির অনিয়মিত ক্ষরণ শরীরের প্রোটিন ও ভিটামিনের অভাবে অত্যাধিক পরিশ্রম করা পূর্বের অতিক্রমন্ত করা বর্তমানে বন্ধ হয়ে প্রবৃত্তির কারণে এই রোগ হতে পারে।

লক্ষণ

১ এই রোগের প্রধান লক্ষণ হল যৌন ক্ষমতা লোপ পাওয়া।
২ সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা থাকে না।
৩ অনেকের আবার অল্প সময়েই যৌনাঙ্গ শিথিল হয় এবং বীর্যপাত ঘটে।
৪ প্রবল কাম উত্তেজনার সৃষ্টি হয় কিন্তু যৌনাঙ্গ উত্থিত হয় না অনেকের কামোওজনার সৃষ্টি হয় না।

চিকিৎসা

Tablets Tentex forte ট্যাবলেট টএনটএক্স ফোর্ট
২ টি করে দিনে ৩ বার ২ থেকে ৩ মাস খেতে হবে।
এবং Himocolin Cream হিমকোলিন ক্রিম
যৌনমিলনের ১ ঘন্টা পূর্বে পুং লিঙ্গে মালিশ করতে হবে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ মানসিক মনোবল এই রোগ নিরাময়ের একটি বড় বিষয়।
২ শরীরে অন্য কোন রোগ থাকলে তার চিকিৎসা অবশ্যই করতে হবে।
৩ হালকা ব্যায়াম এবং প্রাতঃভ্রমন উপকারী 
৪ এই রোগীদের মাদকদ্রব্য সেবন অসৎচিন্তা রাত্রি জাগরণ অত্যধিক ঔষধ সেবন প্রভৃতি বন্ধ করা উচিত।
৫ যৌন মিলনের পূর্বের অবশ্যই মল মূত্র ত্যাগ করে নিতে হবে। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে উভয় শয্যাসঙ্গীঈ পরস্পরের কামোত্তেজনা সৃষ্টির জন্য শিহরণ সৃষ্টি করে নেওয়া ভালো।
৬ কন্ডোম ব্যবহার অনেক ক্ষেত্রে ভালো ফল দেয় । মিলনের ঘর নিরাপদ এবং হাওয়া বাতাস ও আলোকময় হওয়া দরকার। মিলন খুব ধীর গতিতে হওয়া উচিত।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

chanceroid uses in bengali যৌনাঙ্গের ক্ষত বা স্যাঙ্কর



 বিবরণ

এটি যৌনমিলনের মাধ্যমে সংক্রমিত এক ধরনের সংক্রামক যার ফলে জননতন্ত্র 
এবং তৎসংলগ্ন অংশে যন্ত্রণাদায়ক ক্ষতের সৃষ্টি হয় এবং কুঁচকির প্রদাহ হয়
আক্রান্ত জনতন্ত্র ত্বক প্রভৃতি এই রোগের ফলে আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স ১৪ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে এই রোগ হতে দেখা যায়।
আক্রমণের লিঙ্গ মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের এই রোগ অধিক হতে দেখা যায়।

কারণ

যৌন মিলনের সময় এই রোগের জীবাণু আক্রান্ত ব্যক্তির দেহ থেকে অনাক্রান্ত ব্যক্তির যৌনাঙ্গে চলে আসে।
হেমোফিলাস ডুক্রেয়ী নামক গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণু আক্রমণ এই রোগ হয়।

লক্ষণ

১ এই সকল ক্ষতে জ্বালা যন্ত্রণা হয় এমনকি রক্ত ও ঝরে।
২ পরে আরও উদ্ভেদ বের হয় এবং একই পরিণতি হয়।
৩ পুরুষের লিঙ্গমুণ্ড মূত্রছিদ্র প্রভৃতি অংশে এবং মহিলাদের যোনিদ্বার ও তৎ
সংলগ্ন অংশে ছোট ছোট লাল বর্ণের ফুস্কুড়ি হয়।
৪ এই রোগের জীবাণু মূত্রনালীতে বিস্তার লাভ করে না। ফলে সেখানে ক্ষতের
সৃষ্টি হয় না বা প্রস্রাবে কোন কষ্ট হয় না।
৫ কুঁচকির গ্ৰন্থি বীজাণুর দ্বারা আক্রান্ত হয়ে পেকে যায় এবং
ফেটে ক্ষতের সৃষ্টি হয়।
৬ ২৪ ঘন্টা পর থেকে ১ সপ্তাহের মধ্যে ঐ ফুস্কুড়ি গুলি ক্ষতে পরিণত হয় এবং তা
থেকে পুঁজ ও কষ ঝরতে থাকে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ গরম জলে ডেটল বা ফেয়ারজিনল বা আইটিয়ল ৩ প্রভৃতি ব্যবহার করে ক্ষতস্থান নিয়মিত ধৌত করণ করা দরকার
২ এই রোগে আক্রান্ত রোগীকে পুষ্টিকর অথচ সহজপাচ্য খাদ্য খেতে দিতে হবে।
৩ রোগ যতদিন না সারছে ততদিন যৌনমিলন বন্ধ রাখতে হবে।রোগ সারার পর কিছু দিন কন্ডোম ব্যবহার করে যৌনমিলন ঘটাই বিধেয়।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমে সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

Urethritis Symptoms use in Bangali মূত্র নালীর প্রদাহ কি

 

বিবরণ

বিভিন্ন কারণে প্রস্রাব নিঃসরণের সময় প্রস্রাব ও নির্গমন দ্বারে জ্বালা যন্ত্রণা হওয়াকে ইউরেথ্রাইটিস বা মূত্রনালীর প্রদাহ বলা হয়।
আক্রান্ত তন্ত্র মূত্র যন্ত্রের এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স এই রোগ বয়স্কদের বেশি হয় তবে শিশুদের হতে পারে।
আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা ও পুরুষদের এই রোগ সমানভাবে হতে দেখা যায়।

কারণ

মুত্র নালীতে ক্যাথিটার প্রবেশ করাতে গিয়ে আঘাত লেগে কেটে গেলে এবং ক্ষত সৃষ্টি হলে এই রোগ হতে পারে। মূত্র পায়ী নির্গমনকালে অন্যান্য বীজাণু আক্রমণ জনিত কারণে ক্ষতের সৃষ্টি হলে প্রস্রাব ত্যাগের সময় তা প্রবাহিত হয়।

লক্ষণ

১ জ্বর গা হাত পা জ্বালা করা প্রভৃতি হতে পারে।
২ প্রস্রাবের সাথে রক্তের টুকরো আসতে পারে।
৩ কষ্টকর প্রস্রাব ডিসুরিয়া অর্থাৎ প্রস্রাব নির্গমনের সময় প্রচন্ড জ্বালা এবং দপদপানি যন্ত্রণা হতে থাকে।
৪ সর্বদা মূত্রনালীতে দপদপানি যন্ত্রণা হতে পারে।
৫ মূত্রনালীতে সুড়সুড় করা ও ফোলা ভাব লক্ষ্য করা যায়।
৬ বস্তিদেশে সর্বদা অস্বস্তিভাব মনে হয় আবার প্রস্রাব হবে এবং তাতে কষ্টের উপশম হবে কিন্তু সামান্য প্রস্রাব হয় কষ্টের কোনো উপশম ঘটে না।
৭ দুগ্ধবৎ অথবা গাঢ় পূজ নিঃসরণ হতে পারে।
৮ মহিলাদের মূত্রদ্বার ফোলা চুলকানোর যোনি ও জরায়ুগ্ৰীবার প্রদাহ প্রভৃতি ও হতে পারে।
৯ সঙ্গমকালে কষ্ট হওয়া প্রভৃতি ও ঘটতে পারে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ টক ঝাল মাদকদ্রব্য ব্যতীত সকল প্রকার খাদ্য বস্তুই খাওয়া ভালো।
২ অন্যান্য রোগ থাকলে তার চিকিৎসা করতে হবে।
৩ পানীয় জল ডাবের জল সরবৎ প্রভৃতি প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে।
৪ তলপেটে হালকা গরম সেঁক দেওয়া ভালো।মূত্রনালী পিচকারী দ্বারা ধৌতকরণ
করা ভালো।
৫ তার জন্য ডেটল বা স্যাভলনের জল ব্যবহার করা যাবে।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

nephritis meaning in bengali নেফ্রাইটিস কেন হয়

 

বিবরণ

বৃক্ককোষে অবস্থিত ছাঁকনি সমূহ গ্লোমেরুলি জীবাণু দূষণ জনিত কারণে ক্ষতিগ্ৰস্ত এবং প্রদাহিত হতে থাকে। একেই বৃক্ককোষে প্রদাহ বা তীব্র গ্লোমেরুলোনফ্রাইটিস বলা হয়।
আক্রান্ত তন্ত্র মূত্রযন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স যে কোন বয়সই এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের যে পুরুষেরা এই রোগে বেশি আক্রান্ত হন।

কারণ

ফ্যারিংজাইটিস টনসিলাইটিস মধ্যকর্ণের প্রদাহ প্রভৃতি রোগের বীজাণুরা মূত্রগ্ৰন্থিকে আক্রমণ করে বলে এই রোগের সৃষ্টি হয়। সরাসরি সংক্রমণ ও হতে পারে।

লক্ষণ

১ পেটে যন্ত্রণা হতে পারে।
২ জ্বর ভাব হতে দেখা যায়।
৩ ক্ষুধা মন্দা হতে পারে।
৪ প্রস্রাবে জ্বালা হতে পারে।
৫ প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়।
৬ প্রস্রাবের রক্ত থাকে সামান্য।
৭ বেশি থাকলে চায়ের মত প্রস্রাব হয়।
৮ সকালে চোখ মুখ ফোলে এবং বিকালে ও সন্ধ্যা পা ও জানু ফোলে।
৯ প্রস্রাবের পরিমাণ কম হয়।
১০ পিঠের নিচের দিকে আড়ষ্ট ব্যাথা হয়।
১১ দু পায়ে যন্ত্রণা হতে থাকে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে।
২ জটিলতা সৃষ্টি হলে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নিতে হবে।
৩ প্রয়োজনে ডায়ালিসিস করতে হবে।
৪ সুসিদ্ধ ভাত তরকারি সবুজ শাকসবজি দুধ রুটি মাখন বিস্কুট প্রভৃতি খাওয়া চলবে।
৫ মিছরির সরবৎ ডাবের জল পানির জল প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে।
৬ ঠান্ডা লাগানো নিষিদ্ধ।
৭ লবণ প্রোটিন জাতীয় খাবার পটাসিয়ামযুক্ত খাবার প্রভৃতি খুব কম খেতে হবে।

inflammation of muscle in use bangali পেশীর বাত কাজ কি

 

বিবরণ

যে কোনো কারণে শরীরের যে কোন অংশের পেশীর আক্ষেপ ও প্রদাহকে পেশীর বাত বলা হয়। এই রোগ ক্রনিক হয়। এবং এই রোগ অন্য রোগ থেকে সৃষ্ট পেশীর প্রদাহ নহে।
আক্রান্ত তন্ত্র পেশী কঙ্কাল তন্ত্র স্নায়ুতন্ত্র এই রোগে দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স যে কোন বয়সেই এই রোগ হতে পারে।
আক্রমণের লিঙ্গ মহিলা ও পুরুষ উভয়ের সমানভাবে এই রোগ হতে পারে।

কারণ

অধিক পরিশ্রম করার ফলে পেশী কলার সংকোচন ও প্রসারণের ফলে আঘাত লেগে টিস্যু ছিঁড়ে গেলে অস্ত্র পচারের পর টিস্যুর গঠন ঠিকমতো না হলে এবং অনেক অজানা কারণে এই রোগ হয় বলে ধারণা করা হয়।

লক্ষণ

হাত ও পা পিঠ বা শরীরের যে কোনো অংশে পেশীর সামান্য থেকে অধিকতর প্রদাহ নড়া চড়া করতে কষ্ট প্রভৃতি এই রোগের লক্ষণ।

চিকিৎসা

১ প্রদাহনাশক ঔষধ দিতে হবে।
Tablets Mobizox ট্যাবলেট মোবিজক্স
১ টি করে দিনে ২ বার খাবার পর খেতে হবে।

তার সঙ্গে দিতে হবে।
Tablets Digene ট্যাবলেট ডাইজিন
১ থেকে ২ টি করে উপরের ঔষধের সাথে চিবিয়ে খেতে হবে।
২ যেকোনো একটি ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও জিঙ্ক মিশ্রিত ঔষধ খেতে হবে।
Capsule Cobadex Z ক্যাপসুল কোবাডেক্স জেড
১ টি করে দিনে ১ থেকে ২ বার ১০ দিন খেতে হবে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ চিকিৎসা চলাকালীন সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে।
২ ফলমূল ও সবুজ শাকসবজি প্রভৃতি খাওয়া ভালো।
৩ ধূমপান ও মাদকদ্রব্য সেবন নিষিদ্ধ।
৪ দুধ ঘি প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন মাছ মাংস ডিম প্রভৃতি অধিক পরিমাণে খাওয়া ভালো।
৫ কোষ্ঠ পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

How To Use Prostatitis Symptoms Use in Bangali প্রোস্টাটাইটিস কি

 

বিবরণ

বিভিন্ন কারণে প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড অর্থাৎ মূত্রাশয় গ্ৰন্থি স্ফীত ও প্রদাহিত হওয়াকে প্রসটেটাইটিস বলা হয়।
আক্রান্ত তন্ত্র জননতন্ত্র ও মূত্র তন্ত্রের প্রভৃতি এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স ৩০ থেকে ৫০ বছর বয়সেই এই রোগ অধিক হতে দেখা যায়। তবে ৫০ বছরের উদ্ধের ও হতে পারে।
আক্রান্ত লিঙ্গ এই রোগ কেবল পুরুষদেরই হয়।

কারণ

মূত্র নালী দ্ধারা বীজাণু প্রবেশ প্রস্টেট নালীতে মূত্রের প্রবেশ আঘাত লাগা গ্ৰন্থির ক্ষরণের গোলযোগ প্রভৃতি থেকে এই রোগ হতে পারে। এছাড়া মূত্রপাথরী অনেক সময় এই রোগের কারণ হয়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ক্লেবসিয়েল্লা প্রোটিয়াস প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ ব্যাকটিরিয়া স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস প্রভৃতি গ্ৰাম পজিটিভ ব্যাকটেরিয়া এই রোগ ঘটায়।

লক্ষণ

১ প্রথমে তলপেটে প্রচন্ড ব্যাথা যন্ত্রণা। বিশেষ করে প্রস্রাবের সময় হতে দেখা যায়।
২ জ্বর ও শীত ভাব প্রভৃতি হতে পারে।
৩ ঘন ঘন প্রস্রাবর বেগ কিন্তু প্রস্রাব ত্যাগের সময় বাধার সৃষ্টি ঘটে।
৪ ক্যাথিটার দ্ধারা প্রস্রাব করালে কিছুক্ষণ রোগের কষ্ট কমে যায় পুনরায় মূত্রথলিতে মূত্র সঞ্চত হলে ব্যাথা যন্ত্রনার সুত্রপাত হয়।
৫ বারংবার অল্প অল্প করে প্রস্রাব হয়।
৬ প্রস্রাবের করার সময় খুব কষ্ট হয়।
৭ প্রস্টেট গ্রন্থি ফুলে ওঠে গরম হয়।
৮ অগুকোষ লিঙ্গে প্রচন্ড ব্যাথা হয়।
৯ বীর্যপাতের সময় যন্ত্রণা হতে থাকে। রক্তপাত হয়।

চিকিৎসা

১ প্রদাহ নাশের জন্যে দিতে হবে।
Tablet  Trigan D ট্যাবলেট ট্রাইগ্যান ডি
১ টি করে দিনে ৩ বার খাবার পর খেতে হবে ৩ থেকে ৫ দিন।
২ কোষ্ঠ পরিষ্কার রাখার জন্য দিতে হবে।
Naturocare Pawder নেচারকেয়ার পাওডার
২ থেকে ৩ চামচ করে রাত্রে গরম জলসহ রাত্রে খেতে হবে।
৩ ক্রনিক কেস অথবা অ্যাকিউট অবস্থায় রোগের লক্ষণ হালকা থাকলে য়ে কোন ঔষধ ভালো ফল পাওয়া যায়।
Tablet Bactrim DS ট্যাবলেট ব্যাকট্রিম ডি এস
১ টি করে দিনে ২ বার ৫ থেকে ১০ দিন দিতে হবে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ যৌন মিলনের সময় বীর্যস্খলনে বাধাদান করা উচিত নয়।
২ প্রতিদিন প্রাতঃভ্রমন ও সন্ধ্যভ্রমন এই রোগের পক্ষে ভালো 
 ৩ স্বাভাবিক অবস্থায় মল ও মূত্রের বেগ চেপে রাখা উচিত নয়।
৪ অ্যাকিউট অবস্থায় সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে।
৫ মূত্র থলিতে মূত্র জমে থাকা অবস্থায় যৌন মিলনের রত হওয়া উচিত নয়।
৬ পুষ্টিকর অথচ সহজপাচ্য খাদ্য খাওয়া একান্ত জরুরী।
৭ পানীয় জল বেশি খেতে হবে।
৮ মূত্রনালীতে প্রস্রাব জমে থাকলে তা ক্যাথিটার ব্যবহার করে নিগর্মনের ব্যবস্থা করতে হবে। একটানা ডাকার দরকার হলে ফোলে ক্যাথেটার ব্যবহার করতে হবে।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।